সন্দীপন দত্ত, মালদহ: এবছর কার্নিভাল শুরু হওয়ার আগেই গত বছরের উত্সব নিয়ে জোর বিতর্ক পুরাতন মালদহ পুরসভায়। গত বছর কার্নিভালে বেশকিছু অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন ভাইস চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম। বিষয়টি দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে জানাবেন বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। অভিযোগ নস্যাৎ করে চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষের পাল্টা দাবি, কেউ যদি অনিয়ম প্রমাণ করতে পারে, তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। বুধবার সফিকুল বলেন, কার্নিভাল নিয়ে অবশ্যই অনেক প্রশ্ন রয়েছে। আইন মেনে আধিকারিকদের এগতে বলেছি। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে আগে বিষয়টি জানাব। সংবাদমাধ্যমের সামনে এর বেশি এখনই বলতে চাইছি না।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২ ডিসেম্বর নিজের লেটার হেডে ভাইস চেয়ারম্যান সফিকুল জেলাশাসকের কাছে একটি চিঠি লেখেন। সেখানে তিনি পুরাতন মালদহ পুরসভার ব্যানারে কার্নিভালের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলার অভিযোগ করেছেন। চিঠির প্রতিলিপি রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, মালদহের সদর মহকুমা শাসক, পুরাতন মালদহের নির্বাহী আধিকারিক এবং ফিনান্স অফিসারকেও পাঠান সফিকুল। ভাইস চেয়ারম্যানের কথায়, গত বছর কার্নিভালে কিছু অনিয়ম হয়েছে বলেই তো আজ আমরা এই পরিস্থিতিতে এসে দাঁড়িয়েছি। সেটা মেনে নেওয়া আমার পক্ষে ঠিক হচ্ছে না। প্রশাসনিক চেয়ারে বসে আছি। তাই প্রশাসনকে বিষয়টা জানাতেই হবে। স্বচ্ছতা মেনে কাজ হোক, সেটাই চেয়েছি বরাবর।
চলতি মাসের ৯ তারিখ পুরাতন মালদহ পুরসভার বোর্ড মিটিং ছিল। সেখানেও এবিষয়ে সরব হন ভাইস চেয়ারম্যান। পুরসভার ব্যানারে হওয়া কার্নিভালের খরচের আয়ের উৎস, কারা কত টাকা দিয়েছেন, কোন খাতে কত টাকা খরচ হয়েছে, তা নিয়ে চেয়ারম্যানকে একাধিক প্রশ্ন করেন তিনি।
এনিয়ে চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষের পাল্টা মন্তব্য, সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় আমাদের কার্নিভাল হয়। যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে কার্নিভালের নামে মানুষের কাছে অর্থ চাওয়া হয়েছে, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।
বিগত ২০১৯ সাল থেকেই পুরাতন মালদহ পুরসভা কার্নিভাল বা বর্ষবরণ উৎসব করে আসছে। মাঝে কোভিডের কারণে দু’বছর বন্ধ থাকার পর ২০২২ সাল থেকে ফের এই কার্নিভাল শুরু হয়। ২০২২ সালে কার্নিভাল আয়োজনের জন্য পুরসভা অর্থ বরাদ্দ করলেও পরের বছর আর এক টাকাও দেওয়া হয়নি।
চলতি মাসের ৯ তারিখ পুরাতন মালদহ পুরসভার বোর্ড মিটিং ছিল। সেখানেও এবিষয়ে সরব হন ভাইস চেয়ারম্যান। পুরসভার ব্যানারে হওয়া কার্নিভালের খরচের আয়ের উৎস, কারা কত টাকা দিয়েছেন, কোন খাতে কত টাকা খরচ হয়েছে, তা নিয়ে চেয়ারম্যানকে একাধিক প্রশ্ন করেন তিনি।
এনিয়ে চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষের পাল্টা মন্তব্য, সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় আমাদের কার্নিভাল হয়। যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে কার্নিভালের নামে মানুষের কাছে অর্থ চাওয়া হয়েছে, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।
বিগত ২০১৯ সাল থেকেই পুরাতন মালদহ পুরসভা কার্নিভাল বা বর্ষবরণ উৎসব করে আসছে। মাঝে কোভিডের কারণে দু’বছর বন্ধ থাকার পর ২০২২ সাল থেকে ফের এই কার্নিভাল শুরু হয়। ২০২২ সালে কার্নিভাল আয়োজনের জন্য পুরসভা অর্থ বরাদ্দ করলেও পরের বছর আর এক টাকাও দেওয়া হয়নি।



