নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার কোপে এবার বাংলার কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের গবেষক, বিজ্ঞানী এবং কর্মীরা। কোনওরকম নোটিস ছাড়াই তাঁদের অ্যালাউন্স সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন কেন্দ্রের কর্মীরা। বৃহস্পতিবার কর্মবিরতিও পালন করেন। সুরাহা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন তাঁরা।
Advertisement
ওয়েস্ট বেঙ্গল কেভিকে এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সম্পাদক অনিন্দ্য নায়েক বলেন, বাংলায় মোট ২৩টি কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র। এর মধ্যে চারটি কেভিকে সরাসরি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চ (আইসিএআর) পরিচালিত। বাকিগুলির কোনওটা রাজ্য সরকারের অধীনে, কোনওটা আবার কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পরিচালনা করে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি, পশুপালন, মাছচাষের প্রসারে গ্রামবাংলায় উল্লেখযোগ্য কাজ করে চলেছে কেন্দ্রগুলি। এক্ষেত্রে কৃষিমন্ত্রক থেকে আইসিএআর’কে অর্থ বরাদ্দ করা হয়। আইসিএআর তা ভাগ করে দেয়। এতদিন ঠিকঠাকই চলছিল। সম্প্রতি আইসিএআর আচমকা একটি তালিকা তৈরি করেছে। সেই তালিকায় কতগুলি কেভিকে সরাসরি তাদের অধীনে আর কতগুলি অন্য প্রতিষ্ঠানের অধীনে চলছে, তা ভাগ করা হয়েছে। এরপরই কোনওরকম নোটিস ছাড়াই কিংবা রাজ্য সরকার বা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই নন-আইসিএআর কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রগুলির সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ শুরু করা হয়েছে। এইসব কেভিকে’তে যেসব গবেষক, বিজ্ঞানী, বিষয়বস্তু বিশেষজ্ঞ কিংবা কর্মী রয়েছেন, তাঁদের অ্যালাউন্সের টাকা দেওয়া হচ্ছে না। ছাঁটাই করা হচ্ছে অবসরকালীন সুযোগসুবিধা। এমনকী প্রভিডেন্ট ফান্ডের ক্ষেত্রে যেটা আইসিএআর এতদিন বহন করত, সেটাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, নন-আইসিএআর যেসব কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র রয়েছে, সেখানকার কর্মীদেরও একই বেতন কাঠামোয় নিয়োগ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এখন যদি বরাদ্দে কাটছাঁট করা হয়, সেক্ষেত্রে কর্মীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। যা মেনে নেবেন না তাঁরা। বঞ্চনার শিকার কেভিকে কর্মীদের বক্তব্য, রাজ্য সরকার কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমেই কেন্দ্রগুলি পরিচালিত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আইসিএআর কীভাবে একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে অ্যালাউন্স সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করতে পারে? রাজ্যকে পাশে নিয়েই এ ব্যাপারে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দিয়েছেন তাঁরা।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, নন-আইসিএআর যেসব কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র রয়েছে, সেখানকার কর্মীদেরও একই বেতন কাঠামোয় নিয়োগ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এখন যদি বরাদ্দে কাটছাঁট করা হয়, সেক্ষেত্রে কর্মীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। যা মেনে নেবেন না তাঁরা। বঞ্চনার শিকার কেভিকে কর্মীদের বক্তব্য, রাজ্য সরকার কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমেই কেন্দ্রগুলি পরিচালিত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আইসিএআর কীভাবে একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে অ্যালাউন্স সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করতে পারে? রাজ্যকে পাশে নিয়েই এ ব্যাপারে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দিয়েছেন তাঁরা।



