সংবাদদাতা, লালবাগ: পানীয় জলের আবেদনপত্রের সঙ্গে বাড়ির করের রসিদ অবশ্যই জমা দিতে হবে। কয়েকদিন ধরে মুর্শিদাবাদ পুরসভার তরফে এভাবেই শহরজুড়ে মাইকিং করে বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগের আবেদনপত্র আহ্বান করা হচ্ছে। পুরসভার এহেন কাজে শহরজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
Advertisement
কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে পানীয় জলপ্রকল্প চালু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সংযোগের কথা বলেছেন। অথচ পুরসভা পানীয় জলের আবেদনপত্রের সঙ্গে বাড়ির করের রসিদ জমা দিতে বলছে। এটা আসলে ঘুরপথে বর্ধিত কর আদায়ের চেষ্টা বলে অনেকে মনে করছেন।
মুর্শিদাবাদ পুরসভার চেয়ারম্যান ইন্দ্রজিৎ ধর বলেন, পানীয় জলের জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে না। এটা বিরোধীদের অপপ্রচার। জলপ্রকল্প চালু হলেই প্রতি মাসে কয়েকলক্ষ টাকা বিদ্যুৎবিল লাগবে। আরও খরচ রয়েছে। পুরসভাকেই এসব খরচ করতে হবে। বহু পরিবারের কর বকেয়া। সেই টাকা মেটানোর জন্যই বলা হচ্ছে। পুর পরিষেবার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে কর দেওয়া নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব। জলের সঙ্গে করের কোনও সম্পর্ক নেই।
২০১৭সালে মুর্শিদাবাদ শহরে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহের জন্য কাজ শুরু হয়। এজন্য ৫০ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। শহরের ১৬টি ওয়ার্ডের ১৪হাজার বাড়িতে জলসংযোগ দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়। পুরসভা জানিয়েছে, এখনও অবধি ৬০০টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। প্রতিদিন মাইকিং করে আবেদনপত্র আহ্বান করা হচ্ছে। একহাজার আবেদন হলেই প্রাথমিকভাবে জল সরবরাহ শুরু করা হবে। পরে ধাপে ধাপে আরও বাড়িতে সংযোগ দেওয়া হবে।
ইছাগঞ্জের বাসিন্দা সুরথ দাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বিনামূল্যে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছেন। অথচ পুরসভা পানীয় জলের আবেদনপত্রের সঙ্গে ট্যাক্সের রশিদ জমা দেওয়া আবশ্যিক করেছে। এটা মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরিপন্থী।
শহরের অপর বাসিন্দা রাজেশ মজুমদার বলেন, জল দেওয়ার নামে পুরসভা ঘুরপথে ট্যাক্সের জন্য চাপ দিচ্ছে। অনেকেই আর্থিক সমস্যায় আবেদন করতে পারছেন না।
শহরের বস্তি এলাকায় জলসংযোগ দেওয়া নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ কিছু বস্তি ‘রিফিউজি রিলিফ’-এর(আর. আর) জায়গায় রয়েছে। আবার কিছু বস্তি মুর্শিদাবাদ এস্টেটের জায়গায় রয়েছে। সেই কারণে এসব এলাকার বাড়ির হোল্ডিং নম্বর নেই। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মুর্শিদাবাদ এস্টেটের জায়গায় রয়েছে হঠাৎ কলোনি। এলাকার বাসিন্দা সুমন দাস, বলরাম মাহাতো, রূপেশ দাসরা জানান, হোল্ডিং নম্বর না থাকায় আমরা জলের জন্য আবেদন করতে পারছি না। পুরসভা কোনও সমাধানসূত্র বের করতে পারেনি। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণপল্লির বাসিন্দারাও একই সমস্যায় পড়েছেন।
মুর্শিদাবাদ পুরসভার চেয়ারম্যান ইন্দ্রজিৎ ধর বলেন, পানীয় জলের জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে না। এটা বিরোধীদের অপপ্রচার। জলপ্রকল্প চালু হলেই প্রতি মাসে কয়েকলক্ষ টাকা বিদ্যুৎবিল লাগবে। আরও খরচ রয়েছে। পুরসভাকেই এসব খরচ করতে হবে। বহু পরিবারের কর বকেয়া। সেই টাকা মেটানোর জন্যই বলা হচ্ছে। পুর পরিষেবার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে কর দেওয়া নাগরিকদের নৈতিক দায়িত্ব। জলের সঙ্গে করের কোনও সম্পর্ক নেই।
২০১৭সালে মুর্শিদাবাদ শহরে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহের জন্য কাজ শুরু হয়। এজন্য ৫০ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। শহরের ১৬টি ওয়ার্ডের ১৪হাজার বাড়িতে জলসংযোগ দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়। পুরসভা জানিয়েছে, এখনও অবধি ৬০০টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। প্রতিদিন মাইকিং করে আবেদনপত্র আহ্বান করা হচ্ছে। একহাজার আবেদন হলেই প্রাথমিকভাবে জল সরবরাহ শুরু করা হবে। পরে ধাপে ধাপে আরও বাড়িতে সংযোগ দেওয়া হবে।
ইছাগঞ্জের বাসিন্দা সুরথ দাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বিনামূল্যে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছেন। অথচ পুরসভা পানীয় জলের আবেদনপত্রের সঙ্গে ট্যাক্সের রশিদ জমা দেওয়া আবশ্যিক করেছে। এটা মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরিপন্থী।
শহরের অপর বাসিন্দা রাজেশ মজুমদার বলেন, জল দেওয়ার নামে পুরসভা ঘুরপথে ট্যাক্সের জন্য চাপ দিচ্ছে। অনেকেই আর্থিক সমস্যায় আবেদন করতে পারছেন না।
শহরের বস্তি এলাকায় জলসংযোগ দেওয়া নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ কিছু বস্তি ‘রিফিউজি রিলিফ’-এর(আর. আর) জায়গায় রয়েছে। আবার কিছু বস্তি মুর্শিদাবাদ এস্টেটের জায়গায় রয়েছে। সেই কারণে এসব এলাকার বাড়ির হোল্ডিং নম্বর নেই। ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মুর্শিদাবাদ এস্টেটের জায়গায় রয়েছে হঠাৎ কলোনি। এলাকার বাসিন্দা সুমন দাস, বলরাম মাহাতো, রূপেশ দাসরা জানান, হোল্ডিং নম্বর না থাকায় আমরা জলের জন্য আবেদন করতে পারছি না। পুরসভা কোনও সমাধানসূত্র বের করতে পারেনি। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণপল্লির বাসিন্দারাও একই সমস্যায় পড়েছেন।



