Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কোনও দালালের খপ্পরে পড়বেন না, আবাস প্রকল্পের উপভোক্তাদের বার্তা 

কোনও দালালের খপ্পরে পড়বেন না, আবাস প্রকল্পের উপভোক্তাদের বার্তা 
  • ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, কান্দি: বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রায় ১৬০০ উপভোক্তাকে নিয়ে সচেতনতা সভা করল কান্দি ব্লক প্রশাসন। শনিবার কান্দি শহরের হ্যালিফক্স মাঠে ওই সভা করা হয়েছে। সেখানে প্রত্যেক উপভোক্তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছাপত্র।
Advertisement
কান্দি ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্লক এলাকায় প্রায় ৭৭০০টি পরিবারের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে সার্ভে করা হয়। সার্ভের পর যে তালিকা প্রকাশিত হয় তাতে প্রায় ৫৫০০ জন উপভোক্তার নাম রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ১৬০০ জন উপভোক্তার প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এদিন পর্যন্ত প্রায় ১২৩০ জন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকাও দেওয়া হয়েছে। তবে ট্রেজারির কিছু সমস্যা থাকার জন্য বাকিগুলির প্রথম কিস্তির টাকা পাঠানোর প্রসেসিং চলছে।
এদিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ সেখানে  ওই সভা শুরু হয়। এলাকার ১০টি পঞ্চায়েতের ১০টি টেবিলে সংশ্লিষ্ট এলাকার পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা হাজির ছিলেন। সেখানে উপভোক্তারা এসে তাঁদের হাজিরা দেন। সভায় উপভোক্তারা প্রথম কিস্তির টাকা কীভাবে খরচ করবেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়। কোনও দালালের খপ্পরে না পড়ার জন্য বারবার উপভোক্তাদের সতর্ক করা হয়। বলা হয় বাড়ি তৈরি করতে গিয়ে কোনও সমস্যায় পড়লে ব্লক প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করে। এমনকী বাড়ির ভিত খোঁড়া থেকে ছাদ দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি কাজ কিভাবে এগবে সেটাও ইঞ্জিনিয়াররা বোঝান। 
কান্দির বিডিও শ্রীকুমার ভট্টাচার্য বলেন, এদিন বাংলার বাড়ির উপভোক্তারা কীভাবে বাড়ি তৈরি করবেন, সেই সম্পর্কিত সচেতনতা সভা ছিল। ১৬০০ জনের মধ্যে অধিকাংশের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। উপভোক্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা খরচ করবেন। যাতে ফেব্রয়ারি মাসের মধ্যে প্রকল্পের পুরো টাকা পাঠাতে পারি।
সভায় হাজির কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, প্রত্যেক উপভোক্তাকে বলা হয়েছে নিজের বাড়ি নিজেই তৈরি করুন। কোনও উপভোক্তা যাতে দালালের খপ্পরে না পড়েন, সেটা আমরাও দেখব। কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্থপ্রতিম সরকার বলেন, সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল যাতে উপভোক্তাদের সচেতন করা যায়। সেই লক্ষ্যে আমরা সফল। প্রত্যেক উপভোক্তার হাতে মূখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছাপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ