Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

করিমপুরে সীমান্তে কাফ সিরাপ ও গাঁজা পাচারে যুক্ত হচ্ছে বহু যুবক

করিমপুরে সীমান্তে কাফ সিরাপ ও গাঁজা পাচারে যুক্ত হচ্ছে বহু যুবক
  • ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, করিমপুর: ঝুঁকি আছে। তবে কয়েকঘণ্টা পরিশ্রম করতে পারলেই হাতে আসছে এক-দেড় হাজার টাকা। অল্প সময়ে বেশি রোজগারের আশায় করিমপুর সীমান্ত এলাকার যুবকদের একাংশ পাচারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাতে সীমান্ত পেরিয়ে গাঁজা বা কাফ সিরাপ পৌঁছে দিচ্ছে তারা। বিষয়টি নিয়ে পুলিসের পাশাপাশি দুশ্চিন্তায় সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা।
Advertisement
অতিরিক্ত পুলিস সুপার(গ্রামীণ) উত্তম ঘোষ বলেন, পাচার রোধে পুলিস সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে। গত কয়েকমাসে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজা ও কাশির সিরাপ সহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় পাচার দীর্ঘদিনের সমস্যা। ২৫বছর আগেও ভারত থেকে কাপড়, চিনি, ডাল বাংলাদেশে পাচার হতো। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পর পাচারের রমরমা বন্ধ হয়। পাচারকারীরাও অনেকে চাষাবাদ, ব্যবসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। কিন্তু এখন ফের চোরাচালানের রমরমা শুরু হয়েছে। এখন কাশির সিরাপ ও গাঁজা ওদেশে পাচার হচ্ছে।
প্রথমে ভিনজেলা ও ভিনরাজ্য থেকে গাঁজা এনে জড়ো করা হয়। রাতে এলাকার কিছু যুবক সেসব বয়ে নিয়ে যায়। কাশির সিরাপের বোতল কাঁটাতারের ওপারে ফেলে আসতে পারলেই নগদ এক-দেড় হাজার টাকা মিলে যাচ্ছে। বিএসএফ ও পুলিসের কড়াকড়ি সত্ত্বেও পুরোপুরি পাচার বন্ধ করা যাচ্ছে না। এলাকার বাসিন্দারা জানান, জীবনের ঝুঁকি থাকলেও অনেক যুবক এই পথ বেছে নিচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক বলেন, রোজগারের জন্য সবাই কাজ চায়। কিন্তু এলাকায় কাজ না পেয়ে অনেক মানুষ ভিনরাজ্যে যায়। এই এলাকায় আট ঘণ্টা দিনমজুরি করে বড়জোর দেড়-দু’শো টাকা মেলে। সেখানে রাতের অন্ধকারে পাচারে শামিল হলে দু’তিন ঘণ্টাতেই তার কয়েকগুণ বেশি টাকা ঘরে আসে। সেজন্যই অনেকে পাচারে লিপ্ত হয়।
শান্তিপুরে বাড়িতে লক্ষাধিক টাকার গয়না ও নগদ টাকা চুরি
নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: গৃহস্থের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি। মাত্র ২ ঘণ্টা বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়েই দরজা ভেঙে সর্বস্ব লুট করল দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে শান্তিপুরের ঢাকাপাড়া রামগোপাল সেন স্ট্রিট এলাকায়। ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে শান্তিপুর থানায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। জানা গিয়েছে, অন্যান্য দিনের মতো শনিবার সন্ধ্যায় তিনি গীতাপাঠ করতে গিয়েছিলেন এক জায়গায়। বাড়িতে সেই সময় কেউ ছিল না। মোটামুটি ঘণ্টা দু’য়েক পর তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। তখন দেখেন বাড়ির দরজার তালা ভাঙা। সঙ্গে সঙ্গে ঘরের ভিতর গিয়ে দেখেন, একের পর এক আলমারি খোলা। ভিতরে টাকা পয়সা থেকে সোনার গয়না, সমস্ত কিছু উধাও হয়ে গিয়েছে। গৃহকর্ত্রী শর্মিষ্ঠা সূত্রধরের দাবি, বেশ কয়েক লক্ষ টাকার সোনার গয়না ছিল লকারে। এছাড়াও প্রায় নগদ প্রায় ৭৫ হাজার টাকা ছিল আলমারিতে। সম্প্রতি একটি ঋণদায়ী সংস্থা থেকে এই টাকা নিয়েছিলেন তিনি। এই ঘটনা জানাজানি হতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় ওই এলাকায়। 
সম্পর্কিত সংবাদ