সংবাদদাতা, রামপুরহাট: কেওয়াইসির অজুহাত দেখিয়ে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের উপভোক্তাদের টাকা ছাড়তে গড়িমসি করছে ব্যাঙ্ক। এমনই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার মুরারইয়ের রাজগ্রামে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রাহকরা। শামিল হয়েছিলেন মুরারই-১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি আফতাব আহমেদ ও স্থানীয় গোঁড়শা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুবীর মুখোপাধ্যায়। অবশেষে বিক্ষোভের জেরে টাকা দেওয়া শুরু করে ব্যাঙ্ক।
Advertisement
গত ডিসেম্বর মাসের শেষ থেকেই বাংলার বাড়ি প্রকল্পের উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। উপভোক্তাদের অভিযোগ, রাজগ্রামের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলতে পারছেন না তাঁরা। অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা চলে আসায় তাঁরা মাটির বাড়ি ভেঙে দিয়েছেন। কিন্তু ব্যাঙ্ক থেকে সেই টাকা তুলতে না পারায় ঘর নির্মাণ শুরুই করতে পারেননি তাঁরা। নিত্যদিন তাঁরা ব্যাঙ্কে এসে হয়রানি হয়ে বাড়ি ফিরছেন। তাঁদের আরও অভিযোগ, অনেকেরই এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতি মাসে লক্ষ্মীরভাণ্ডার, বার্ধক্যভাতা, বিধবাভাতা সহ নানা সরকারি আর্থিক সুবিধা মিলছে। অথচ বাড়ির টাকা তুলতে গেলেই কেওয়াইসি জমা করার জন্য বলছেন। দিন কুড়ি আগেই কেওয়াইসির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরও টাকা তোলা যাচ্ছে না। পরের সপ্তাহে টাকা মিলবে বলে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এরই প্রতিবাদে এদিন বিক্ষোভ দেখান উপভোক্তারা। তাতে শামিল হন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও। যদিও ওই সময় ব্যাঙ্ক ম্যানেজার ছিলেন না। গোঁড়শা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বলেন, এর আগে ব্যাঙ্কের ম্যানেজারকে ফোনে কয়েকবার বলা হয়েছে। কেন গরিব মানুষদের হয়রানি করা হচ্ছে? এখানে আরও দু’টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক রয়েছে। সেখানে কোনও সমস্যা হচ্ছে না। যত কেওয়াইসির সমস্যা এই ব্যাঙ্কে। কর্মীদের ব্যবহারও খারাপ। আমাদের দাবি, মানুষ যেন বাড়ির টাকা পায়।
অন্যদিকে, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বলেন, এই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ কেওয়াইসির জুজু দেখিয়ে টাকা দিতে দেরি করছে। যদিও বিক্ষোভ দেখিয়ে ফিরতেই ১০মিনিটের মাথায় গ্রাহকদের টাকা দেওয়া শুরু করে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।
এব্যাপারে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার পিটার তপনো বলেন, এগুলি সবই ২০০৪ সালের অ্যাকাউন্ট। সেজন্য কেওয়াইসি করানো অত্যন্ত জরুরি। এদিন যাদের কেওয়াইসি করা হয়েছে তাঁদের ১০ মিনিটের মধ্যে টাকা দেওয়া হয়েছে।
এরই প্রতিবাদে এদিন বিক্ষোভ দেখান উপভোক্তারা। তাতে শামিল হন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও। যদিও ওই সময় ব্যাঙ্ক ম্যানেজার ছিলেন না। গোঁড়শা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বলেন, এর আগে ব্যাঙ্কের ম্যানেজারকে ফোনে কয়েকবার বলা হয়েছে। কেন গরিব মানুষদের হয়রানি করা হচ্ছে? এখানে আরও দু’টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক রয়েছে। সেখানে কোনও সমস্যা হচ্ছে না। যত কেওয়াইসির সমস্যা এই ব্যাঙ্কে। কর্মীদের ব্যবহারও খারাপ। আমাদের দাবি, মানুষ যেন বাড়ির টাকা পায়।
অন্যদিকে, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বলেন, এই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ কেওয়াইসির জুজু দেখিয়ে টাকা দিতে দেরি করছে। যদিও বিক্ষোভ দেখিয়ে ফিরতেই ১০মিনিটের মাথায় গ্রাহকদের টাকা দেওয়া শুরু করে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।
এব্যাপারে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার পিটার তপনো বলেন, এগুলি সবই ২০০৪ সালের অ্যাকাউন্ট। সেজন্য কেওয়াইসি করানো অত্যন্ত জরুরি। এদিন যাদের কেওয়াইসি করা হয়েছে তাঁদের ১০ মিনিটের মধ্যে টাকা দেওয়া হয়েছে।



