নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: কালীগঞ্জ পঞ্চায়েতের একটি মৎস্য সমবায় সমিতির নির্বাচনে জয়ী হল তৃণমূল। খিদিরপুর বেলতলা ফিশারমেন্স কোঅপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডে গত সোমবার নির্বাচন ছিল। তাতে তৃণমূল প্রার্থীরা ১২টির মধ্যে ১১টি আসনে জয়ী হয়েছে। তবে এই নির্বাচনকে ঘিরে বিতর্ক দেখা গিয়েছে। বিরোধীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনেছে। এনিয়ে নদীয়া জেলা মৎস্যদপ্তরে অভিযোগ জমা পড়েছে। তাতে ওই এলাকার ৫৩জন স্বাক্ষর করেছেন। যদিও শাসকদলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ওই সমবায় সমিতিতে ১০৪জন ভোটার রয়েছেন। ৯৪টি ভোট পড়েছে।
Advertisement
নদীয়া জেলা মৎস্য আধিকারিক দেবাশিস পালুই বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। আমি নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের থেকে রিপোর্ট চেয়েছি। তাঁরা রিপোর্ট জমা করলে আমি তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাব। কালীগঞ্জ ব্লকের এই মৎস্য সমবায় সমিতির নির্বাচনে তৃণমূলের বিপক্ষে ছিল বিজেপি। তাদের অভিযোগ, আসন দখল করতে তৃণমূলের তরফে গাজোয়ারি করা হয়েছে। জয়ের সার্টিফিকেটে জোর করে আধিকারিককে দিয়ে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি কৌশিক নন্দী বলেন, তৃণমূল মানুষের উপর অত্যাচার করেছে। রিগিং করে ওরা ভোটে জিতেছে। মানুষ ওদের পক্ষে ভোট দেয়নি। সেকারণে আমাদের লোকজন অভিযোগ জানিয়েছে। যদিও তৃণমূলের পাল্টা দাবি, সোমবার রাতে নির্বাচন শেষে ফের গণনার আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু তা করতে আপত্তি জানানো হয়। শুধু তাই নয়, রেজাল্ট অমীমাংসিত রেখেই আধিকারিকরা চলে যাচ্ছিলেন।
শাসকদলের কালীগঞ্জ অঞ্চল সভাপতি পার্থ দাস বলেন, মানুষের ভোটে জিততে না পেরে ওরা অপপ্রচার চালাচ্ছে। যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সর্বৈব মিথ্যে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। আবেদন করলেও ফের গণনা করা হচ্ছিল না। ঘরের দরজা বন্ধ করে গণনা চলছিল। এজন্যই আমরা প্রতিবাদ করেছিলাম। নদীয়া জেলা পরিষদের প্রাণী ও মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ প্রণয় ঘোষ চৌধুরী বলেন, ওখানে খুব ভালোভাবে ভোট হয়েছে। অভিযোগ ভিত্তিহীন।
শাসকদলের কালীগঞ্জ অঞ্চল সভাপতি পার্থ দাস বলেন, মানুষের ভোটে জিততে না পেরে ওরা অপপ্রচার চালাচ্ছে। যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সর্বৈব মিথ্যে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। আবেদন করলেও ফের গণনা করা হচ্ছিল না। ঘরের দরজা বন্ধ করে গণনা চলছিল। এজন্যই আমরা প্রতিবাদ করেছিলাম। নদীয়া জেলা পরিষদের প্রাণী ও মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ প্রণয় ঘোষ চৌধুরী বলেন, ওখানে খুব ভালোভাবে ভোট হয়েছে। অভিযোগ ভিত্তিহীন।



