সংবাদদাতা, বোলপুর: কঙ্কালীতলা মন্দির প্রাঙ্গণে দোকান বসানো নিয়ে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত অফিসে আসতেই উপ প্রধানকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান দোকান মালিকরা। তাঁদের অভিযোগ, কঙ্কালীতলা মন্দির এলাকায় দোকানের জন্য নির্দিষ্ট টাকা জমা করা হলেও তার বিনিময়ে রসিদ দেওয়া হয়নি। যদিও, সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপপ্রধান। কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক টানাপোড়েনে ওই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এনিয়ে বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে উপপ্রধান মামন শেখ জানিয়েছিলেন, উপপ্রধান পদে থাকা সত্ত্বেও তাঁকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। অফিসে গেলে বোলপুর-শ্রীনিকেতন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাজি মহম্মদ হানিফ সহ বেশ কয়েকজন তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে শান্তিনিকেতন থানায় অভিযোগ জানান। এরপরেই তিনি জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েতে নিজের দপ্তরে যাবেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই ফের ওই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে শান্তিনিকেতন থানার প্রচুর পুলিসও আসে। তিনি উপস্থিত হতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন দোকান মালিকরা।
Advertisement
বিক্ষোভকারীদের দাবি, কঙ্কালীতলা মন্দিরকে ঢেলে সাজানোর জন্য মন্দির লাগোয়া প্রায় ১২১টি দোকান করা হয়। সেখানে দোকান পিছু এক থেকে দুই লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়। কিন্তু স্থানীয় বিধায়ক বিধান মাজির অভিযোগ, মাত্র ২৭ লক্ষ টাকা কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। বাকি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। বিষয়টি দলকে জানানোর পাশাপাশি শান্তিনিকেতন থানাতেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। দোকান মালিক রীতা দাস, মামনি বাগদি বলেন, রসিদ না দেওয়ায় মালিকানা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
এপ্রসঙ্গে উপপ্রধান বলেন, কেউ সরাসরি আমাকে টাকা দেয়নি। টাকা পঞ্চায়েতের অ্যাকাউন্টে জমা দিয়েছে। যে যত টাকা দিয়েছে তার ভিত্তিতে তত টাকার রসিদ দেওয়া হয়েছে। এটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। অভিযোগ করলেই হয় না, তার জন্য প্রমাণও দিতে হয়।
এপ্রসঙ্গে উপপ্রধান বলেন, কেউ সরাসরি আমাকে টাকা দেয়নি। টাকা পঞ্চায়েতের অ্যাকাউন্টে জমা দিয়েছে। যে যত টাকা দিয়েছে তার ভিত্তিতে তত টাকার রসিদ দেওয়া হয়েছে। এটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। অভিযোগ করলেই হয় না, তার জন্য প্রমাণও দিতে হয়।



