সংবাদদাতা, মালদহ: মারণ ব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এখন মিলছে মালদহ মেডিক্যালেই। যে চিকিৎসার জন্য একসময় ছুটতে হতো কলকাতা, মুম্বই অথবা দেশের অন্য কোনও বড় হাসপাতালে, সেই চিকিৎসা এখন ঘরের কাছেই পাচ্ছেন মালদহ সহ গৌড়বঙ্গের তিনজেলা এমনকী ভিনরাজ্যের রোগীরাও। মালদহ মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, কার্যত বিনামূল্যে ক্যানসারের এই চিকিৎসা মালদহ মেডিক্যালে মিলছে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের সৌজন্যে।
Advertisement
ক্যানসারের চিকিৎসার ক্ষেত্রে মূলত রেডিও থেরাপি ও কেমোথেরাপি ব্যবহার করা হয়। এতদিন পর্যন্ত মালদহের কোনও বাসিন্দা ক্যানসারে আক্রান্ত হলে কলকাতার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হতো চিকিৎসার জন্য। যাঁরা কিছুটা সম্পন্ন তাঁরা ছুটতেন মুম্বইয়ের প্রখ্যাত বেসরকারি হাসপাতালে। আবার কেউ কেউ যেতেন দক্ষিণ ভারতের বেসরকারি হাসপাতালে। তাতে যেমন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের শারীরিক ধকল হতো তেমনই ব্যয় হতো বিপুল অর্থও।
মালদহ মেডিক্যালে ক্যানসারের চিকিৎসা চালু হওয়ায় সেইসব সমস্যা থেকে অনেকটাই রেহাই মিলেছে বলে জানিয়েছেন রোগীরাও।
মালদহ মেডিক্যালের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম মুখোপাধ্যায় বলেন, এই মুহূর্তে মালদহ মেডিক্যালে রয়েছেন ছয়জন অভিজ্ঞ ক্যানসার বিশেষজ্ঞ। তাঁরা রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেন। ট্রমা কেয়ার সেন্টারে রয়েছে এই ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র। বায়োপসি থেকে সিটি স্ক্যান- ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষাই মালদহ মেডিক্যালে হচ্ছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। লিন্যাক্স এক্সিলেটর মেশিন ব্যবহার করে রেডিও থেরাপি করা হচ্ছে রোগীদের। নিখরচায় দেওয়া হচ্ছে কেমোথেরাপিও। প্রতি সপ্তাহে একদিন করে বোর্ড বসছে ক্যানসার চিকিৎসকদের। সব মিলিয়ে মালদহ মেডিক্যালে কার্যত নিখরচায় মিলছে দেশের অন্যান্য প্রখ্যাত বেসরকারি হাসপাতালের ধাঁচেই ক্যানসারের চিকিৎসা। অধ্যক্ষ বলেন, প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাতজন ক্যানসার আক্রান্ত রোগী মেডিক্যালে আসছেন চিকিৎসা নিতে। কালিয়াচক-২ ব্লকের বাসিন্দা ক্যানসারে আক্রান্ত এক কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাঁরা ভিনরাজ্যে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। কিন্তু বিপুল ব্যয়ে চিকিৎসা করানো সম্ভব নয় তাঁদের পক্ষে। তাই মালদহ মেডিক্যালের এই পরিষেবা তাঁদের জন্য ভরসার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
মালদহ মেডিক্যালে ক্যানসারের চিকিৎসা চালু হওয়ায় সেইসব সমস্যা থেকে অনেকটাই রেহাই মিলেছে বলে জানিয়েছেন রোগীরাও।
মালদহ মেডিক্যালের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম মুখোপাধ্যায় বলেন, এই মুহূর্তে মালদহ মেডিক্যালে রয়েছেন ছয়জন অভিজ্ঞ ক্যানসার বিশেষজ্ঞ। তাঁরা রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেন। ট্রমা কেয়ার সেন্টারে রয়েছে এই ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র। বায়োপসি থেকে সিটি স্ক্যান- ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষাই মালদহ মেডিক্যালে হচ্ছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। লিন্যাক্স এক্সিলেটর মেশিন ব্যবহার করে রেডিও থেরাপি করা হচ্ছে রোগীদের। নিখরচায় দেওয়া হচ্ছে কেমোথেরাপিও। প্রতি সপ্তাহে একদিন করে বোর্ড বসছে ক্যানসার চিকিৎসকদের। সব মিলিয়ে মালদহ মেডিক্যালে কার্যত নিখরচায় মিলছে দেশের অন্যান্য প্রখ্যাত বেসরকারি হাসপাতালের ধাঁচেই ক্যানসারের চিকিৎসা। অধ্যক্ষ বলেন, প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাতজন ক্যানসার আক্রান্ত রোগী মেডিক্যালে আসছেন চিকিৎসা নিতে। কালিয়াচক-২ ব্লকের বাসিন্দা ক্যানসারে আক্রান্ত এক কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাঁরা ভিনরাজ্যে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। কিন্তু বিপুল ব্যয়ে চিকিৎসা করানো সম্ভব নয় তাঁদের পক্ষে। তাই মালদহ মেডিক্যালের এই পরিষেবা তাঁদের জন্য ভরসার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।



