Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কেন্দ্রের মূল্যায়নেই ‘উচ্চ কর্মক্ষমতা সম্পন্ন’ রাজ্যের তকমা বাংলার

কেন্দ্রের মূল্যায়নেই ‘উচ্চ কর্মক্ষমতা সম্পন্ন’ রাজ্যের তকমা বাংলার
  • ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সৌম্যজিৎ সাহা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ১০০ দিনের কাজ থেকে আবাস যোজনা—অনিয়মের ছুতোয় একাধিক প্রকল্প খাতে রাজ্যের ন্যায্য প্রাপ্য আটকে রেখেছে কেন্দ্র। কেন্দ্র কেন টাকা দিচ্ছে না, এই প্রশ্নের জবাবে বিজেপি নেতারা আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগই তুলে ধরেছেন বরাবর। কিন্তু খোদ কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্টই এবার কার্যত নস্যাৎ করে দিল তাঁদের সেই অভিযোগ! বিভিন্ন রাজ্যে পঞ্চায়েতের কাজকর্ম কেমন চলছে, তার উপর একটি মূল্যায়ন করে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রক। সেই ‘পরীক্ষা’য় ভালো নম্বর পেয়ে ‘হাই পারফর্মিং স্টেট’ বা উচ্চ কর্মক্ষমতা সম্পন্ন রাজ্য’র তালিকায় জায়গা  পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। অর্থাৎ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নের কাজকর্মে সন্তুষ্ট মূল্যায়নকারী দল। একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্যকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে বাংলা। এই মূল্যায়নে ১০০’র মধ্যে ৫৬.৫২ নম্বর পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।
Advertisement
মোট ছ’টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলির মূল্যায়ন করা হয়েছে। পঞ্চায়েতগুলি ঠিকমতো পরিচালিত হচ্ছে কি না, নিয়মিত অডিট হয় কি না, টাকা খরচ, পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু করে এসসি, এসটি ও নারী সংরক্ষণের বিধিগুলি মানা হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আর্থিক বিষয়গুলি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মূলত পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা বণ্টন এবং সেই টাকা কীভাবে খরচ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও খোঁজখবর করা হয়। এছাড়া, নিজস্ব আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে পঞ্চায়েতগুলি কতটা কাজ করেছে, তাও খতিয়ে দেখা হয়েছে মূল্যায়ন-পর্বে। পঞ্চায়েতের পরিকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মীসংখ্যা সংক্রান্ত বিভাগে রাজ্য পেয়েছে ১০০’র মধ্যে ৬৭.৭৬ নম্বর। কেন্দ্রের বক্তব্য, বছরের পর বছর পঞ্চায়েতগুলি কেমনভাবে পরিচালিত হচ্ছে, কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, কোথায় সমস্যা ইত্যাদি পরিস্থিতি জানার জন্য এমন সমীক্ষার প্রয়োজন ছিল। তাই দেশের সব রাজ্যে প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তব চিত্র তুলে আনার চেষ্টা হয়েছে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকটি রাজ্য গড় নম্বরের থেকেও কম পেয়েছে। ‘হাই পারফর্মিং স্টেট’-এর তকমা পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আরও পাঁচটি রাজ্য পেয়েছে বলে রিপোর্টেই উল্লেখ করা হয়েছে। দেশের মধ্যে বাংলার অবস্থান অষ্টম। এছাড়া, জনপ্রতিনিধিরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন কি না, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা ও পরিকাঠামো কেমন—এই বিভাগেও রাজ্য ৭০.৬৩ নম্বর পেয়ে নজরকাড়া সাফল্য হাসিল করেছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ