সংবাদদাতা, করিমপুর: বহুদিন সংস্কার না হওয়ায় করিমপুর-১ ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েতে রাস্তা বেহাল দশায় রয়েছে। সেসব রাস্তা দিয়ে যাতায়াতে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। ছোট গাড়ি থেকে শুরু করে সাইকেল, বাইক চালকরা খুবই সমস্যায় পড়ছেন। অভিযোগ, এত সমস্যা সত্ত্বেও স্থানীয় পঞ্চায়েত বা ব্লক প্রশাসনের টনক নড়ছে না।
Advertisement
করিমপুর-১ এর বিডিও দেবদত্ত চক্রবর্তী বলেন, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা প্রকল্পে গ্রামের বহু রাস্তা সংস্কার করা হয়। সারাবছর রাস্তা সংস্কারের কাজ চলে। যেসব রাস্তার অবস্থা একেবারে খারাপ, সেগুলি আগে সংস্কার করা হচ্ছে। আগামী দিনে বাকি রাস্তাও সংস্কার করা হবে।
ব্লকের হোগলবেড়িয়া, শিকারপুর, মধুগাড়ি, করিমপুর-২, যমশেরপুর সহ সমস্ত পঞ্চায়েতেই বেশিরভাগ রাস্তা এবড়োখেবড়ো হয়ে গিয়েছে। কোথাও গর্ত হয়েছে, আবার কোথাও রাস্তাজুড়ে পিচ ও পাথর উঠে গিয়েছে। করিমপুর-২ পঞ্চায়েতের পাট্টাবুকার টোটোচালক কানাই সরকার বলেন, আনন্দপল্লি পার্ক থেকে পাট্টাবুকা শ্মশান, পার্ক থেকে জামতলা কালীমন্দির, শ্মশান থেকে পাট্টাবুকা সেতু অবধি রাস্তা যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ছোট ছেলেমেয়েদের সাইকেলে বা টোটোয় স্কুলে নিয়ে যেতেও অসুবিধা হয়। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতেও সমস্যা হয়। ওই রাস্তার ঝাঁকুনি আসন্নপ্রসবাদের বিপদে ফেলতে পারে। তাই খুব তাড়াতাড়ি রাস্তাটি সারানো দরকার।
শিকারপুরের বাসিন্দা জীবানন্দ সাহা বলেন, কেচুয়াডাঙা বাজার থেকে আনন্দপুর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিমি রাস্তার দশা খুব খারাপ। এলাকার বেশিরভাগ রাস্তাই বেহাল দশায় রয়েছে। মাঝেমধ্যেই এসব রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে। গাড়ি উল্টে যাওয়ার মতো ভয়ানক ঘটনাও ঘটেছে।
কাছারিপাড়া গ্রামের সঞ্জিত মণ্ডল বলেন, মধুগাড়ি পঞ্চায়েত এলাকা থেকে প্রতিদিন বহু মানুষকে বিভিন্ন কাজে করিমপুর, কৃষ্ণনগর বা বহরমপুরে যেতে হয়। স্বপনপুর মোড় বা গোডাউন মোড়ে যাওয়ার দু’টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বেহাল হওয়ায় খুব সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই অবস্থা হোগলবেড়িয়ার নাসিরেরপাড়া বা রামনগরের রাস্তার।
ব্লকের হোগলবেড়িয়া, শিকারপুর, মধুগাড়ি, করিমপুর-২, যমশেরপুর সহ সমস্ত পঞ্চায়েতেই বেশিরভাগ রাস্তা এবড়োখেবড়ো হয়ে গিয়েছে। কোথাও গর্ত হয়েছে, আবার কোথাও রাস্তাজুড়ে পিচ ও পাথর উঠে গিয়েছে। করিমপুর-২ পঞ্চায়েতের পাট্টাবুকার টোটোচালক কানাই সরকার বলেন, আনন্দপল্লি পার্ক থেকে পাট্টাবুকা শ্মশান, পার্ক থেকে জামতলা কালীমন্দির, শ্মশান থেকে পাট্টাবুকা সেতু অবধি রাস্তা যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ছোট ছেলেমেয়েদের সাইকেলে বা টোটোয় স্কুলে নিয়ে যেতেও অসুবিধা হয়। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতেও সমস্যা হয়। ওই রাস্তার ঝাঁকুনি আসন্নপ্রসবাদের বিপদে ফেলতে পারে। তাই খুব তাড়াতাড়ি রাস্তাটি সারানো দরকার।
শিকারপুরের বাসিন্দা জীবানন্দ সাহা বলেন, কেচুয়াডাঙা বাজার থেকে আনন্দপুর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিমি রাস্তার দশা খুব খারাপ। এলাকার বেশিরভাগ রাস্তাই বেহাল দশায় রয়েছে। মাঝেমধ্যেই এসব রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে। গাড়ি উল্টে যাওয়ার মতো ভয়ানক ঘটনাও ঘটেছে।
কাছারিপাড়া গ্রামের সঞ্জিত মণ্ডল বলেন, মধুগাড়ি পঞ্চায়েত এলাকা থেকে প্রতিদিন বহু মানুষকে বিভিন্ন কাজে করিমপুর, কৃষ্ণনগর বা বহরমপুরে যেতে হয়। স্বপনপুর মোড় বা গোডাউন মোড়ে যাওয়ার দু’টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বেহাল হওয়ায় খুব সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই অবস্থা হোগলবেড়িয়ার নাসিরেরপাড়া বা রামনগরের রাস্তার।



