সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: কন্যা সন্তান হওয়ার পর থেকেই পারিবারিক বিবাদ। সেই রোষে শিশু কন্যার পা মুচড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাশুড়ির বিরুদ্ধে। নিজের স্ত্রীকে দা দিয়ে কোপ মারতে যাওয়ার চেষ্টা করেন স্বামীও। তবে সেখানে নিজের মায়ের উপস্থিতিতে কোনওক্রমে বেঁচে যান সন্তান সহ ওই বধূ। নাতনি সহ মেয়েকে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে থানার দ্বারস্থ হন কন্যার দিদা। জখম দুজনের চিকিত্সার পর ময়নাগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। শনিবার ময়নাগুড়ির বার্নিশ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিস।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ধূপগুড়ির ওই যুবতীর সঙ্গে বার্নিশের এক যুবকের তিন বছর আগে বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে বধূর উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার শুরু হয়। বছরখানেক আগে বধূ কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। এরপর অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যায় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে বধূকে কন্যা সন্তান সহ বাড়ি থেকে বিতাড়িত করে দেওয়া হয়।
এদিন থানায় দাঁড়িয়ে বধূ বলেন, স্বামী অত্যাচার করলেও আমি সংসার করতে চেয়েছিলাম। শুক্রবার রাতে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে মারধর করে। আমি দৌঁড়ে দিদির বাড়ি গিয়ে মাকে ফোন করি। সকালে মা আমাদের বাড়ি আসেন। মায়ের সামনে অভিযুক্তরা আমাকে মারধর শুরু করে। স্বামী ধারালো দা দিয়ে আমাকে মারতে উদ্যত হয়। আমার শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া হয়। মা বাঁচাতে এলে মাকেও হেনস্তা করা হয়। পরবর্তীতে ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে আসি আমরা।
এদিকে ওই বধূর স্বামী সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তিনি বলেন, তার স্ত্রী সংসার করতে চায় না। সে কারণে এসব মিথ্যে কথা বলছে।
এদিন থানায় দাঁড়িয়ে বধূ বলেন, স্বামী অত্যাচার করলেও আমি সংসার করতে চেয়েছিলাম। শুক্রবার রাতে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে মারধর করে। আমি দৌঁড়ে দিদির বাড়ি গিয়ে মাকে ফোন করি। সকালে মা আমাদের বাড়ি আসেন। মায়ের সামনে অভিযুক্তরা আমাকে মারধর শুরু করে। স্বামী ধারালো দা দিয়ে আমাকে মারতে উদ্যত হয়। আমার শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া হয়। মা বাঁচাতে এলে মাকেও হেনস্তা করা হয়। পরবর্তীতে ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে আসি আমরা।
এদিকে ওই বধূর স্বামী সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তিনি বলেন, তার স্ত্রী সংসার করতে চায় না। সে কারণে এসব মিথ্যে কথা বলছে।



