সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: সিকিম ঘুরতে এসে ট্রেনে সর্বস্ব খোয়ালেন দুই বাংলাদেশি নাগরিক। গত ২৪ তারিখ রাতে তাঁরা শিয়ালদহ থেকে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস চাপেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল দার্জিলিং ও সিকিম ভ্রমণ। অভিযোগ, ওই ট্রেনেই অচেনা দুই যাত্রী তাঁদের চা খাইয়ে বেহুঁশ করে টাকা, সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়।
Advertisement
মঙ্গলবার তাঁদের মধ্যে একজন ইয়ানা বলেন, আমার খুড়তুতো ভাইয়ের সঙ্গে সিকিম, দার্জিলিং ঘুরতে যেতে শিলিগুড়িতে আসি। ভারতকে নিরাপদ হিসেবে জানতাম। কিন্তু ট্রেনে দুই সহযাত্রী যেভাবে চা খাইয়ে আমাদের অচেতন করে সর্বস্ব লুট করে নিয়ে গেল তাতে ধারনাটা বদলে গেল। ওই দুই সহযাত্রী প্রথম থেকেই আলাপ জুড়েছিলেন। মালদহ ঢোকার আগে তারা জানান মালদহে নেমে যাবেন।
তাদের আসনে আমাদের শোওয়ার জন্য বলেন। তার কিছুক্ষণ পরে চা খেতে দেন। চা খেতে চাইনি। জোর করে খাওয়ায়। তারপর আর কিছু মনে নেই। যখন জ্ঞান ফিরল দেখি শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছি। হাতে স্যালাইন। সুস্থ হয়ে শিলিগুড়ি জংশন জিআরপিতে অভিযোগ জানাতে গেলে তারা জানান বিষয়টি মালদহ জিআরপিতে পাঠানো হবে। ফোন নম্বর দিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারাই যোগাযোগ করবেন আমার সঙ্গে। মঙ্গলবার তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমাকে বলা হয় মালদহে যেতে হবে। আমি ভেবে পাচ্ছি না, কীভাবে দেশে ফিরব।
এদিকে, শিলিগুড়ি জিআরপির তরফে জানানো হয়েছে ঘটনাটি মালদহ জিআরপি এলাকায়। তাই এর তদন্ত মালদহ জিআরপি করবে। সেই মতো ওই অভিযোগ মালদহ জিআরপিতে পাঠানো হয়েছে।
মালদহ জিআরপির আইসি প্রশান্ত রাই বলেন, এ রকম একটি ঘটনা হয়েছে শুনেছি। আমাদের কাছে অভিযোগ পাঠানো হবে। কিন্তু এদিন পর্যন্ত অভিযোগপত্র পাইনি।
তাদের আসনে আমাদের শোওয়ার জন্য বলেন। তার কিছুক্ষণ পরে চা খেতে দেন। চা খেতে চাইনি। জোর করে খাওয়ায়। তারপর আর কিছু মনে নেই। যখন জ্ঞান ফিরল দেখি শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছি। হাতে স্যালাইন। সুস্থ হয়ে শিলিগুড়ি জংশন জিআরপিতে অভিযোগ জানাতে গেলে তারা জানান বিষয়টি মালদহ জিআরপিতে পাঠানো হবে। ফোন নম্বর দিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারাই যোগাযোগ করবেন আমার সঙ্গে। মঙ্গলবার তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমাকে বলা হয় মালদহে যেতে হবে। আমি ভেবে পাচ্ছি না, কীভাবে দেশে ফিরব।
এদিকে, শিলিগুড়ি জিআরপির তরফে জানানো হয়েছে ঘটনাটি মালদহ জিআরপি এলাকায়। তাই এর তদন্ত মালদহ জিআরপি করবে। সেই মতো ওই অভিযোগ মালদহ জিআরপিতে পাঠানো হয়েছে।
মালদহ জিআরপির আইসি প্রশান্ত রাই বলেন, এ রকম একটি ঘটনা হয়েছে শুনেছি। আমাদের কাছে অভিযোগ পাঠানো হবে। কিন্তু এদিন পর্যন্ত অভিযোগপত্র পাইনি।



