Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতায় জল-যন্ত্রণার সমাধান

গত কয়েক বছর ধরে কলকাতায় জল জমার ছবির পরিবর্তন ঘটেছে। বর্তমানে রাস্তায় জল জমলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই নেমে যায়। সম্প্রতি একটানা বৃষ্টির পর সে ছবিই দেখা গিয়েছে শহরে।

২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতায় জল-যন্ত্রণার সমাধান
  • ১৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত কয়েক বছর ধরে কলকাতায় জল জমার ছবির পরিবর্তন ঘটেছে। বর্তমানে রাস্তায় জল জমলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই নেমে যায়। সম্প্রতি একটানা বৃষ্টির পর সে ছবিই দেখা গিয়েছে শহরে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও শোনা গিয়েছে সে সংক্রান্ত কথা। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, যতটুকু জল জমছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তারও সমাধান হয়ে যাবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বামফ্রন্টের হাতে যখন কলকাতা পুরসভার বোর্ড ছিল তখন শহরের জলমগ্ন ছবি বারবার সামনে এসেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে যেত। সেই অবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে তৃণমূলের হাতে পুরবোর্ড আসার পর। তবে কলকাতার সামান্য অংশে এখনও জল জমার সমস্যা রয়েছে। তা আগামী বছরের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে।’ 

Advertisement

বাঙালির উপর অপমান নেমে আসা সংক্রান্ত ঘটনাগুলির প্রতিবাদে বুধবার তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। তাতে নেতৃত্ব দেন মমতা। পরে ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ের সামনে জনসভায় বক্তব্য রাখেন। এদিন বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন পদযাত্রায় অংশ নিতে। সেখানে বক্তব্য রাখার সময় মমতার কথায় উঠে আসে কলকাতার জমা জলের বিষয়টি। তিনি বলেন, ‘এখন কলকাতার মাত্র এক- দু’টি ওয়ার্ডে জমা জল সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। বাকি শহরের ৯৯% অংশে এ সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে। যে এক-দু’টি ওয়ার্ডে সমস্যা রয়েছে তা ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে।’
কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, কলকাতার নবাব আলি পার্ক, কবিতীর্থ, মুকুন্দপুর সহ একাধিক জায়গায় নিকাশির নতুন পাম্পিং স্টেশন তৈরি হয়েছে। ঠনঠনিয়ায় জমা জলের সমস্যা ঠেকাতে হৃষিকেশ পার্কে নতুন পাম্পিং স্টেশন তৈরি হচ্ছে। এছাড়াও বিবি ওয়ান ক্যানেল, নর্দার্ন পার্ক, গার্ডেনরিচে ময়লা ডিপো, পামারবাজার, দই ঘাটে ব্যারাজ সহ নিকাশি পাম্পিং স্টেশন এবং আরও বেশ কয়েকটি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে পুরসভার। সেই সঙ্গে শহরের একাধিক রাস্তায় ব্রিটিশ আমলের নিকাশি নালা সংস্কারের কাজেও হাত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত ভূগর্ভস্থ নর্দমা থেকে পলি তোলা হচ্ছে। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, নিয়মিত পলি তোলার জেরে আগের তুলনায় শহরের নিকাশি নালার ধারণ ক্ষমতা অনেকটা বেড়েছে। ফলে জল তাড়াতাড়ি নামানো সম্ভব হচ্ছে। একমাত্র বেহালা, ঠাকুরপুকুর, জোকা, গড়িয়ার মতো সংযুক্ত এলাকার কিছু অঞ্চলে জমা জলের সমস্যা প্রবল। কেইআইআইপি’র কাজ শেষ হলে সেই দুর্ভোগও মিটে যাবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ