নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: আয়ের অনেক সুযোগ থাকলেও তা কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। ট্যাক্স কালেক্টরদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কর আদায়ের কথা। কিন্তু তাঁদের একাংশ পুরসভাতেই বসে থাকছেন বলে অভিযোগ। ফলে কোনও মাসেই কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। তাছাড়া জলপাইগুড়ি শহরে যে সংখ্যক দোকান রয়েছে, সেই তুলনায় অনেক কম ট্রেড লাইসেন্স ফি জমা পড়ছে পুরসভায়। এসব খামতি মিটিয়ে কোন কোন খাতে পুরসভার আয় বৃদ্ধি সম্ভব, এবার তা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে জলপাইগুড়ি পুর কর্তৃপক্ষ। চলতি মাসেই খসড়া বাজেট বৈঠক রয়েছে জলপাইগুড়ি পুরসভায়। সেখানে পুরসভার নিজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি শহরের উন্নয়নে জোর দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হবে বলে পুরসভা সূত্রে খবর। বিশেষ করে শহরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার সঙ্গে ডাম্পিং গ্রাউন্ড এবং নিকাশি নালার জল পরিশোধন করে তারপর যাতে করলা নদীতে পড়ে, সেজন্য ট্রিটমেন্ট প্লান্ট তৈরির উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
জলপাইগুড়ি পুরসভা সূত্রে খবর, ট্যাক্স আদায় এবং ট্রেড লাইসেন্স ফি বাবদ জমা পড়া অর্থ নিয়ে মোটেই সন্তুষ্ট নয় বর্তমান পুরবোর্ড। পুর আধিকারিকদের রিপোর্ট, শহরে যে সংখ্যক দোকান রয়েছে, তার মাত্র ৩০ শতাংশ থেকে ট্রেড লাইসেন্স ফি বাবদ টাকা জমা পড়ছে পুরসভায়। বাকিগুলি হয় ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছে, নতুবা ট্রেড লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ করেনি। এনিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে কর্মী সঙ্কট যেমন একটি কারণ, তেমনই পুরবোর্ডের কিছুটা গা ছাড়া মনোভাবও রয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। এ বিষয়গুলি নিয়েই এবার তৎপর হতে চাইছে জলপাইগুড়ি পুরসভা।
শনিবার জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল বলেন, ৩১ ডিসেম্বরের আগেই আমরা খসড়া বাজেট নিয়ে বৈঠক করব। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে রেখে আমরা এবার খসড়া বাজেট তৈরি করতে চলেছি। তাতে যেমন পুরসভার নিজস্ব আয় বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হয়েছে, তেমনই শহরের উন্নয়নের রূপরেখাও থাকবে। খসড়া বাজেট নিয়ে প্রথমে চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিলে বৈঠক হবে। তার পর তা বোর্ড মিটিংয়ে পেশ করা হবে। মোটামুটি খসড়া বাজেট তৈরি। কয়েকদিনের মধ্যেই আমরা বৈঠকের দিন চূড়ান্ত করব।
জলপাইগুড়ি পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার দেবদুলাল পাত্র বলেন, এটা ঠিক যে আমাদের পুরসভার নিজস্ব আয় যতটা হওয়া দরকার, যে কোনও কারণেই হোক না কেন, তা হচ্ছে না। আমাদের যে পরিমাণ টাকা ট্যাক্স থেকে পুরসভার কোষাগারে জমা পড়ার কথা, তা কোনও মাসেই জমা পড়ছে না। কোথায়, কী খামতি রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শনিবার জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল বলেন, ৩১ ডিসেম্বরের আগেই আমরা খসড়া বাজেট নিয়ে বৈঠক করব। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে রেখে আমরা এবার খসড়া বাজেট তৈরি করতে চলেছি। তাতে যেমন পুরসভার নিজস্ব আয় বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হয়েছে, তেমনই শহরের উন্নয়নের রূপরেখাও থাকবে। খসড়া বাজেট নিয়ে প্রথমে চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিলে বৈঠক হবে। তার পর তা বোর্ড মিটিংয়ে পেশ করা হবে। মোটামুটি খসড়া বাজেট তৈরি। কয়েকদিনের মধ্যেই আমরা বৈঠকের দিন চূড়ান্ত করব।
জলপাইগুড়ি পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার দেবদুলাল পাত্র বলেন, এটা ঠিক যে আমাদের পুরসভার নিজস্ব আয় যতটা হওয়া দরকার, যে কোনও কারণেই হোক না কেন, তা হচ্ছে না। আমাদের যে পরিমাণ টাকা ট্যাক্স থেকে পুরসভার কোষাগারে জমা পড়ার কথা, তা কোনও মাসেই জমা পড়ছে না। কোথায়, কী খামতি রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



