নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: শনিবার সাতসকালে বহরমপুরের দু’টি বাজারে হানা দেন টাস্ক ফোর্সের আধিকারিকরা। বাজারে গিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামের পাশাপশি ওজনে কারচুপি হচ্ছে কি না, খতিয়ে দেখলেন খোদ মহকুমা শাসক। স্বর্ণময়ী বাজারে শনিবার সকালে সরকারি আধিকারিকদের দেখে ঘাবড়ে যান ব্যবসায়ীরা। মাঝে মধ্যেই ক্রেতারা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ওজনে কারচুপির অভিযোগ তোলেন। এদিন সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখল টাস্ক ফোর্স। ডিজিটাল ওজন মেশিন হাতে তুলে পরীক্ষা করেন আধিকারিকরা। বেশ কিছু মেশিন সন্দেহজনক হওয়ায় ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন মহকুমা শাসক। এদিন স্বর্ণময়ী ও গোরাবাজারের প্রায় ১২ জন ব্যবসায়ীকে সাবধান করে দেওয়া হয়। তাঁদের ১০দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ডিজিটাল ওজন পরিমাপক যন্ত্র পরীক্ষা করে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
বহরমপুরে মহকুমা শাসক শুভঙ্কর রায় বলেন, দু’টি বাজার মিলে প্রায় ১২ জন ব্যবসায়ীকে ওজন মেশিন পরীক্ষা করিয়ে নিয়ে আসার কথা বলেছি। আগামী ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে তা করতে হবে। পরীক্ষা করার পর সাধারণত এক একটি মেশিনে এক বছর কিংবা তিন বছর পর্যন্ত মেয়াদ থাকে। অধিকাংশ জায়গায় সেই মেশিনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে বলে আমরা দেখলাম। ওজনে কারচুপি করার কোনও অভিযোগ বরদাস্ত করা হবে না।
এদিন বাজার ঘুরে আলু, পেঁয়াজ, পটল, ঝিঙে ও কুমড়োর মতো কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় আনাজের দরদাম করেন আধিকারিকরা। কিছু জায়গায় ক্রেতাদের থেকে দাম ঠিক-ঠাক নেওয়া হয়। যাঁরা দাম বেশি বলেন তাঁদের সতর্ক করা হয়। মহকুমা শাসক বলেন, আগেরবার অভিযান চালানোর পর কিছুটা দাম কমেছিল। আবার ফের দাম বাড়ছে। দাম বেশি নিলে আমাদের যে সরকারি নির্দেশিকা আছে, তা মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আলু কোথাও ৩৩ টাকা বিক্রি হচ্ছে, আবার কোথাও ৩৫ টাকাতেও বিক্রি করছে। পেঁয়াজের দাম কিছু জায়গায় অনেকটাই বেশি নিচ্ছে। আমরা সতর্ক করেছি ব্যবসায়ীদের।
তবে এদিন খুচরো বাজারের অধিকাংশ বিক্রেতা পাইকারি বাজারে দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ করেন। টাস্ক ফোর্সের আধিকারিকরা সেই অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে শোনেন। এদিন এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের অফিসাররাও এই অভিযানে শামিল হয়েছিলেন। তাদের এক আধিকারিক বলেন, আমরা পাইকারি বাজারে অভিযান চালাব। এই বাজারের বিক্রেতারা যেখান থেকে সব্জি কিনছে, সেখানে দাম কেমন থাকছে সেটাও দেখা হবে। প্রয়োজনে আমরা পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসব। একটা নির্দিষ্ট লাভ রেখে যাতে পাইকারি ব্যবসায়ীরা সব্জি বিক্রি করে এবং তার যাতে সঠিক রসিদ থাকে, সে ব্যাপারে আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করব।
স্বর্ণময়ী বাজারের এক ক্রেতা চন্দন দাস বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় আলু এবং পেঁয়াজের চাষ হয়। তারপরেও আলু ৩৫ টাকা কেজি। পেঁয়াজ কেজি পিছু ৭০টাকা নিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেছেন। স্থানীয় বাজারে টাস্কফোর্স ঘুরছে। আশা করি, দু’-একদিনের মধ্যে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে।
এদিন বাজার ঘুরে আলু, পেঁয়াজ, পটল, ঝিঙে ও কুমড়োর মতো কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় আনাজের দরদাম করেন আধিকারিকরা। কিছু জায়গায় ক্রেতাদের থেকে দাম ঠিক-ঠাক নেওয়া হয়। যাঁরা দাম বেশি বলেন তাঁদের সতর্ক করা হয়। মহকুমা শাসক বলেন, আগেরবার অভিযান চালানোর পর কিছুটা দাম কমেছিল। আবার ফের দাম বাড়ছে। দাম বেশি নিলে আমাদের যে সরকারি নির্দেশিকা আছে, তা মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আলু কোথাও ৩৩ টাকা বিক্রি হচ্ছে, আবার কোথাও ৩৫ টাকাতেও বিক্রি করছে। পেঁয়াজের দাম কিছু জায়গায় অনেকটাই বেশি নিচ্ছে। আমরা সতর্ক করেছি ব্যবসায়ীদের।
তবে এদিন খুচরো বাজারের অধিকাংশ বিক্রেতা পাইকারি বাজারে দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ করেন। টাস্ক ফোর্সের আধিকারিকরা সেই অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে শোনেন। এদিন এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের অফিসাররাও এই অভিযানে শামিল হয়েছিলেন। তাদের এক আধিকারিক বলেন, আমরা পাইকারি বাজারে অভিযান চালাব। এই বাজারের বিক্রেতারা যেখান থেকে সব্জি কিনছে, সেখানে দাম কেমন থাকছে সেটাও দেখা হবে। প্রয়োজনে আমরা পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসব। একটা নির্দিষ্ট লাভ রেখে যাতে পাইকারি ব্যবসায়ীরা সব্জি বিক্রি করে এবং তার যাতে সঠিক রসিদ থাকে, সে ব্যাপারে আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করব।
স্বর্ণময়ী বাজারের এক ক্রেতা চন্দন দাস বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় আলু এবং পেঁয়াজের চাষ হয়। তারপরেও আলু ৩৫ টাকা কেজি। পেঁয়াজ কেজি পিছু ৭০টাকা নিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেছেন। স্থানীয় বাজারে টাস্কফোর্স ঘুরছে। আশা করি, দু’-একদিনের মধ্যে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে।



