সংবাদদাতা, বহরমপুর: ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কার হিসেবে জয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হল খাগড়ার বিখ্যাত কাঁসার বাসন। এই অভিনব পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত প্রতিযোগীরা। মাদ্রাসা বোর্ডের জেলা স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দেখা গেল এমন উদ্যোগ। জেলা মাদ্রাসা স্পোর্টস অ্যান্ড গেমস কমিটির যুগ্ম সম্পাদিকা রাফিনা ইয়াসনিন বলেন, পড়ুয়াদের খেলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে পুরস্কার নির্বাচনে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রত্যেককেই খাগড়ার কাঁসার বাসনের সঙ্গে শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
মঙ্গলবার বহরমপুর স্টেডিয়াম মাঠে জেলা স্তরের ১৫তম মাদ্রাসা স্পোর্টস মিট হয়ে গেল। মঙ্গলবার সকালে খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী তথা মাদ্রাসা স্পোর্টস অ্যান্ড গেমস কমিটির চিফ মেট্রন আখরুজ্জামান। জেলার পাঁচটি মহকুমার মোট ২২৭টি মাদ্রাসা অংশ নিয়েছিল। মহকুমা স্তরে প্রত্যেক ইভেন্টের প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানাধিকারী জেলা স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। বালক ও বালিকা বিভাগে মোট ৬৮টি ইভেন্টে ৪২১ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিল।
বালিকাদের ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হয়েছে লালবাগ মহকুমার নাজেরা খাতুন। নাজেরা খাতুন বলে, এত সুন্দর পুরস্কার দেওয়া হবে আগে জানতাম না। পুরস্কার দেখে মা সব থেকে বেশি খুশি হবেন। ডোমকল মহকুমার সারাংপুর হাই মাদ্রাসার সালমা আনজুমা মেয়েদের অনূর্ধ্ব চোদ্দ বিভাগের লং জাম্পে প্রথম হয়েছে। সালমা বলে, রাজ্য স্তরে খেলার সুযোগ করে নিতে পেরেছি। আশাকরি রাজ্যে জেলার মুখ উজ্জ্বল করতে পারব। তবে তার আগে প্রচুর অনুশীলন দরকার।
জেলা স্তরে প্রত্যেক ইভেন্টে প্রথম স্থানাধিকারী রাজ্য স্তরে অংশ নেবে। জেলা মাদ্রাসা স্পোর্টস অ্যান্ড গেমস কমিটির সম্পাদক চন্দন দাস বলেন, গত বছর মুর্শিদাবাদের ছেলেমেয়েরা রাজ্যে ভালো ফল করেছিল। এবারও আমরা আশাবাদী। রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতার দিন এখনও নির্দিষ্ট হয়নি। এদিন একইসঙ্গে খেলার মাঠে জেলার কৃতি পাঁচ পড়ুয়াকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বালিকাদের ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হয়েছে লালবাগ মহকুমার নাজেরা খাতুন। নাজেরা খাতুন বলে, এত সুন্দর পুরস্কার দেওয়া হবে আগে জানতাম না। পুরস্কার দেখে মা সব থেকে বেশি খুশি হবেন। ডোমকল মহকুমার সারাংপুর হাই মাদ্রাসার সালমা আনজুমা মেয়েদের অনূর্ধ্ব চোদ্দ বিভাগের লং জাম্পে প্রথম হয়েছে। সালমা বলে, রাজ্য স্তরে খেলার সুযোগ করে নিতে পেরেছি। আশাকরি রাজ্যে জেলার মুখ উজ্জ্বল করতে পারব। তবে তার আগে প্রচুর অনুশীলন দরকার।
জেলা স্তরে প্রত্যেক ইভেন্টে প্রথম স্থানাধিকারী রাজ্য স্তরে অংশ নেবে। জেলা মাদ্রাসা স্পোর্টস অ্যান্ড গেমস কমিটির সম্পাদক চন্দন দাস বলেন, গত বছর মুর্শিদাবাদের ছেলেমেয়েরা রাজ্যে ভালো ফল করেছিল। এবারও আমরা আশাবাদী। রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতার দিন এখনও নির্দিষ্ট হয়নি। এদিন একইসঙ্গে খেলার মাঠে জেলার কৃতি পাঁচ পড়ুয়াকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।



