Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

করিমপুরে অটো-টোটো বাড়ায় সঙ্কট বাস মালিক ও কর্মীদের

করিমপুরে অটো-টোটো বাড়ায় সঙ্কট বাস মালিক ও কর্মীদের
  • ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, করিমপুর: দিনদিন বিভিন্ন জায়গায় অটো-টোটোর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাসের যাত্রী সংখ্যা কমছে। ফলে সঙ্কটে পড়েছেন বাস মালিক ও কর্মীরা। অটো ও ট্রেকারের দাপটে বাস পরিষেবা কমতে কমতে প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন রুটে। ফলে বাসকর্মীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে বাস পরিষেবা দিতেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এলাকার এক বাসকর্মীরা বলেন, করিমপুর, তেহট্ট, বেতাই, নাজিরপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় বর্তমানে অসংখ্য টোটো বা অটো চলাচল করছে। একসময় প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সুবিধার্থে করিমপুর থেকে হোগলবেড়িয়ার রাজাপুর, জয়রামপুর, মুরুটিয়ার মথুরাপুর শিকারপুর, গোয়াসের মতো পকেট রুটেও বাস পরিষেবা দেওয়া হতো। পরবর্তী সময়ে ওই সব রুটে অটো ও ট্রেকারের দাপটে বাস পরিষেবা এখন প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন পকেট রুট ছেড়ে প্রধান রুট অর্থাৎ করিমপুর কৃষ্ণনগর কিংবা করিমপুর বহরমপুর রাস্তাতেও ছোট গাড়ি যাত্রী চাপাচ্ছে। ফলে ওই সমস্ত রুটের বাসে যাত্রী সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ভাড়া বাবদ যে টাকা হাতে আসছে তাতে বাসের জ্বালানি ও কর্মীদের খরচ উঠছে না।
Advertisement
করিমপুরের বাস মালিক নিলয় মণ্ডল বলেন, এমনিতেই বাসের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বাসের যাত্রী সংখ্যা যথেষ্ট নয়। জ্বালানি খরচ থেকে কর্মীদের পারিশ্রমিক দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বর্তমানে অনেক ছোট গাড়ি যাত্রী বোঝাই করে করিমপুর থেকে নাজিরপুর কিংবা জলঙ্গিতে ছুটছে। কখনও নাজিরপুর থেকে তেহট্ট আবার জলঙ্গি থেকে ডোমকল বহরমপুর চলে যাচ্ছে। যে কারণে বাসের যাত্রী কমে যাচ্ছে। একই অভিযোগ করেন নদিয়া জেলা বাস মালিক সমিতির সম্পাদক দুর্জয় সিংহ রায় বলেন, শুধু করিমপুর নয়, সারা জেলায় অসংখ্য ছোট গাড়ির দাপটে বাসের পরিষেবা কঠিন হয়ে পড়ছে। ছোট রুটের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য সড়কেও তারা যাত্রী পরিবহণ করছে। যে কারণে মার খাচ্ছে বাস পরিষেবা। বহু রুটে এই নিয়ে ছোট গাড়ির চালকদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়েছে বাসকর্মীরা। এব্যাপারে প্রশাসনকে বারবার জানানোর পরেও কোনও সুরাহা হয়নি। খুব শীঘ্রই ছোট গাড়ির বিরুদ্ধে সরকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যদিও এই বিষয়ে এক অটো চালক সুনীল মণ্ডল বলেন, বিভিন্ন পকেট রুটে আগে সারাদিনে হাতে গোনা কয়েকটি বাস চলত। বাসের জন্য যাত্রীদের বহু সময় অপেক্ষা করতে হতো। এখন অটো কিংবা টোটো চলাচলের কারণে অনেক মানুষ যেমন তাদের আয়ের উৎস পেয়েছেন তেমনই সাধারণ মানুষদেরও সময় নষ্ট হচ্ছে না। তারা সবসময় যাতায়াতের সুবিধা পাচ্ছেন। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ