সংবাদদাতা,ময়নাগুড়ি: ন্যায্যমূল্যের থেকে বেশি দামে সার বিক্রি ও ট্যাগিং নিয়ে সরব হলেন ময়নাগুড়ি বিধানসভার বিধায়ক বিজেপির ডালিম রায়। শুক্রবার বিধানসভা অধিবেশনে তিনি সারের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। ডালিম রায়ের এই বক্তব্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সার ব্যবসায়ী সমিতির জলপাইগুড়ি জেলা সহ-সভাপতি সিদ্ধার্থ সরকার। তিনি নিজেও স্বীকার করেছেন, কিছু কোম্পানি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে বেশি দামে সার বিক্রি করছে। ডিস্ট্রিবিউটররা বাধ্য হয়ে সেই সব সার খুচরো ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছে। কৃষকদের ও দাম বেশি পড়ে যাচ্ছে।
অভিযোগ, যেখানে ইউরিয়ার দাম রয়েছে ২৬৬.৫০ টাকা। সেখানে কোম্পানি সেই ইউরিয়ার সাথে ন্যানো ইউরিয়া ট্যাগ করে দিচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে কৃষকদের ইউরিয়া কিনতে দাম দিতে হচ্ছে। যা প্রায় ৫০০ টাকার মত। অপর দিকে ১৩৫০ টাকা মূল্যের ডিএপির সাথেও ট্যাগ করে লিকুইড ডিএপি দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সে ক্ষেত্রেও কৃষকদের প্রায় ৬৫০টাকা বেশি দিয়ে হচ্ছে।
ডালিম রায় অধিবেশনে বলেন, উত্তরবঙ্গের গ্রাম্য এলাকা থেকে এসেছি। এটা এমন জায়গা যেখানে সারের প্রচলন বেশি। কিন্তু সারের যে মূল্য তার থেকে সেটি বেশি দামে বিক্রি হয়। কোম্পানির সারের বস্তায় যে দাম লেখা তার থেকে বেশি দামে হোলসেলারদের কাছে বিক্রি হয়।
সিদ্ধার্থ সরকার বলেন, আমাদের যিনি বিধায়ক তিনি একজন সার ব্যবসায়ী। তিনি ভালোভাবেই জানেন বিষয়টি। কিছু কোম্পানি সার বিক্রির সময় ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে বেশি দামে নিচ্ছে। সেটা রিটেলারের কাছে বেশি দামে আসছে। ফলে বাজারে দাম বাড়ছে। এরসাথে রয়েছে ট্যাগিং। এমনও হয় যে সারের চাহিদা বেশি থাকে তার সঙ্গে জোর করে কিছু ট্যাগিং করে দেয় কোম্পানি। আমরা চাই ন্যায্য মূল্যে সার বিক্রি হোক।