Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কার্নিভাল উপলক্ষ্যে জলপাইগুড়িতে সাজছে ১৫০ বছরের চার্চ

কার্নিভাল উপলক্ষ্যে জলপাইগুড়িতে সাজছে ১৫০ বছরের চার্চ
  • ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়িতে তুঙ্গে বড়দিনের কার্নিভালের প্রস্তুতি। প্রশাসনের উদ্যোগে এবার শহরে বড়দিনের কার্নিভাল হচ্ছে সেন্ট মাইকেল অ্যান্ড অল এঞ্জেল চার্চে। দেড়শো বছরেরও বেশি পুরনো এই গির্জা। রবিবার থেকেই সেখানে শুরু হয়েছে উৎসবের মহড়া। গিটার হাতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে ক্যারল গানের টিম।
Advertisement
জলপাইগুড়ি শহরে বড়দিনের কার্নিভাল এবার দ্বিতীয় বছরে পা রাখল। এবছর শহরের ছ’টি চার্চ কার্নিভালে অংশ নিচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই চার্চগুলিকে নিয়ে বৈঠক করেছেন জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী। কার্নিভালের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সরেজমিনে গির্জায় পরিদর্শনও করেছেন তিনি। কার্নিভালে হাজির থাকবেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা।
জলপাইগুড়ি শহরে খ্রিষ্টান কমিউনিটির কো-অর্ডিনেটর ভোলা মণ্ডল বলেন, কার্নিভালের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। ২৬ ডিসেম্বর বিকেলে জলপাইগুড়ি শহরের সমাজপাড়া মোড় থেকে শোভাযাত্রা করে আসবে চার্চগুলি। প্রত্যেকের নিজস্ব ট্যাবলো থাকবে। সেন্ট মাইকেল চার্চে অর্থাৎ কার্নিভাল প্রাঙ্গণে এসে তারা পারফর্ম করবে। প্রত্যেকের জন্য সময় বরাদ্দ থাকছে আধ ঘণ্টা। ওই সময়ের মধ্যে চার্চগুলি নাচ-গান কিংবা নাটক পরিবেশন করতে পারবে। কার্নিভাল উপলক্ষ্যে চার্চগুলি আলোর মালায় সাজানো হয়েছে।
অবিভক্ত ভারতে রংপুরের ডিভিশনাল শহর ছিল জলপাইগুড়ি। সেসময় চা বাগানের ম্যানেজাররা বেশিরভাগই ছিলেন ইংরেজ। তাঁরা তখন জলপাইগুড়িতে একটি চার্চ তৈরির প্রয়োজনীয়তা বোধ করেন। সেইমতো ১৮৬৮ সালে জলপাইগুড়িতে তৈরি হয় সেন্ট মাইকেল অ্যান্ড অল এঞ্জেলস চার্চ। বহু প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী বহন করছে তিস্তাপাড়ের শহরে অবস্থিত এই চার্চটি। শতাব্দীপ্রাচীন সেই চার্চকেই এবার প্রশাসনের তরফে বেছে নেওয়া হয়েছে কার্নিভালের প্রাঙ্গণ হিসেবে। এতে খুশি শহরবাসী। জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক বলেন, বড়দিনের উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন যাবতীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। ক্রিসমাস কার্নিভালকে কেন্দ্র করে সর্বধর্ম সমন্বয় এবং সম্প্রীতি রক্ষাই আমাদের মূল লক্ষ্য। 
সম্পর্কিত সংবাদ