নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: কুপার্স ক্যাম্পে উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দপ্তরের বরাদ্দে তৈরি বেশ কিছু দোকানঘর দখল হয়ে রয়েছে। শাসকদলের পার্টি অফিস থেকে শুরু করে হরেকরকমের দোকান। দখলদারের তালিকায় কে নেই! দখল করা সরকারি স্টলে বাতানুকূল যন্ত্রও লাগানো হয়েছে। সম্প্রতি দখল ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিস দিয়েছিল পুরসভা। সোমবারই তার সময়সীমার শেষদিন ছিল। এদিন অবধি প্রশাসনের আবেদনে দখলদাররা কর্ণপাতই করল না।
Advertisement
কুপার্স ক্যাম্প নোটিফায়েড এরিয়া অথরিটির অফিসের সামনে এই সমস্ত দোকান রয়েছে। এমনিতেই বছরের পর বছর রানাঘাটের উপকণ্ঠে ১২টি ওয়ার্ডের উপ-শহর কুপার্স ক্যাম্পে বোর্ড নেই। পুরসভাটি চরম অর্থসঙ্কটেও ভুগছে। এই পরিস্থিতিতে পুর প্রশাসক তথা রানাঘাটের মহকুমা শাসক ভরত সিং সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সরকারি জমিতে তৈরি ওই ২৬টি দোকানঘর পুনরুদ্ধার করা হবে। সেগুলি লটারির মাধ্যমে লিজ দেওয়া হবে। এটা হলে পুরসভার নিজস্ব তহবিলে এককালীন ও মাসিক টাকা ঢুকত। সেই টাকা শহরের উন্নয়নে ব্যবহার করা যেত। তাই ২১জানুয়ারি সমস্ত দখলদারকে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। ১০ ফেব্রুয়ারি, সোমবার বিকেল ৪টে পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। দখলদারদের বেআইনিভাবে ঘর আটকে না রেখে আইনসম্মতভাবে লিজ নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সোমবার বিকেল পর্যন্ত দেখা গেল, প্রশাসনের সেই আবেদনে কেউই সাড়া দেয়নি।
আট বছর আগে উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দপ্তরের টাকায় পুরসভা নিজস্ব জমিতে ২৬টি দোকানঘর তৈরি করেছিল। তার আগে সেখানে টিনের লম্বা শেড ঘেরা হলঘর ছিল। পুরসভার পরিকল্পনা ছিল, সেই দোকানঘর লিজ দিয়ে কিছু আয় করা। কিন্তু পরবর্তীতে দোকান বণ্টন হয়নি। ফলে ধীরে ধীরে ওই সমস্ত দোকানে বেশ কিছু স্থানীয় ব্যবসায়ী জাঁকিয়ে বসেছিল। কেউ দোকানে শাটার বসিয়ে নিয়েছেন, আবার কেউ নিজের ইচ্ছেমতো দোকানঘর তৈরি করে নিয়েছেন। দখল করা জমির উপর তৈরি দোকানে এসি, ফ্রিজ কী নেই! ব্যবসায়ীদের তরফে সহযোগিতা না পেয়ে এবার আইনি পথে যাওয়ার কথা ভাবছে প্রশাসন। সরকারি জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস পর্যন্ত গড়ে উঠেছে। পুরসভার আর্জিতে অবশ্য শাসকদল ওই অফিস সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে।
পুর প্রশাসক বলেন, আমরা সবার কাছেই আর্জি জানিয়েছিলাম। সময়মতো নোটিস দেওয়া হয়েছিল। পর্যাপ্ত সময়ও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার আমি আধিকারিকদের থেকে ফিল্ড রিপোর্ট চেয়েছি। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আট বছর আগে উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দপ্তরের টাকায় পুরসভা নিজস্ব জমিতে ২৬টি দোকানঘর তৈরি করেছিল। তার আগে সেখানে টিনের লম্বা শেড ঘেরা হলঘর ছিল। পুরসভার পরিকল্পনা ছিল, সেই দোকানঘর লিজ দিয়ে কিছু আয় করা। কিন্তু পরবর্তীতে দোকান বণ্টন হয়নি। ফলে ধীরে ধীরে ওই সমস্ত দোকানে বেশ কিছু স্থানীয় ব্যবসায়ী জাঁকিয়ে বসেছিল। কেউ দোকানে শাটার বসিয়ে নিয়েছেন, আবার কেউ নিজের ইচ্ছেমতো দোকানঘর তৈরি করে নিয়েছেন। দখল করা জমির উপর তৈরি দোকানে এসি, ফ্রিজ কী নেই! ব্যবসায়ীদের তরফে সহযোগিতা না পেয়ে এবার আইনি পথে যাওয়ার কথা ভাবছে প্রশাসন। সরকারি জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস পর্যন্ত গড়ে উঠেছে। পুরসভার আর্জিতে অবশ্য শাসকদল ওই অফিস সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে।
পুর প্রশাসক বলেন, আমরা সবার কাছেই আর্জি জানিয়েছিলাম। সময়মতো নোটিস দেওয়া হয়েছিল। পর্যাপ্ত সময়ও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার আমি আধিকারিকদের থেকে ফিল্ড রিপোর্ট চেয়েছি। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



