সংবাদদাতা, তেহট্ট: তেহট্ট-১ ব্লকের কানাইনগর কাঞ্চনতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই রয়েছে পুকুর। ঘূর্ণিঝড় ডানার প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে সেই পুকুর ভর্তি হয়ে জল ঢুকে পড়েছিল স্কুলে। স্কুলের এত কাছেই ভরা পুকুর থাকায় বিপদের আশঙ্কায় থাকেন অভিভাবক থেকে শিক্ষকরা। পাঁচিল নির্মাণের জন্য প্রশাসনকে জানিয়েও কাজ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও শিক্ষকরা।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাঞ্চনতলার এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাঁ দিকে রয়েছে ওই বড় পুকুরটি। স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১৪৯। শিক্ষক-শিক্ষিকা আছেন পাঁচজন। পুকুরের পাশ দিয়েই আসতে হয় পড়ুয়াদের। তাই অভিভাবক থেকে শিক্ষকদের দাবি, স্কুলের পাঁচিল তৈরি করা হলে এই সমস্যা হয় না। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এই একই সমস্যা রয়েছে। বেশ কয়েকবার ব্লকে জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ডানার প্রভাবে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে তাতে পুকুরের জল বেড়ে যায়। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে প্রায়ই এমন অবস্থা হয়। সেই জল উপচে স্কুলের মধ্যে ঢুকে যায়। সেখানেও প্রায় একহাঁটু জল দাঁড়িয়ে বিপত্তি ঘটে। তারপর স্কুলে এসে ভোগান্তিতে পড়ে পড়ুয়ারা। আরও সমস্যায় পড়েন শিক্ষকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, পড়ুয়ারা ঠিকভাবে আসতে পারছে তো, সেই দিকে সবসময় নজর রাখতে হয়। পাশাপাশি স্কুল চলাকালীন কোনও শিশু পুকুরের কাছে যায়নি তো, সেদিকেও নজর দিতে হচ্ছে।
স্কুলের এক শিক্ষক আজিজুল হক বলেন, প্রশাসনকে একাধিকবার জানিয়েও কিছু হয়নি। তবে এখন ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা করা হবে।
ডানার প্রভাবে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে তাতে পুকুরের জল বেড়ে যায়। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে প্রায়ই এমন অবস্থা হয়। সেই জল উপচে স্কুলের মধ্যে ঢুকে যায়। সেখানেও প্রায় একহাঁটু জল দাঁড়িয়ে বিপত্তি ঘটে। তারপর স্কুলে এসে ভোগান্তিতে পড়ে পড়ুয়ারা। আরও সমস্যায় পড়েন শিক্ষকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, পড়ুয়ারা ঠিকভাবে আসতে পারছে তো, সেই দিকে সবসময় নজর রাখতে হয়। পাশাপাশি স্কুল চলাকালীন কোনও শিশু পুকুরের কাছে যায়নি তো, সেদিকেও নজর দিতে হচ্ছে।
স্কুলের এক শিক্ষক আজিজুল হক বলেন, প্রশাসনকে একাধিকবার জানিয়েও কিছু হয়নি। তবে এখন ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা করা হবে।



