সংবাদদাতা, কান্দি: প্রায় ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৯ কিলোমিটার ঝা চকচকে কান্দি-সালার রাজ্য-সড়ক তৈরি হলেও মাঝে প্রায় ১১০০মিটার রাস্তার কাজ হয়নি। প্রশাসনিক টানাপোড়েনের জেরে পাঁচবছরেও এই সামান্য রাস্তার কাজ হল না। কুয়ে ও ময়ূরাক্ষী সেতুর মাঝে এই রাস্তা খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা লেগে থাকছে। ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, রাস্তার সমস্যা নিয়ে একাধিকবার বিধানসভায় প্রশ্ন তুলেছি।
Advertisement
পূর্তদপ্তর সূত্রে খবর, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ১৯ কিলোমিটার রাজ্য সড়ক সংস্কার ও সম্প্রসারণ শুরু হয়। প্রায় ৫৬কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচ মিটার চওড়া সড়কটি সম্প্রসারণ করে সাত মিটার করা হল। ২০২১ সালের প্রথমদিকেই রাস্তার বেশিরভাগ কাজ হয়ে যায়। কিন্তু মাঝে ভরতপুর-১ ব্লকের কুয়ে নদীর সেতু থেকে ময়ূরাক্ষী নদীর সেতু অবধি প্রায় ১১০০ মিটার রাস্তার কাজ হয়নি।
দুই সেতুর মাঝের ওই ১১০০ মিটার রাস্তা খুব নিচু এলাকায় রয়েছে। প্রতি বর্ষায় ওই রাস্তায় বন্যার জল উঠে পড়ে। তাই প্রথমে এই রাজ্য সড়ক তৈরির দায়িত্ব সেচদপ্তরের উপর ছিল। ঠিক ছিল, তারা ওই নিচু এলাকায় প্রায় ৩৬০ মিটার অংশে হিউমপাইপ বসিয়ে রাস্তা উঁচু করবে। কিন্তু পাঁচবছর পেরিয়ে গেলেও সেই কাজ হয়নি।
সেচদপ্তর সূত্রে খবর, ২০২০ সালে ওই কাজের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কাজ না হওয়ায় পরবর্তীতে রাস্তার কাজটি পূর্তদপ্তরকে হস্তান্তরিত করা হয়।
পাঁচবছর ধরে রাস্তার ওই অংশ বেহাল থাকায় বাসিন্দারা চরম ক্ষুব্ধ। তাঁরা জানান, দুই সেতুর মাঝে ওই রাস্তা খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। রাস্তার মাঝের গর্তে ইটের কুচি ফেলায় অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। প্রায়দিনই দুর্ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মুকুল শেখ, পারভেজ আলম, শুকুরউদ্দিন শেখ জানান, এমন দিন নেই যে, এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটেনি। এখানে কখনও বাইক, কখনও বড় গাড়ি খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আর টোটো দুর্ঘটনা তো হামেশাই ঘটছে। কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্থপ্রতিম সরকার বলেন, মহকুমার মধ্যে এটিই সবচেয়ে খারাপ রাস্তার উদাহরণ হতে পারে।
পূর্তদপ্তরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার অনুপকুমার মাইতি বলেন, ওই ১১০০ মিটার রাস্তা সংস্কার ও সম্প্রসারণের প্রস্তাব রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। রাস্তাটি সংস্কার করতে আমরা সবরকম চেষ্টা করছি।
দুই সেতুর মাঝের ওই ১১০০ মিটার রাস্তা খুব নিচু এলাকায় রয়েছে। প্রতি বর্ষায় ওই রাস্তায় বন্যার জল উঠে পড়ে। তাই প্রথমে এই রাজ্য সড়ক তৈরির দায়িত্ব সেচদপ্তরের উপর ছিল। ঠিক ছিল, তারা ওই নিচু এলাকায় প্রায় ৩৬০ মিটার অংশে হিউমপাইপ বসিয়ে রাস্তা উঁচু করবে। কিন্তু পাঁচবছর পেরিয়ে গেলেও সেই কাজ হয়নি।
সেচদপ্তর সূত্রে খবর, ২০২০ সালে ওই কাজের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কাজ না হওয়ায় পরবর্তীতে রাস্তার কাজটি পূর্তদপ্তরকে হস্তান্তরিত করা হয়।
পাঁচবছর ধরে রাস্তার ওই অংশ বেহাল থাকায় বাসিন্দারা চরম ক্ষুব্ধ। তাঁরা জানান, দুই সেতুর মাঝে ওই রাস্তা খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। রাস্তার মাঝের গর্তে ইটের কুচি ফেলায় অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। প্রায়দিনই দুর্ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মুকুল শেখ, পারভেজ আলম, শুকুরউদ্দিন শেখ জানান, এমন দিন নেই যে, এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটেনি। এখানে কখনও বাইক, কখনও বড় গাড়ি খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আর টোটো দুর্ঘটনা তো হামেশাই ঘটছে। কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্থপ্রতিম সরকার বলেন, মহকুমার মধ্যে এটিই সবচেয়ে খারাপ রাস্তার উদাহরণ হতে পারে।
পূর্তদপ্তরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার অনুপকুমার মাইতি বলেন, ওই ১১০০ মিটার রাস্তা সংস্কার ও সম্প্রসারণের প্রস্তাব রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। রাস্তাটি সংস্কার করতে আমরা সবরকম চেষ্টা করছি।



