সংবাদদাতা, কান্দি: রাসযাত্রা উপলক্ষ্যে সেজে উঠছে কান্দি রাজবাড়ির রাধাবল্লভ জিউর মন্দির। এই রাস উৎসব প্রায় ২০০ বছরের পুরনো বলে দাবি। বুধবার থেকে মন্দির পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি রাসমঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। শুরু হয়েছে এক পক্ষকালব্যাপী রাসমেলার প্রস্তুতি। বাসিন্দাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে উন্মাদনা ।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কান্দির রাজাবাবু কৃষ্ণচন্দ্রের পূর্বপুরুষ কান্দিতে রাস উৎসব শুরু করেছিলেন। তবে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র বৃন্দাবন থেকে ফিরে আসার পর থেকে রাসযাত্রার জৌলুস বাড়িয়েছিলেন। সেই প্রাচীন প্রথা মেনে আজও কান্দিতে রাজবাড়ির রাস উৎসব চলে আসছে। তবে আগের থেকে জৌলুস অনেকটা কমেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
বাসিন্দারা জানান, একসময়ে রাস উৎসব টানা একমাস ধরে চলত। মন্দির চত্বর থেকে নাচপুকুর এলাকা কেরোসিনের ঝাড়লণ্ঠনের আলোয় ঢেকে যেত। নাচপুকুরে কলকাতার শিল্পীদের এনে নৃত্যানুষ্ঠান হতো। বহুদূরের ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা রাসমেলায় অংশ নিতেন। একমাস ধরে গ্রামীণ মেলাও বসত মন্দির চত্বরে। প্রতিবেশী গ্রামগুলি থেকে বাসিন্দারা গোরুর গাড়ি চড়ে মেলা দেখতে আসতেন। যদিও বর্তমানে মন্দির চত্বর সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছে। মেলার পরিসরও কমে গিয়েছে। মন্দির চত্বরে বসবে রাসের মেলা। এদিন থেকেই দোকানপাটের বাঁশ ত্রিপল বাঁধার কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় মানুষ ও শিশু-কিশোরদের মধ্যে তা নিয়ে উত্তেজনাও দেখা যাচ্ছে।
মন্দিরের প্রধান পুরোহিত প্রশান্ত অধিকারী বলেন, শুক্রবার থেকেই রাসযাত্রা শুরু হচ্ছে। রাসযাত্রায় হাজার হাজার দর্শনার্থী ও ভক্তের সমাগম হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এখন তার চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আরও জানান, রাস উৎসবের দিন মন্দির চত্বরেই রাসমঞ্চ তৈরি করে সেখানে শ্রীকৃষ্ণের ১৬ সখীকে রাখা হবে। রাসমঞ্চে তিনদিন ধরে রাধাগোবিন্দ থাকবেন। তিনদিন পর রাধাগোবিন্দকে ফের মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হলেও ১৬ জন সখী রাসমঞ্চেই থেকে যাবেন। ১৫ দিন ধরে চলবে রাস উৎসব। ১৫ দিনই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে।
বাসিন্দা পুস্পেন্দু মণ্ডল বলেন, রাস উৎসবের জৌলুস কমলেও উন্মাদনা একটুও কমেনি। আজও প্রতিবেশী গ্রামগুলি থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী রাস উৎসবে হাজির হন। অপর বাসিন্দা রোহন দাস বলেন, বছরের এই দিনটির জন্য শহরের সকল বাসিন্দা অপেক্ষায় থাকেন। রাজবাড়ির রাসযাত্রা একটি মিলনক্ষেত্র তৈরি করে।
বাসিন্দারা জানান, একসময়ে রাস উৎসব টানা একমাস ধরে চলত। মন্দির চত্বর থেকে নাচপুকুর এলাকা কেরোসিনের ঝাড়লণ্ঠনের আলোয় ঢেকে যেত। নাচপুকুরে কলকাতার শিল্পীদের এনে নৃত্যানুষ্ঠান হতো। বহুদূরের ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা রাসমেলায় অংশ নিতেন। একমাস ধরে গ্রামীণ মেলাও বসত মন্দির চত্বরে। প্রতিবেশী গ্রামগুলি থেকে বাসিন্দারা গোরুর গাড়ি চড়ে মেলা দেখতে আসতেন। যদিও বর্তমানে মন্দির চত্বর সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছে। মেলার পরিসরও কমে গিয়েছে। মন্দির চত্বরে বসবে রাসের মেলা। এদিন থেকেই দোকানপাটের বাঁশ ত্রিপল বাঁধার কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় মানুষ ও শিশু-কিশোরদের মধ্যে তা নিয়ে উত্তেজনাও দেখা যাচ্ছে।
মন্দিরের প্রধান পুরোহিত প্রশান্ত অধিকারী বলেন, শুক্রবার থেকেই রাসযাত্রা শুরু হচ্ছে। রাসযাত্রায় হাজার হাজার দর্শনার্থী ও ভক্তের সমাগম হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এখন তার চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আরও জানান, রাস উৎসবের দিন মন্দির চত্বরেই রাসমঞ্চ তৈরি করে সেখানে শ্রীকৃষ্ণের ১৬ সখীকে রাখা হবে। রাসমঞ্চে তিনদিন ধরে রাধাগোবিন্দ থাকবেন। তিনদিন পর রাধাগোবিন্দকে ফের মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হলেও ১৬ জন সখী রাসমঞ্চেই থেকে যাবেন। ১৫ দিন ধরে চলবে রাস উৎসব। ১৫ দিনই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে।
বাসিন্দা পুস্পেন্দু মণ্ডল বলেন, রাস উৎসবের জৌলুস কমলেও উন্মাদনা একটুও কমেনি। আজও প্রতিবেশী গ্রামগুলি থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী রাস উৎসবে হাজির হন। অপর বাসিন্দা রোহন দাস বলেন, বছরের এই দিনটির জন্য শহরের সকল বাসিন্দা অপেক্ষায় থাকেন। রাজবাড়ির রাসযাত্রা একটি মিলনক্ষেত্র তৈরি করে।



