সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: কন্টেনারে গ্রামের পথ দিয়ে চলছিল মোষপাচার। কিন্তু কুয়াশার কারণে গভীররাতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে যায় মোষবোঝাই কন্টেনারটি। এর ফলে মারা যায় কন্টেনারে থাকা কয়েকটি মোষ। ঘটনাটি ঘটেছে কুমারগ্রাম ব্লকের অসম-বাংলা সীমানার ভল্কা-বারোবিশা ২ পঞ্চায়েতের ভল্কা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রের খবর, এই দুর্ঘটনার জেরে কন্টেনারে থাকা ১৩ থেকে ১৪টি মোষের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে কন্টেনারটি উদ্ধার করা হয়। এরপর পিকআপ ভ্যানে চাপিয়ে মৃত মোষগুলিকে অন্যত্র সরিয়ে দেয় পাচারকারীরা।
Advertisement
রবিবার রাতে মোষবোঝাই দু’টি কন্টেনার ৩১ নম্বর (সি) জাতীয় সড়ক থেকে গ্রামের রাস্তা ধরে ভল্কার সঙ্কোশ নদীর তীরের দিকে যাচ্ছিল। একটি কন্টেনার গন্তব্যে চলে গেলেও অপরটি দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এই খবর জানাজানি হতেই গ্রামে শোরগোল পড়ে যায়। স্থানীয়রা বলছেন, প্রায় রাতেই গ্রামের পথ ধরে মোষ বোঝাই একের পর এক কন্টেনার ঢোকে। কন্টেনারগুলি সঙ্কোশ নদীর তীরে গিয়ে মোষগুলিকে নামিয়ে দেওয়া হয়। নদীর পূর্বতীরে অসমের ভূখণ্ড। নদী পার করে মোষগুলিকে পাঠানো হয় অসমে। এভাবেই অসমে মোষ পাচার চলছে।
তথ্য বলছে, এক সময় জাতীয় সড়ক ধরে অসমে মোষ পাচার হত। কিন্তু এখন পাচারকারীরা গ্রামের রাস্তাকে বেছে নিয়েছে। এই অবৈধ কাজের সঙ্গে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে কিছু নেতা এবং পুলিসের একাংশ যুক্ত বলে স্থানীয়দের দাবি। তবে পুলিস ও প্রশাসনের কেউ এমন চাঞ্চলক্যর ঘটনায় মন্তব্য করতে নারাজ।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী জেলা সফরে থাকাকালীন কয়েকদিন মোষ পাচার বন্ধ ছিল। কিন্তু, তিনি ফিরে যাওয়ার পরই আবার অসমে মোষ পাচার শুরু হয়েছে। মোষবোঝাই কন্টেনারগুলি রাতে গ্রামের পথ ধরে নদীর তীরে পৌঁছে যায়। সেখানে মোষগুলিকে নামিয়ে রাতারাতি নদী পার করে অসমে পৌঁছে দেওয়া হয়।
এই অবৈধ কাজ দীর্ঘদিন ধরেই চলছে বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। আগে প্রায় প্রতিরাতে পাচারকারীরা ‘অপারেশন’ চালাত। কিন্তু এখন সপ্তাহে কয়েকদিন এই কাজ চলে। স্থানীয়রা প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ দাবি করলেও প্রশাসনিক কর্তারা এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাইছেন না।
তথ্য বলছে, এক সময় জাতীয় সড়ক ধরে অসমে মোষ পাচার হত। কিন্তু এখন পাচারকারীরা গ্রামের রাস্তাকে বেছে নিয়েছে। এই অবৈধ কাজের সঙ্গে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে কিছু নেতা এবং পুলিসের একাংশ যুক্ত বলে স্থানীয়দের দাবি। তবে পুলিস ও প্রশাসনের কেউ এমন চাঞ্চলক্যর ঘটনায় মন্তব্য করতে নারাজ।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী জেলা সফরে থাকাকালীন কয়েকদিন মোষ পাচার বন্ধ ছিল। কিন্তু, তিনি ফিরে যাওয়ার পরই আবার অসমে মোষ পাচার শুরু হয়েছে। মোষবোঝাই কন্টেনারগুলি রাতে গ্রামের পথ ধরে নদীর তীরে পৌঁছে যায়। সেখানে মোষগুলিকে নামিয়ে রাতারাতি নদী পার করে অসমে পৌঁছে দেওয়া হয়।
এই অবৈধ কাজ দীর্ঘদিন ধরেই চলছে বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। আগে প্রায় প্রতিরাতে পাচারকারীরা ‘অপারেশন’ চালাত। কিন্তু এখন সপ্তাহে কয়েকদিন এই কাজ চলে। স্থানীয়রা প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ দাবি করলেও প্রশাসনিক কর্তারা এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাইছেন না।



