নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: লোধা পাড়ার প্রতিটি উঠোনে বসে চলছে বিড়ি তৈরির কাজ। বিড়ি বিক্রির উপরেই নির্ভর করে তাঁদের সংসার চলে। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে খুশি লোধা পরিবারের প্রতিটা সদস্য। কিন্তু আবাস যোজনার আওতায় বাড়ি পাননি লোধা পরিবারের সদস্যরা। তাই টানা বৃষ্টির জেরে ভগ্নপ্রায় দশায় পরিণত হওয়া বাড়িতেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁদের জীবনযাপন করতে হচ্ছে। ছবিটা মেদিনীপুর সদর ব্লকের লোহাটিকরি লোধা পাড়ার। গ্রামবাসীদের কথায়, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকার হচ্ছে। কিন্তু সরকারি প্রকল্পে বাড়ি পাননি। উপ নির্বাচনে প্রচারে বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায়কে এনিয়ে প্রশ্ন করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বিজেপি প্রচারেই আসেনি। কেন্দ্রের থেকে বাড়ি না পেয়ে গ্রামবাসীরা এখন তাকিয়ে আছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে।
Advertisement
এদিন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা উপ নির্বাচনের প্রার্থী সুজয় হাজরা বলেন, বিজেপি শুধুই প্রতিশ্রুতি দিতে জানে। কিন্তু মানুষের জন্য কোনও কাজই করেনি। কেন্দ্রে বহুদিন বিজেপি সরকার, কিন্তু মানুষের জন্য বিজেপি কী করেছে, একজন নেতাও তার উত্তর দিতে পারবেন না। তাই মানুষ আর বিজেপিকে বিশ্বাস করছেন না। তিনি আরও বলেন, মানুষকে আবাস যোজনার বাড়ি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন লোধা পাড়ার বাসিন্দা বৈদ্য মল্লিক ও কবিতা মল্লিক বলছিলেন, সরকারি বাড়ি পাইনি বলে খুবই সমস্যার মধ্যে পড়েছি। টানা ঝড়বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বিজেপি প্রচারেই আসেনি। বিজেপি প্রার্থী এলেই জিজ্ঞাসা করতাম, ‘কেন বাড়ি পাইনি। তবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, খাদ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে খুবই উপকার হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, লোধা পাড়ায় ৩০ থেকে ৪০টি পরিবারের বসবাস। বংশপরম্পরায় তাঁরা বিড়ির তৈরির কাজ করে আসছেন। এছাড়াও লোধা পরিবারের সদস্যরা দিনমজুরের কাজও করেন। ‘ডানা’ ঘূর্ণিঝড়ের ফলে এই পাড়ার বেশিরভাগ বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। তাই ত্রিপল খাটিয়েই তাঁরা বসবাস করছেন। জানা গিয়েছে, শুধু মেদিনীপুর সদর ব্লকের প্রায় ২০ হাজার পরিবার আবাস যোজনার বাড়ি পাননি। এরফলে ক্ষোভে ফুঁসছেন একাধিক গ্রামের মানুষ।
এক বিজেপি নেতা বলেন, প্রার্থী না যাওয়ায় বহু এলাকায় প্রচারই হয়নি। এছাড়া বিজেপির একাংশ গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে প্রচারেই নামেনি। এরফলে সেই সুযোগে তৃণমূল আবাস যোজনা নিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছে। বিজেপির অন্দরে গোষ্ঠীকোন্দল না কমলে কোনও নির্বাচনেই জয় আসবে না। এছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তাই বাড়তি অ্যাডভান্টেজ নিয়েই ভোটের প্রচারে নেমেছে তৃণমূল।
জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, তৃণমূল আবাস যোজনা নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। তারা আবাস যোজনায় দুর্নীতির কথা বলছে না। অথচ বলছে কেন্দ্র আবাস যোজনার বাড়ি দিচ্ছে না। মিথ্যে প্রচার করে বেশিদিন আর টিকতে পারবে না।
এদিন লোধা পাড়ার বাসিন্দা বৈদ্য মল্লিক ও কবিতা মল্লিক বলছিলেন, সরকারি বাড়ি পাইনি বলে খুবই সমস্যার মধ্যে পড়েছি। টানা ঝড়বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বিজেপি প্রচারেই আসেনি। বিজেপি প্রার্থী এলেই জিজ্ঞাসা করতাম, ‘কেন বাড়ি পাইনি। তবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, খাদ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে খুবই উপকার হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, লোধা পাড়ায় ৩০ থেকে ৪০টি পরিবারের বসবাস। বংশপরম্পরায় তাঁরা বিড়ির তৈরির কাজ করে আসছেন। এছাড়াও লোধা পরিবারের সদস্যরা দিনমজুরের কাজও করেন। ‘ডানা’ ঘূর্ণিঝড়ের ফলে এই পাড়ার বেশিরভাগ বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। তাই ত্রিপল খাটিয়েই তাঁরা বসবাস করছেন। জানা গিয়েছে, শুধু মেদিনীপুর সদর ব্লকের প্রায় ২০ হাজার পরিবার আবাস যোজনার বাড়ি পাননি। এরফলে ক্ষোভে ফুঁসছেন একাধিক গ্রামের মানুষ।
এক বিজেপি নেতা বলেন, প্রার্থী না যাওয়ায় বহু এলাকায় প্রচারই হয়নি। এছাড়া বিজেপির একাংশ গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে প্রচারেই নামেনি। এরফলে সেই সুযোগে তৃণমূল আবাস যোজনা নিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছে। বিজেপির অন্দরে গোষ্ঠীকোন্দল না কমলে কোনও নির্বাচনেই জয় আসবে না। এছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তাই বাড়তি অ্যাডভান্টেজ নিয়েই ভোটের প্রচারে নেমেছে তৃণমূল।
জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, তৃণমূল আবাস যোজনা নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। তারা আবাস যোজনায় দুর্নীতির কথা বলছে না। অথচ বলছে কেন্দ্র আবাস যোজনার বাড়ি দিচ্ছে না। মিথ্যে প্রচার করে বেশিদিন আর টিকতে পারবে না।



