Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কৃষ্ণনগর: পঞ্চমীর আগে কাজ শেষ করতে আলোকশিল্পীদের ব্যস্ততা তুঙ্গে

পুজো মোডে চলে গিয়েছে কৃষ্ণনগর। শহরজুড়ে শুরু হয়েছে মণ্ডপসজ্জা, রঙের কাজ ও সাজসজ্জার তোড়জোড়। সেই সঙ্গে তুঙ্গে পৌঁছেছে আলোক শিল্পীদের ব্যস্ততাও।

কৃষ্ণনগর: পঞ্চমীর আগে কাজ শেষ করতে আলোকশিল্পীদের ব্যস্ততা তুঙ্গে
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: পুজো মোডে চলে গিয়েছে কৃষ্ণনগর। শহরজুড়ে শুরু হয়েছে মণ্ডপসজ্জা, রঙের কাজ ও সাজসজ্জার তোড়জোড়। সেই সঙ্গে তুঙ্গে পৌঁছেছে আলোক শিল্পীদের ব্যস্ততাও। শুধু শহর নয়, শহরের বাইরে থেকেও বেশ কিছু অর্ডার আসায় দিনরাত একভাবে কাজ করতে হচ্ছে আলোক শিল্পীদের। নতুন নকশার ফ্রেম বানানো থেকে শুরু করে পুরনো লাইট সারানো, তার গাঁথা থেকে রঙিন বাতির পরীক্ষা সবেমিলে এখন যেন সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ চালাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের আলোকশিল্পীরা। এবার আলোকসজ্জায় প্রযুক্তির ছোঁয়া আরও বেড়েছে। এলইডি আলো, মুভিং লাইট, চেন লাইট সব মিলিয়ে প্যান্ডেলগুলি সাজাতে আলোক শিল্পীরা নতুন কিছু দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বেশিরভাগ আলোক শিল্পীই এখন ছুটছেন নির্দিষ্ট পান্ডেলে। পঞ্চমীর আগে তাদের কাজ যেভাবেই হোক শেষ করতে হবে। বেশিরভাগ আলোক শিল্পীরা বলছেন, পুজোর আগে আমাদের কাছে একেকটা দিন মানে অনেকটা যুদ্ধের মতো। বেশিরভাগ মাল চলে গিয়েছে বিভিন্ন প্যান্ডেলে। কর্মীরা সেখানে রাত, দিন কাজ করে চলেছেন। পুজো কমিটিগুলি এখন থিম-ভিত্তিক আলোর অর্ডার দেয় বেশি। সেগুলির বেশিরভাগই ইতিমধ্যেই প্যান্ডেলে বসানো হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

কৃষ্ণনগরের এক পুরনো আলোক শিল্পী জগা হালদার বলেন, এবার পুজোয় আমার বাইরের অর্ডার বেশি হয়েছে। আসানসোল, দুর্গাপুরে  অনেক আগে গিয়ে শিল্পীরা কাজ শুরু করেছেন। বর্তমানে আধুনিক সব ডিজাইনের কাজ চান সবাই। ১৪-১৫ জন কর্মী মিলে সেই কাজ করার চেষ্টা করি। কিন্তু বৃষ্টির কারণে প্রচুর সরঞ্জামের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে এবার। 
আরেক আলোক শিল্পী চন্দন দাস বলেন, এবার পুজোয় বেশ চাপ আছে। বড় বড় কিছু কাজের অর্ডার পেয়েছি। বর্তমানে এলইডি, চেন লাইট, ফানুস লাইটের চাহিদা বেশি। বেশিরভাগ কাঁচামাল কলকাতা, রানাঘাট থেকেই আনা হয়। খুব পরিশ্রম করে আমরা কাজগুলি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করি। সেটা দেখে মানুষের ভালো লাগলেই এই পরিশ্রম সার্থক হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ