সংবাদদাতা, বোলপুর: কোর কমিটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাই শেষ কথা। বৃহস্পতিবার অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করে এমনই মন্তব্য করলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। বৃহস্পতিবার সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে তাঁর নামে পুজো দিতে গিয়ে এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি। দীপাবলির সন্ধ্যায় বোলপুরের দলীয় কার্যালয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি বলেছিলেন কোর কমিটি বোলপুরকেন্দ্রিক হয়ে গিয়েছে। সদস্য সংখ্যা আরও বাড়ানো উচিত। এদিন অনুব্রতর ওই বক্তব্যকে কার্যত নস্যাৎ করলেন জেলা সভাধিপতি। তাঁর এই বক্তব্যকে জেলা নেতৃত্ব কীভাবে নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
Advertisement
তিহার থেকে ফেরার পর থেকে নিজস্ব স্টাইলে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন অনুব্রত। তার মাঝেই জেলা কোর কমিটি নিয়ে সমন্বয়ের অভিযোগ উঠেছে। কোর কমিটির সঙ্গে কোনওরকম বৈঠক না করেই জেলাজুড়ে বিজয়া সম্মিলনির তারিখ নির্ধারণ করেন সভাপতি। এমনটাই অভিযোগ। সম্ভবত সেই কারণেই অনুব্রতর ঠিক করা কোনও সম্মিলনির মঞ্চে একসঙ্গে দেখা যায়নি কাজলকে।
এদিন ছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষ্যে সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় যান কাজল। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুখ্যমন্ত্রীর নামে পুজো দেন তিনি। পাশাপাশি, নানুর বিধানসভার বিভিন্ন পঞ্চায়েত সমিতি ও সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ১২টি কেক কাটেন। তবে, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েত নানুর বিধানসভার অন্তর্গত। কেতুগ্রাম সহ এই নানুরের পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজলকে দায়িত্ব দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। অথচ, তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন দেখা যায়নি কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মামন শেখকে। যিনি অনুব্রত অনুগামী বলে পরিচিত। যা নিয়ে অনুব্রত ও কাজল অনুগামীদের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে। যদিও সেই বিতর্ক অত্যন্ত সচেতনভাবে এড়িয়ে যান কাজল। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কোনও সমন্বয়ের অভাব নেই। তবে ঠান্ডা লড়াই যে বা যাঁরা করছেন, সেটা তাঁদের বিষয়। আমি সবাইকে নিয়ে চলেছি। তার প্রমাণ ২০২৪ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে দিয়ে দিয়েছি।’ কোর কমিটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন কোর কমিটির শেষ বৈঠক হয়েছে দু মাস আগে। নির্দিষ্ট সময় হবে বলে আমি আশাবাদী। এরপর কোর কমিটির সদস্য সংখ্যা রদবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাই শেষ কথা। আমরা সাধারণ কর্মী ছাড়া আর কিছুই নয়। কেউ যদি নিজেকে বেশি বড় ভাবেন, তাহলে সেটা তাঁর ভুল। সাধারণ মানুষ ভোট দেয় মুখ্যমন্ত্রীর মুখ দেখে। তাই কে থাকল, কে গেল, দলের কিছু আসে যায় না। কোর কমিটি তৈরি করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তার ওপর কথা বলার মত ক্ষমতা, স্পর্ধা আমার নেই। তাঁর কথামতো কোর কমিটির তৈরি হয়ে পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে অভাবনীয় ফল হয়েছে বীরভূম জেলায়। তাই কোর কমিটি থাকবে কি না সেই সিদ্ধান্ত একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই নেবেন। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই সঠিক বলে আমি মনে করি।’
এদিন ছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষ্যে সতীপীঠ কঙ্কালীতলায় যান কাজল। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুখ্যমন্ত্রীর নামে পুজো দেন তিনি। পাশাপাশি, নানুর বিধানসভার বিভিন্ন পঞ্চায়েত সমিতি ও সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ১২টি কেক কাটেন। তবে, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েত নানুর বিধানসভার অন্তর্গত। কেতুগ্রাম সহ এই নানুরের পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজলকে দায়িত্ব দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। অথচ, তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন দেখা যায়নি কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মামন শেখকে। যিনি অনুব্রত অনুগামী বলে পরিচিত। যা নিয়ে অনুব্রত ও কাজল অনুগামীদের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে। যদিও সেই বিতর্ক অত্যন্ত সচেতনভাবে এড়িয়ে যান কাজল। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কোনও সমন্বয়ের অভাব নেই। তবে ঠান্ডা লড়াই যে বা যাঁরা করছেন, সেটা তাঁদের বিষয়। আমি সবাইকে নিয়ে চলেছি। তার প্রমাণ ২০২৪ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে দিয়ে দিয়েছি।’ কোর কমিটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন কোর কমিটির শেষ বৈঠক হয়েছে দু মাস আগে। নির্দিষ্ট সময় হবে বলে আমি আশাবাদী। এরপর কোর কমিটির সদস্য সংখ্যা রদবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাই শেষ কথা। আমরা সাধারণ কর্মী ছাড়া আর কিছুই নয়। কেউ যদি নিজেকে বেশি বড় ভাবেন, তাহলে সেটা তাঁর ভুল। সাধারণ মানুষ ভোট দেয় মুখ্যমন্ত্রীর মুখ দেখে। তাই কে থাকল, কে গেল, দলের কিছু আসে যায় না। কোর কমিটি তৈরি করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তার ওপর কথা বলার মত ক্ষমতা, স্পর্ধা আমার নেই। তাঁর কথামতো কোর কমিটির তৈরি হয়ে পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে অভাবনীয় ফল হয়েছে বীরভূম জেলায়। তাই কোর কমিটি থাকবে কি না সেই সিদ্ধান্ত একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই নেবেন। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই সঠিক বলে আমি মনে করি।’



