Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কামারপুকুরে আপার প্রাইমারি স্কুল গড়ার প্রস্তাব

কামারপুকুরে আপার প্রাইমারি স্কুল গড়ার প্রস্তাব
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার পরেই ছাত্রদের কয়েক কিলোমিটার দূরের স্কুলে গিয়ে পড়াশোনা করতে হয়। তাই গোঘাটের কামারপুকুরে আপার প্রাইমারি স্কুল গড়ার দাবি দীর্ঘদিনের। অবশেষে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে উচ্চ প্রাথমিক স্কুল গড়তে শিক্ষাদপ্তরে প্রস্তাব পাঠাল প্রশাসন। ইতিমধ্যে আরামবাগের মহকুমা শাসক সহ স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা জায়গা পরিদর্শন করেছেন। মহকুমা শাসক রবি কুমার বলেন, কামারপুকুরে আপার প্রাইমারি স্কুল তৈরির জন্য পরিকাঠামো আমরা দেখে এসেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এব্যাপারে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন এলে কাজ শুরু হবে। কামারপুকুর পঞ্চায়েতের প্রধান রাজদীপ দে বলেন, পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ২৬ হাজার বসতি। ছাত্রদের জন্য কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের হাই স্কুল রয়েছে। কিন্তু, সেখানে প্রবেশিকা পরীক্ষা দিয়ে স্কুলে ভর্তি হতে হয়। যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারে না তাদের নিয়ে সমস্যা রয়েছে। পড়ুয়াদের দূরের হাই স্কুলে ভর্তি হতে হয়। সাইকেল নিয়ে যাতায়াতে ঝুঁকি রয়েছে। নতুন শিক্ষা বর্ষ এলেই এই সমস্যা দেখা দেয়। তাই কামারপুকুরে শ্রীপুর দুর্লভ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আপার প্রাইমারি গড়তে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। কিছুদিন আগে জেলা প্রশাসন কামারপুকুরে এলে তাদের সমস্যার কথা জানাই। তার ভিত্তিতে প্রশাসন তোড়জোড় শুরু করেছে। আশা করছি আগামী শিক্ষা বর্ষে এর সুফল আমরা পাব। শ্রীপুর দুর্লভ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের স্কুলে তুলনামূলক জায়গা কম। তা সত্ত্বেও পড়ুয়াদের কথা ভেবে আমাদের স্কুল ভবনের উপরেই অতিরিক্ত শ্রেণি কক্ষ তৈরি করে আপার প্রাইমারির অনুমোদন দেওয়ার দাবি প্রশাসনকে জানিয়েছি। ছাত্রীদের পড়ার জন্য কামারপুকুরে পৃথক বালিকা বিদ্যালয় রয়েছে। কিন্তু, সমস্যায় পড়ছে ছাত্ররা। ব্যস্ত রাস্তায় ছাত্রদের পাঠাতেও চিন্তায় থাকেন অভিভাবকরা। ফলে অনেক পড়ুয়াই স্কুল ছুট হয়ে যায়। কামারপুকুরে উচ্চ প্রাথমিক স্কুল হলে সমস্যা অনেকটাই মিটবে। জানা গিয়েছে, কামারপুকুর পঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তারমধ্যে কিছু স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। অধিকাংশ দুঃস্থ পরিবারের ছেলে মেয়ে এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে। পঞ্চম শ্রেণিতে পাশের পর পড়ুয়ার অভিভাবকদের বিপাকে পড়তে হয়।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ