সংবাদদাতা, মানিকচক: ট্যাব দুর্নীতির পর এবার সামনে কন্যাশ্রী প্রকল্পে দুর্নীতি। মালদহ জেলার মানিকচকের এনায়েতপুর হাইস্কুলের একাধিক ছাত্রীর কন্যাশ্রীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সহকারী প্রধান শিক্ষক সুনন্দ মজুমদারের বিরুদ্ধে। শনিবার ১২ জন ছাত্রীকে নিয়ে মানিকচক থানার দ্বারস্থ হন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহম্মদ বাদিউজ্জামান। তিনি সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থনায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন সহকারী প্রধান শিক্ষক। তাঁর দাবি, ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি কিছুদিন আগেই মানিকচক থানা ও বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।
Advertisement
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে ১০৪ জন ছাত্রী কন্যাশ্রীর জন্য আবেদন করে। তাদের মধ্যে ৪২ জন ছাত্রীর অ্যাকাউন্টে জালিয়াতি ধরা পড়েছে। ইতিমধ্যে ১২ জন ছাত্রী এনিয়ে প্রধান শিক্ষকের দ্বারস্থ হয়েছে। স্কুলের এক ছাত্রী পায়েল খাতুন বলে, ২০২০ সালে কন্যাশ্রীর ২৫ হাজার টাকার জন্য আবেদন করেছিলাম। বর্তমানে আমাদের বয়স পূর্ণ হওয়ায় খোঁজ নিতে গিয়ে দেখি আমাদের টাকা ২০২১ সালেই তুলে নেওয়া হয়েছে। অন্যের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকানো হয়েছে। আবেদনে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষকের সিল ও সই রয়েছে।
প্রধান শিক্ষক বলেন, ২০১৯ সালে এই স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছি। সেই সময় থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত স্কুলে কন্যাশ্রীর নোডাল অফিসার ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক সুনন্দবাবু। তাঁর অনুমোদন ছাড়া এটা কোনওভাবে সম্ভব নয়। তাঁর সই রয়েছে প্রত্যেকটি অনুমোদনে। ছাত্রীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও জালিয়াতি করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১২ জন ছাত্রী বিষয়টি জানালেও সংখ্যাটা বাড়তে পারে। ৪২ জন ছাত্রীর কন্যাশ্রীর আবেদনে জালিয়াতি হয়েছে। এজন্য দায়ী সম্পূর্ণভাবে সহকারী প্রধান শিক্ষক। সহকারী প্রধান শিক্ষক সুনন্দ মজুমদার বলেন, ২০১৯ সালে প্রধান শিক্ষক যোগদান করার পর আমি এই সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরে যাই। কন্যাশ্রীর অনুমোদনের যে সমস্ত সই এবং সিল রয়েছে তা জালিয়াতি করা হয়েছে। স্কুলেরই এক চুক্তিভিত্তিক কর্মী এতে যুক্ত। বিষয়টি লিখিতভাবে আমি ব্লক এবং পুলিসকে আগেই জানিয়েছি। বিগত দিনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির বিষয় আমি তুলে ধরায় তিনি আক্রোশবশত: আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। আমি সঠিক তদন্ত চাই। দরকারে আমার সই যাচাই করা হোক। এক অভিভাবক আবু কালাম আজাদ বলেন, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের মধ্যে পুরনো বিবাদ রয়েছে। এমনকি স্কুলের মধ্যেই তাঁরা মারামারিতে জড়িয়েছিলেন। তাই একে অপরকে দোষারোপ করছেন। তাঁদের কোন্দলে নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কন্যাশ্রী প্রাপকরা। মালদহের ডিআই (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস বলেন, এবিষয়ে আমি এখনও লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।
প্রধান শিক্ষক বলেন, ২০১৯ সালে এই স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছি। সেই সময় থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত স্কুলে কন্যাশ্রীর নোডাল অফিসার ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক সুনন্দবাবু। তাঁর অনুমোদন ছাড়া এটা কোনওভাবে সম্ভব নয়। তাঁর সই রয়েছে প্রত্যেকটি অনুমোদনে। ছাত্রীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও জালিয়াতি করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১২ জন ছাত্রী বিষয়টি জানালেও সংখ্যাটা বাড়তে পারে। ৪২ জন ছাত্রীর কন্যাশ্রীর আবেদনে জালিয়াতি হয়েছে। এজন্য দায়ী সম্পূর্ণভাবে সহকারী প্রধান শিক্ষক। সহকারী প্রধান শিক্ষক সুনন্দ মজুমদার বলেন, ২০১৯ সালে প্রধান শিক্ষক যোগদান করার পর আমি এই সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরে যাই। কন্যাশ্রীর অনুমোদনের যে সমস্ত সই এবং সিল রয়েছে তা জালিয়াতি করা হয়েছে। স্কুলেরই এক চুক্তিভিত্তিক কর্মী এতে যুক্ত। বিষয়টি লিখিতভাবে আমি ব্লক এবং পুলিসকে আগেই জানিয়েছি। বিগত দিনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির বিষয় আমি তুলে ধরায় তিনি আক্রোশবশত: আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। আমি সঠিক তদন্ত চাই। দরকারে আমার সই যাচাই করা হোক। এক অভিভাবক আবু কালাম আজাদ বলেন, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের মধ্যে পুরনো বিবাদ রয়েছে। এমনকি স্কুলের মধ্যেই তাঁরা মারামারিতে জড়িয়েছিলেন। তাই একে অপরকে দোষারোপ করছেন। তাঁদের কোন্দলে নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কন্যাশ্রী প্রাপকরা। মালদহের ডিআই (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস বলেন, এবিষয়ে আমি এখনও লিখিত অভিযোগ পাইনি। পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।



