সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির লাগাতার আন্দোলনে অচলাবস্থা রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরিস্থিতি সামলাতে এবার আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন উপাচার্য দীপক কুমার রায়।
Advertisement
দীর্ঘদিন ধরে উপাচার্য ও শিক্ষাবন্ধু সংগঠনের এই টানাপোড়েনে সমস্যায় পড়েছেন পড়ুয়ারা। এদিন বেশকিছু পড়ুয়া লাইব্রেরি থেকে বই নিতে গেলেও তাঁদের খালি হাতে ফিরতে হয়। তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী শ্রুতি রজক বলেন, সামনেই পরীক্ষা রয়েছে বলে বই নিতে এসেছিলাম। কিন্তু বলা হয়েছে আন্দোলন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বই মিলবে না।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়মবিরুদ্ধ কাজকর্মের অভিযোগে তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির জেলা সভাপতি তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্মী তপন নাগকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
লাগাতার এই আন্দোলন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপাচার্য। তিনি বলেন, এই অচলাবস্থা সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্যপাল ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। মঙ্গলবারও লিখিতভাবে ফের বিষয়টি জানানো হয়। সেখানে থেকে কোনও নির্দেশ এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, উপাচার্যের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি আন্দোলনকারী তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সদস্যদের। সংগঠনের বিজয় দাস বলেন, রাজ্যপাল মনোনীত উপাচার্য বিজেপির লোক হয়ে কাজ করছেন। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন তিনি। তাছাড়া সংগঠনের জেলা সভাপতি তপন নাগকে শোকজ না করেই সাসপেন্ড করেছেন। সেই সিদ্ধান্ত অবৈধ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়মবিরুদ্ধ কাজকর্মের অভিযোগে তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির জেলা সভাপতি তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্মী তপন নাগকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
লাগাতার এই আন্দোলন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপাচার্য। তিনি বলেন, এই অচলাবস্থা সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্যপাল ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। মঙ্গলবারও লিখিতভাবে ফের বিষয়টি জানানো হয়। সেখানে থেকে কোনও নির্দেশ এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, উপাচার্যের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি আন্দোলনকারী তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সদস্যদের। সংগঠনের বিজয় দাস বলেন, রাজ্যপাল মনোনীত উপাচার্য বিজেপির লোক হয়ে কাজ করছেন। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন তিনি। তাছাড়া সংগঠনের জেলা সভাপতি তপন নাগকে শোকজ না করেই সাসপেন্ড করেছেন। সেই সিদ্ধান্ত অবৈধ।



