মৃন্ময় বসাক, কালিয়াগঞ্জ: কর্মজীবন থেকে অবসর নিলেন হেমতাবাদ আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নীলমণি সরকার। শুক্রবার বিকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নীলমণি সরকারকে বিদায় সম্বর্ধনা জানানো হয়।
Advertisement
১৯৯১ সাল থেকে নীলমণি হেমতাবাদ আদর্শ বিদ্যালয়ে জীবন বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৫ সাল থেকে তিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। নীলমণি বলেন, আজ কর্মজীবন শেষ হলেও এই বিদ্যালয়ের সঙ্গে আমার যোগাযোগ শেষ হচ্ছে না। বিদ্যালয়, ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের জন্য আমি আছি। যে কোনও প্রয়োজন এই স্কুলে ছুটে আসব।নীলমণিবাবুর অবসরের দিনেই স্কুলের টিআইসির ভার নেন শিক্ষক আনসারুল হক। তিনি বলেন, জেলা তথা রাজ্যের শিক্ষার মানচিত্রে নীলমণিবাবুর নেতৃত্বে আমাদের বিদ্যালয় আলাদা স্থান করে নিয়েছে। আমি স্যরের দেখানো পথেই বিদ্যালয় পরিচালনার চেষ্টা করব। বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষক দীপাঞ্জন সরকার বলেন, নীলমণিবাবু শুধু স্কুলের প্রধান শিক্ষকই ছিলেন না, এলাকার মানুষের কাছেও একজন ভালো মনের মানুষ হিসেবেই জনপ্রিয়।
হেমতাবাদ ব্লকের যে কোনও অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি মঞ্চের শোভা বৃদ্ধি করত। বিদ্যালের প্রাক্তন ছাত্র তথা হেমতাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য আশরাফুল আলি বলেন, আমাকে স্যর বলেছেন, হেমতাবাদে কলেজ তৈরির জন্য এগিয়ে আসতে। আমি স্যারের হয়ে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের কাছে হেমতাবাদে কলেজ তৈরির জন্য আবেদন করব। এদিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। সেই সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের কর্মজীবনের বিভিন্ন অবদানের স্মৃতি চারণ করা হয়।
হেমতাবাদ ব্লকের যে কোনও অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি মঞ্চের শোভা বৃদ্ধি করত। বিদ্যালের প্রাক্তন ছাত্র তথা হেমতাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য আশরাফুল আলি বলেন, আমাকে স্যর বলেছেন, হেমতাবাদে কলেজ তৈরির জন্য এগিয়ে আসতে। আমি স্যারের হয়ে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের কাছে হেমতাবাদে কলেজ তৈরির জন্য আবেদন করব। এদিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। সেই সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের কর্মজীবনের বিভিন্ন অবদানের স্মৃতি চারণ করা হয়।



