নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: জেলা পরিষদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, তথ্য ও ক্রীড়া স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে হোয়াটসঅ্যাপে ইস্তফাপত্র পাঠালেন সফিউজ্জামান শেখ। তিনি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ ছাড়াও নওদা ব্লক তৃণমূলের সভাপতি পদে রয়েছেন। তিনি সোমবার তাঁর পদত্যাগপত্র অতিরিক্ত জেলাশাসকের(জেলা পরিষদ) কাছে হোয়াটসঅ্যাপ মারফত পাঠান। যা নিয়ে দলের অন্দরে শোরগোল পড়ে যায়। দলের তরফে এবিষয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বিধায়ক অপূর্ব সরকার।
Advertisement
বহরমপুর মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি সোমবার সন্ধ্যায় জেলা পার্টি অফিসে বলেন, যাঁরা সর্বক্ষণের জন্য দল করেন, তাঁদের মান-অভিমান থাকে। পদত্যাগপত্রের ব্যাপারে কিছু জানি না। তবে সফিউজ্জামান গত নির্বাচনে আমাদের হয়ে দারুণ ভোট করিয়েছে। আমরা ওর সঙ্গে আলোচনায় বসে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলব।
উল্লেখ্য, নওদার সর্বাঙ্গপুরে গুলি চালানোর ঘটনা এবং পঞ্চায়েত সমিতির ক্যাশিয়ারকে মারধরের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তারা সকলেই ব্লক সভাপতির অনুগামী বলেই পরিচিত। এমনকী ওই দুই ঘটনায় সফিউজ্জমানের নামও জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বিধায়ক শাহিনা মমতাজ খানও তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনেছেন। তারপরেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে সোমবার তিনি পদত্যাগপত্র লিখেছেন। অতিরিক্ত জেলাশাসকের(জেলা পরিষদ) কাছে হোয়াটসঅ্যাপ মারফত সেই পদত্যাগপত্র তিনি পাঠিয়েছেন বলে দাবি করেন। এমনকী সেই চিঠির প্রতিলিপি জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার কাছেও পাঠানো হয়েছে।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি বলেন, যে সংগঠন করে এবং দলের জন্য ভাবে, সে যখন বিপদে পড়ে দলের উচিত তার পাশে দাঁড়ানো। আনঅফিসিয়ালি একটি পদত্যাগের চিঠি পেয়েছি। কিন্তু, সেটা এখনও গ্রহণ করা হয়নি।
সফিউজ্জামান বলেন, দু’টি ঘটনার জন্য আমাকে দোষারোপ করা হচ্ছে। অথচ ওই দু’টি ঘটনার সঙ্গে আমার কোনও যোগই নেই। তাছাড়া জেলা পুলিস এবং প্রশাসন যৌথভাবে আমাকে অসম্মান করছে। এই ঘটনায় দলেরই বিধায়িকা নির্লজ্জভাবে মদত দিচ্ছে। নওদা ব্লকে বরাবরই আত্মসম্মান নিয়ে রাজনীতি করছি। এখানে দলটা আমরাই করি। বিধায়িকার এখানে একটা লোক নেই। তাই এই অসম্মানটা সহ্য করতে পারছি না বলেই পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। শুধু আমি নই, নওদা ব্লকের ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতির পদাধিকারীরাও নিজেদের পদত্যাগপত্র তৈরি করে রেখেছেন। কেউ কাজ করছে না। সকলেই কর্মবিরতি করেছে।
নওদার বিধায়িকা বলেন, এই পদত্যাগপত্রের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। ওরা আমাকে কোনও কিছুই বলে না। আমি চাই নওদা শান্ত থাকুক। আমি সব সময় স্বচ্ছ ভাবমূর্তির লোকদের নিয়ে রাজনীতি করি। এখন ওরা আমার ব্যাপারে যে কথাগুলি বলছে, তা একেবারে মিথ্যা।
সফিউজ্জমান আরও বলেন, এলাকায় আমাদের একটা সম্মান আছে। কোনওদিন এক টাকার দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিইনি। পুলিস যেদিন আমাকে ডেকে পাঠিয়েছিল, তারপর দিনই আমার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। দু’দিন হাসপাতালে রাখার পর তাঁকে সুস্থ করে বাড়ি আনতে পেরেছি। যে রাজনীতির জন্য আমার পরিবারে সমস্যা দেখা দিচ্ছে, সেই রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াব বলে ভেবেছি। নিজের সময়, অর্থ ব্যয় করে রাজনীতি করেছি। এখান থেকে আমার পাওয়ার কিছু নেই। বিধায়িকা এখানে কোনও সংগঠন করেন না। এতদিন মানুষের জন্য কাজ করার পরে যখন এরকম অপবাদ দেওয়া হচ্ছে, তাই বাধ্য হয়ে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।
উল্লেখ্য, নওদার সর্বাঙ্গপুরে গুলি চালানোর ঘটনা এবং পঞ্চায়েত সমিতির ক্যাশিয়ারকে মারধরের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তারা সকলেই ব্লক সভাপতির অনুগামী বলেই পরিচিত। এমনকী ওই দুই ঘটনায় সফিউজ্জমানের নামও জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বিধায়ক শাহিনা মমতাজ খানও তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনেছেন। তারপরেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে সোমবার তিনি পদত্যাগপত্র লিখেছেন। অতিরিক্ত জেলাশাসকের(জেলা পরিষদ) কাছে হোয়াটসঅ্যাপ মারফত সেই পদত্যাগপত্র তিনি পাঠিয়েছেন বলে দাবি করেন। এমনকী সেই চিঠির প্রতিলিপি জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার কাছেও পাঠানো হয়েছে।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি বলেন, যে সংগঠন করে এবং দলের জন্য ভাবে, সে যখন বিপদে পড়ে দলের উচিত তার পাশে দাঁড়ানো। আনঅফিসিয়ালি একটি পদত্যাগের চিঠি পেয়েছি। কিন্তু, সেটা এখনও গ্রহণ করা হয়নি।
সফিউজ্জামান বলেন, দু’টি ঘটনার জন্য আমাকে দোষারোপ করা হচ্ছে। অথচ ওই দু’টি ঘটনার সঙ্গে আমার কোনও যোগই নেই। তাছাড়া জেলা পুলিস এবং প্রশাসন যৌথভাবে আমাকে অসম্মান করছে। এই ঘটনায় দলেরই বিধায়িকা নির্লজ্জভাবে মদত দিচ্ছে। নওদা ব্লকে বরাবরই আত্মসম্মান নিয়ে রাজনীতি করছি। এখানে দলটা আমরাই করি। বিধায়িকার এখানে একটা লোক নেই। তাই এই অসম্মানটা সহ্য করতে পারছি না বলেই পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। শুধু আমি নই, নওদা ব্লকের ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতির পদাধিকারীরাও নিজেদের পদত্যাগপত্র তৈরি করে রেখেছেন। কেউ কাজ করছে না। সকলেই কর্মবিরতি করেছে।
নওদার বিধায়িকা বলেন, এই পদত্যাগপত্রের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। ওরা আমাকে কোনও কিছুই বলে না। আমি চাই নওদা শান্ত থাকুক। আমি সব সময় স্বচ্ছ ভাবমূর্তির লোকদের নিয়ে রাজনীতি করি। এখন ওরা আমার ব্যাপারে যে কথাগুলি বলছে, তা একেবারে মিথ্যা।
সফিউজ্জমান আরও বলেন, এলাকায় আমাদের একটা সম্মান আছে। কোনওদিন এক টাকার দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিইনি। পুলিস যেদিন আমাকে ডেকে পাঠিয়েছিল, তারপর দিনই আমার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন। দু’দিন হাসপাতালে রাখার পর তাঁকে সুস্থ করে বাড়ি আনতে পেরেছি। যে রাজনীতির জন্য আমার পরিবারে সমস্যা দেখা দিচ্ছে, সেই রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াব বলে ভেবেছি। নিজের সময়, অর্থ ব্যয় করে রাজনীতি করেছি। এখান থেকে আমার পাওয়ার কিছু নেই। বিধায়িকা এখানে কোনও সংগঠন করেন না। এতদিন মানুষের জন্য কাজ করার পরে যখন এরকম অপবাদ দেওয়া হচ্ছে, তাই বাধ্য হয়ে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।



