সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: এক বছরের বেশি সময় কেওয়াইসি না হওয়ায় সরকারি পরিসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন গ্রাহকরা। অভিযোগ, বারবার ব্যাঙ্ক ও সরকারি দপ্তরে ঘুরেও সমস্যার সুরাহা না হওয়ায় অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন হেমতাবাদ ব্লকের বাঙ্গালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পাঁচ শতাধিক বাসিন্দা। তাঁদের অভিযোগ, বাঙ্গালবাড়ির একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় এক বছরের বেশি সময় গ্রাহকদের কেওয়াইসি করা হচ্ছে না। ফলে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। গ্রাহক সমীর মহম্মদের কথায়, ব্যাঙ্ক কেওয়াইসি না করায় কৃষক বন্ধুর টাকা পাচ্ছি না। প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া হলেও কাজ হচ্ছে না।
Advertisement
আনোয়ারা খাতুন বললেন, এক বছরের বেশি সময় আমার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বন্ধ। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে বলা হয়েছে ব্যাঙ্কের জন্যই টাকা পাচ্ছি না। ব্যাঙ্কও সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছে না। অসহায় পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছি।
বাসিন্দাদের সমস্যা কথা স্বীকার করেছেন বাঙ্গালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান আশিক নওয়াজ। তাঁর মন্তব্য, ব্যাঙ্কের গাফিলতির জন্য বঞ্চিত হচ্ছেন উপভোক্তারা। আমরা ওই ব্যাঙ্কের ম্যানেজারকে বহুবার বলেছি গ্রাহকদের কেওয়াইসি করে দিতে। কিন্তু সেটা করা হচ্ছে না।
যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ ব্যাঙ্কের ম্যানেজার। তাঁর কথায়, কেওয়াইসি প্রক্রিয়া থেমে নেই। গ্রাহকদের কাগজপত্রে প্রচুর ভুল রয়েছে। জালিয়াতি রুখতে বিভিন্ন নিয়ম চালু হয়েছে। নির্ভুল নথি না দিলে কেওয়াইসি সম্পূর্ণ হচ্ছে না।
বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন হেমতাবাদের বিডিও সুদীপ পাল। তিনি বলেন, ব্লক প্রশাসন ক্যাম্প করে উপভোক্তাদের সমস্যা মিটিয়ে দেবে। ব্যাঙ্কের সঙ্গেও আলোচনা করব।
বাসিন্দাদের সমস্যা কথা স্বীকার করেছেন বাঙ্গালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান আশিক নওয়াজ। তাঁর মন্তব্য, ব্যাঙ্কের গাফিলতির জন্য বঞ্চিত হচ্ছেন উপভোক্তারা। আমরা ওই ব্যাঙ্কের ম্যানেজারকে বহুবার বলেছি গ্রাহকদের কেওয়াইসি করে দিতে। কিন্তু সেটা করা হচ্ছে না।
যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ ব্যাঙ্কের ম্যানেজার। তাঁর কথায়, কেওয়াইসি প্রক্রিয়া থেমে নেই। গ্রাহকদের কাগজপত্রে প্রচুর ভুল রয়েছে। জালিয়াতি রুখতে বিভিন্ন নিয়ম চালু হয়েছে। নির্ভুল নথি না দিলে কেওয়াইসি সম্পূর্ণ হচ্ছে না।
বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন হেমতাবাদের বিডিও সুদীপ পাল। তিনি বলেন, ব্লক প্রশাসন ক্যাম্প করে উপভোক্তাদের সমস্যা মিটিয়ে দেবে। ব্যাঙ্কের সঙ্গেও আলোচনা করব।



