সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ডাম্পারের ধাক্কায় জখম হলেন এক মহিলা। বর্তমানে তিনি কোচবিহারের একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কুমারগ্রাম ব্লকের ভল্কা-বারোবিশা ২ পঞ্চায়েতের চড়াইমহল গ্রামে। পুলিস জানিয়েছে, জখম ওই মহিলার নাম ঝর্না দাস।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাতে সাইকেলে চেপে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন ঝর্নাদেবী। বাড়ির অদূরে রাস্তায় একটি ডাম্পার তাঁকে ধাক্কা মারে। তিনি গুরুতরভাবে জখম হন। এদিকে, ঘটনার পরেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় গ্রামে। স্থানীয়রা ওই ডাম্পারে ভাঙচুর চালান। তবে সুযোগ বুঝে ডাম্পার চালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে কুমারগ্রাম থানার বারোবিশা ফাঁড়ির পুলিস ঘটনাস্থলে আসে। পুলিসকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। পরে রাতের দিকে কুমারগ্রাম থানার আইসি শমীক চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি বুঝিয়ে উত্তেজিত গ্রামবাসীদের শান্ত করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চড়াইমহল এলাকায় গ্রামের রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বালি-পাথর বোঝাই ডাম্পার চলাচল করছে। প্রায় মাস দুয়েক আগে এরই প্রতিবাদে আন্দোলনে নামা হয়। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ডাম্পারের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে। এর ফলেই এদিন ফের দুর্ঘটনা ঘটেছে।
জখম মহিলার ভাই বলরাম দাস বলেন, ডাম্পারের ধাক্কায় আমার দিদি গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁর হাতের উপর দিয়ে ডাম্পার চলে গিয়েছে। কোচবিহারের একটি নার্সিংহোমে তিনি চিকিৎসাধীন। আমরা চাই, গ্রামের এই পথে ডাম্পার সহ অন্যান্য বড় গাড়ি চলাচল বন্ধ করা হোক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চড়াইমহল এলাকায় গ্রামের রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বালি-পাথর বোঝাই ডাম্পার চলাচল করছে। প্রায় মাস দুয়েক আগে এরই প্রতিবাদে আন্দোলনে নামা হয়। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ডাম্পারের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে। এর ফলেই এদিন ফের দুর্ঘটনা ঘটেছে।
জখম মহিলার ভাই বলরাম দাস বলেন, ডাম্পারের ধাক্কায় আমার দিদি গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁর হাতের উপর দিয়ে ডাম্পার চলে গিয়েছে। কোচবিহারের একটি নার্সিংহোমে তিনি চিকিৎসাধীন। আমরা চাই, গ্রামের এই পথে ডাম্পার সহ অন্যান্য বড় গাড়ি চলাচল বন্ধ করা হোক।



