Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কারচুপি করে বয়স বৃদ্ধি, ১০ বছর পর  আশাকর্মীর কাজ খোয়ালেন যুবতী

কারচুপি করে বয়স বৃদ্ধি, ১০ বছর পর  আশাকর্মীর কাজ খোয়ালেন যুবতী
  • ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: কারচুপি করে বয়স বাড়ানোয় নন্দকুমারের এক আশাকর্মীর চাকরি খারিজ করলেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক। ওই আশাকর্মীর নাম শম্পা সামন্ত। তাঁর বাড়ি নন্দকুমার থানার নীলকুণ্ঠ্যা গ্রামে। তিনি ব্যবত্তারহাট পশ্চিম গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন পুরুষোত্তমপুর সাবসেন্টারের আশাকর্মী ছিলেন। বুধবার আশা রিক্রুটমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান তথা জেলাশাসকের উপস্থিতিতে এনিয়ে শুনানি হয়। সেখানে শম্পার চাকরি খারিজের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাঁকে সাবসেন্টারে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী ওই আশাকর্মীর নিয়োগ বাতিলের অর্ডারে সই করেছেন। জেলাশাসক বলেন, ওই আশাকর্মীর নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশমতো শুনানি করে নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালে আশাকর্মী নিয়োগ পরীক্ষায় বসে ২০১৫সালে চাকরি পান শম্পাদেবী। প্রথমে নন্দকুমারের বলরামপুর সাবসেন্টারে ছিলেন। পরবর্তীতে পুরুষোত্তমপুরে বদলি হন। নিয়োগ পরীক্ষায় বসার জন্য ন্যূনতম বয়সসীমা ছিল ৩০বছর। কিন্তু, নিয়োগ পরীক্ষার সময় তাঁর বয়স ৩০ছিল না। তাই কারচুপি করে অ্যাডমিট কার্ডে বয়স বাড়ানো হয়েছিল। জন্মসাল ১৯৮৬এর জায়গায় জেরক্স করার সময় ১৯৮২করা হয়েছিল। ২০২৩সালে এই কারচুপি নিয়ে রুক্মিণী গুছাইত হাইকোর্টে মামলা করেন। সেই মামলায় ওই আশাকর্মীর কারচুপি প্রকাশ্যে আসে। আদালত তাঁর নিয়োগ খারিজ করার জন্য নির্দেশ দেয়। সেইমতো পদক্ষেপ নিল প্রশাসন।
Advertisement
এনিয়ে শম্পাদেবী বলেন, বুধবার জেলাশাসক অফিসে শুনানি হয়। সেখানে মহকুমা শাসক, তমলুকের সহ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, নন্দকুমারে বিএমওএইচ প্রমুখ ছিলেন। আমাকে সাব সেন্টারে যেতে নিষেধ করা হয়। পাশাপাশি আমার চাকরি খারিজ করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ