নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বড়দিন অতিক্রম করেছে। ডিসেম্বর মাসও প্রায় শেষ। তবু শীতের কামড় নেই শিলিগুড়িতে। দিনে কার্যত গলদঘর্ম হচ্ছেন বাসিন্দারা। এদিকে, সূর্য ডুবতেই ঠান্ডায় কাঁপছে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি। ওই জেলার কিছু জায়গায় বাসিন্দারা কাঠ, পাতা, খড় জ্বালিয়ে গা, হাত-পা গরম করছেন। সমগ্র পরিস্থিতি নিয়ে আবহাওয়াবিদদের অভিমত, এবার শীত ‘স্লো ব্যাট’ করছে। পশ্চিমীঝঞ্ঝার জেরে আগামীকাল, শনি ও পরশু রবিবার ফের ঠান্ডার দাপট বাড়তে পারে। পাহাড়ের উঁচু উপত্যকায় তুষারপাত এবং জলপাইগুড়ি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
Advertisement
ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিকে শিলিগুড়ি শহরে কয়েকদিন দাপট দেখিয়েছে শীত। টানা তিন-চারদিন সূর্যের দেখা মেলেনি। দিনে ও রাতে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা ছিল। কিন্তু বড়দিনের আগে থেকেই শিলিগুড়ি থেকে কার্যত শীত উধাও। সকাল থেকে রোদ ঝলমলে আবহাওয়া। বেলাবাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রাও বাড়ছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফুলহাতা জ্যাকেট, সোয়েটার গায়ে রাখা যাচ্ছিল না। কেউ কেউ হাতাকাটা সোয়েটার, মোটা ফুলহাতা গেঞ্জি কিংবা ফুলহাতা শার্ট পরে কাটিয়ে দেন। নাগরিকদের বক্তব্য, সূর্যের তাপে দিনের অধিকাংশ সময় টেকা যাচ্ছে না। গরম পোশাক পরলেই ঘামতে হচ্ছে। ডিসেম্বর মাস শেষ হওয়ার আগেই যেন শীত উধাও হয়ে গিয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন শিলিগুড়ি শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৫ ও সর্বোচ্চ ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। আবহাওয়াবিদরা বলেন, এখনও পর্যন্ত শক্তিশালী পশ্চিমীঝঞ্ঝা তৈরি হয়নি। যেক’টি পশ্চিমীঝঞ্ঝা তৈরি হয়েছে, প্রায় সবক’টিই দুর্বল। এজন্যই এখানে শীতের কামড় কিছুটা কম। দিনের অধিকাংশ সময় গরম লাগছে। সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা বলেন, শীত এখনও যায়নি। এবার শীত কিছুটা ধীরে ধীরে পড়ছে।
এদিকে, দার্জিলিং পাহাড়ের সর্বোনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে শূন্য থেকে ৪ ডিগ্রির আশপাশে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দার্জিলিং পাহাড়ের সেন্ট জোসেপ কলেজ ও রাজভবন চত্বরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪.২ এবং ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কালিম্পংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সংশ্লিষ্ট দুই পাহাড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১২ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। সংশ্লিষ্ট দুই জায়গায় দিনের অধিকাংশ সময় রোদঝলে থাকছে। সন্ধ্যার পর পারদ নামছে। পর্যটকদের বক্তব্য, পাহাড়ে এখন মনোরম আবহাওয়া। রাতে ঠান্ডা থাকলেও দিনের রোদঝলমলে আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক।
অন্যদিকে, সূর্য ডুবতেই কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলা জাঁকিয়ে পড়ছে শীত। কনকনে ঠান্ডা হাওয়ায় শীতের কামড় বাড়ছে। কিছু কিছু জায়গায় কুয়াশাও পড়ছে। এজন্য সন্ধ্যায় ও সকালে জেলাগুলির গ্রামীণ এলাকায় কাঠ, খড় দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে গা, হাত-পা সেঁকছেন বাসিন্দারা। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর, এদিন কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৩ এবং ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন শিলিগুড়ি শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৫ ও সর্বোচ্চ ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। আবহাওয়াবিদরা বলেন, এখনও পর্যন্ত শক্তিশালী পশ্চিমীঝঞ্ঝা তৈরি হয়নি। যেক’টি পশ্চিমীঝঞ্ঝা তৈরি হয়েছে, প্রায় সবক’টিই দুর্বল। এজন্যই এখানে শীতের কামড় কিছুটা কম। দিনের অধিকাংশ সময় গরম লাগছে। সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা বলেন, শীত এখনও যায়নি। এবার শীত কিছুটা ধীরে ধীরে পড়ছে।
এদিকে, দার্জিলিং পাহাড়ের সর্বোনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে শূন্য থেকে ৪ ডিগ্রির আশপাশে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দার্জিলিং পাহাড়ের সেন্ট জোসেপ কলেজ ও রাজভবন চত্বরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৪.২ এবং ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কালিম্পংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সংশ্লিষ্ট দুই পাহাড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১২ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। সংশ্লিষ্ট দুই জায়গায় দিনের অধিকাংশ সময় রোদঝলে থাকছে। সন্ধ্যার পর পারদ নামছে। পর্যটকদের বক্তব্য, পাহাড়ে এখন মনোরম আবহাওয়া। রাতে ঠান্ডা থাকলেও দিনের রোদঝলমলে আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক।
অন্যদিকে, সূর্য ডুবতেই কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলা জাঁকিয়ে পড়ছে শীত। কনকনে ঠান্ডা হাওয়ায় শীতের কামড় বাড়ছে। কিছু কিছু জায়গায় কুয়াশাও পড়ছে। এজন্য সন্ধ্যায় ও সকালে জেলাগুলির গ্রামীণ এলাকায় কাঠ, খড় দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে গা, হাত-পা সেঁকছেন বাসিন্দারা। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর, এদিন কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৩ এবং ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।



