Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ডান-বামের দেওয়াল লিখন ও ছড়ায় জমজমাট কৃষ্ণনগর

বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে আবারও চেনা ছবিতে ফিরেছে কৃষ্ণনগর শহর থেকে গ্রামাঞ্চল। রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারের অন্যতম মূল হাতিয়ার হয়ে উঠেছে দেওয়াল লিখন।

ডান-বামের দেওয়াল লিখন ও ছড়ায় জমজমাট কৃষ্ণনগর
  • ২৪ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে আবারও চেনা ছবিতে ফিরেছে কৃষ্ণনগর শহর থেকে গ্রামাঞ্চল। রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারের অন্যতম মূল হাতিয়ার হয়ে উঠেছে দেওয়াল লিখন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।  দেওয়ালগুলিতে লক্ষ্য করলেই দেখা যাচ্ছে শুধু নিজের প্রার্থীর প্রচার নয়, সেই সঙ্গে কৌতুক, ব্যঙ্গ আর ছড়ার মাধ্যমে একে অপরকে বিঁধতে ছাড়ছে না শাসক-বিরোধী সব পক্ষই। এনিয়ে কৃষ্ণনগরজুড়ে চায়ের দোকান থেকে বাজার সর্বত্রই চলছে তর্কের তুফান। 

Advertisement

কৃষ্ণনগর শহর ও  ১ নম্বর ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েতগুলির বেশিরভাগ  দেওয়ালই এখন রঙিন। কোথাও শাসকদলের চালানো প্রকল্পগুলিকে ছড়ার ছন্দে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আবার কোথাও বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ ব্যঙ্গাত্মক কৌতুকে ধরা পড়ছে। ছড়ার ছন্দে লেখা এই বার্তাগুলি সহজেই মানুষের মনে দাগ কাটছে। সেই কারণেই প্রচারের এই পুরানো পদ্ধতি এখনও প্রাসঙ্গিক ও কার্যকর। 
বিভিন্ন দলের তরফ থেকে দেওয়াল লিখন চলছে। কে কত বেশি আকর্ষণীয়, তীক্ষ্ণ ও গ্রহণযোগ্য ছড়া লিখতে পারে, তা নিয়েই চলছে একপ্রকার অঘোষিত প্রতিযোগিতা।  যদিও এখনও কৃষ্ণনগর উত্তরে বিজেপি প্রার্থীঘোষণা না করায় সেভাবে বিজেপির কোনো দেওয়াল লিখন চোখে পড়ছে না। তবে কৃষ্ণনগর দক্ষিণে সব দল প্রার্থী ঘোষণা করায় প্রচার জমজমাট। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বর্তমান সময়ে দেওয়ালের লেখাগুলি শুধু রাজনৈতিক বার্তা নয়, এই ছড়া ও কৌতুক পড়ে খানিক বিনোদনও মেলে। দেওয়াল লিখন নতুন নয়, তবে বর্তমানে ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের যুগেও এর গুরুত্ব কমেনি। সিপিএমের জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য সুমিত বিশ্বাস বলেন,  দেওয়াল লিখনে আমাদের একটাই বার্তা তৃণমূল ও বিজেপিকে পরাস্ত কর। বামেদের পুনরুত্থান ঘটাতে হবে। বাম ঐক্যকে শক্তিশালী করুন।  জনগণের উপর আমাদের ভরসা আছে, তাঁরা সব ভেবেচিন্তেই ভোট দেবেন।
তৃণমূলের সদস্য সুব্রত দাস বলেন, আমরা শুরু থেকেই প্রার্থীর প্রচার করছি। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প আমাদের সরকার সবার জন্য করেছে। উল্টোদিকে কেন্দ্র ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে রাখে, এসআইআরের নামে হেনস্থা করে। এসব বাংলার মানুষ ভালোভাবে নেননি। এটুকু বলতে পারি, আমরা আসন্ন বিধানসভা ভোটে বিপুল ভোটে জিতব। কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সাধন ঘোষ বলেন, আমরা শুরু থেকেই প্রচারের মাধ্যমে  মানুষের কাছে তৃণমূলের দুর্নীতি তুলে ধরছি। দেওয়াল লেখাতেও বিভিন্ন স্লোগানের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আমি নিশ্চিত সাধারণ মানুষ আর বিভ্রান্ত না হয়ে আমাদেরই 
জেতাবেন। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ