সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: ২০২৫ সালের জয়দেব মেলা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক হল শনিবার বিকেলে। ইলামবাজার ব্লকের জয়দেব কেন্দুলি পঞ্চায়েতের সভাকক্ষে বৈঠকটি হয়। বিগত বছরগুলির মতো এই মেলা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ করা হবে বলে জানা গিয়েছে প্রশাসন সূত্রে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বোলপুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, বীরভূম জেলাশাসক বিধান রায়, জেলা পুলিস সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায়, জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ সহ পুলিস ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। তার সঙ্গেই ছিলেন ইলামবাজার ব্লক ও সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের প্রতিনিধি সহ জয়দেব মেলা কমিটির সদস্যরা।
Advertisement
বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার সীমান্ত বরাবর বয়ে গিয়েছে অজয় নদ। তার ধারেই কেন্দুলি গ্রাম। এখানেই ছিল রাজা লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি জয়দেবের বাস। মকর সংক্রান্তির দিন অজয় নদে পুণ্যস্নান করা হয়। সেই উপলক্ষ্যে নদের পাড়ে বসে শতাব্দী প্রাচীন মেলা। পৌষ সংক্রান্তির মেলার জন্যই দেশে-বিদেশে জয়দেব কেন্দুলির পরিচিতি। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের ১৩ তারিখ অন্যান্য বছরের মতো জয়দেবে পৌষ সংক্রান্তির মেলার উদ্বোধন হবে। তিনদিন ধরে চলবে মেলা। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এই বছর জয়দেবের মেলায় পুলিসের নজরদারি বাড়ানো হবে। বাড়ানো হবে পুলিস কর্মীর সংখ্যা। থাকবে সিসি ক্যামেরার নজরদারি। মেলায় অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা জোরালো করা হচ্ছে। দমকলের বড় গাড়ি ছাড়াও বাইক পরিষেবা থাকবে, যা মেলার ভিতরে ঘুরবে ও প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। স্নানঘাটেও নিরাপত্তার দিকগুলি নজরে রাখা হবে। ভক্তরা পুণ্যস্নান করার সময় যাতে কোনও বিপদ না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখা হবে। নদীর জলে স্পিডবোট ও লাইফ গার্ড দেওয়া হবে। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, এই বছর স্টল বুকিংয়ের টাকা বাড়ছে না। মেলায় আসা দর্শনার্থী ও ভক্তদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য সবরকম বন্দোবস্ত করে রাখতে চাইছে প্রশাসন।
বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, জয়দেবের এই ঐতিহ্যবাহী মেলা মূলত আউল বাউল ফকিরদের মিলনস্থল। পুণ্যস্নানে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। সবকিছু সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও আয়োজনের জন্য আমরা বৈঠক করলাম।
বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, জয়দেবের এই ঐতিহ্যবাহী মেলা মূলত আউল বাউল ফকিরদের মিলনস্থল। পুণ্যস্নানে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। সবকিছু সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও আয়োজনের জন্য আমরা বৈঠক করলাম।



