Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

টোটোর লাইসেন্স দিয়ে কৃষ্ণনগর পুরসভার আয় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা

টোটোর লাইসেন্স দিয়ে কৃষ্ণনগর পুরসভার আয় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা
  • ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: টোটো চালকদের লাইসেন্স দিয়ে কৃষ্ণনগর পুরসভার তহবিলে এল প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। নতুন করে আরও ১৩০০ টোটো চালকের রেজিস্ট্রেশন করাল কৃষ্ণনগর পুরসভা। ফলে এই মুহূর্তে কৃষ্ণনগর শহরে রেজিস্টার্ড টোটোর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪০০। শুধুমাত্র শহরে চলার জন্যই পুরসভার তরফে টোটো চালকদের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। ‌ 

Advertisement

রেজিস্ট্রেশন করা টোটোতে কিউআর কোড সেঁটে দেওয়া হচ্ছে। মূলত শহর ও গ্রামের টোটো চেনার জন্যই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষ্ণনগর পুরসভার চেয়ারপার্সন রিতা দাস বলেন, শহরে টোটোর জন্য হওয়া যানজট নিয়ন্ত্রণ করতেই আমরা এই ব্যবস্থা চালু করেছি। 
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, আগে কৃষ্ণনগর শহরে ১৪১২টি রেজিস্টার্ড টোটো ছিল। যার মধ্যে ১০৫১টি টোটোর লাইসেন্স রিনিউ করিয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ১৩০৩টি টোটোর লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। টোটোর কিউআর কোড তৈরি এবং লাইসেন্স করার জন্য মোট ২১০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। তাতেই ৪৮ লক্ষ টাকা পুরসভার তহবিলে এসেছে। সেইসঙ্গে এক ব্যক্তির একটি টোটো বাস্তবায়ন করাও সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন পুরসভার আধিকারিকরা। কারণ একজনের একাধিক টোটো ভাড়া খাটত। পাশাপাশি শহরের মধ্যে গ্রামের টোটোর দাপটও আটকানো যাবে। টোটোর কিউআর কোড স্ক্যান করলেই চালকের নাম, ঠিকানা, ছবি বেরিয়ে আসবে। 
পুলিসের এক অফিসারের কথায়, টোটো নিয়ম ভাঙলে কেস দেওয়া যায় না। কারণ তা এমভি অ্যাক্টের আওতায় আসেনি। ফলে আমাদের সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু, একটি নিয়ম চালু হলে বিকল্প ধারায় আমরা কেস করতে পারব। উল্লেখ্য, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে টোটোর দাপটে নাজেহাল শহরবাসী। বেলা হলেই গ্রামের টোটো শহরে ঢুকে পড়ছে। ফলে টোটোর যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় প্রশাসনকে। দিনে শুধু কৃষ্ণনগর শহরেই প্রায় আট থেকে ন’হাজার টোটো চলছে। যার অধিকাংশই গ্রামের। গ্রামের টোটো শহরে যাতে ঢুকতে না পারে, তার দাবি জানাচ্ছেন রেজিস্ট্রেশন করানো টোটো চালকরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ