সংবাদদাতা, পতিরাম: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের ওপারে জঙ্গল আগুন লাগায় চাঞ্চল্য ছড়াল। আত্রেয়ী নদীর কাছেই ওই জঙ্গলে আগুন লাগে। সেই আগুন দেখে শোরগোল পড়ে যায় কাঁটাতারের এপারে। ভারতীয় ভূখণ্ডে জিরো পয়েন্টে ওই আগুন নেভাতে বালুরঘাট থেকে ছুটে যায় দমকল বাহিনী। পুলিস ও বিএসএফের যৌথ চেষ্টায় তিন ঘণ্টা পর ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। সোমবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে কুমারগঞ্জ ব্লকের সমজিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর রসুলপুর গ্রামে।
Advertisement
কাঁটাতারের ওপারে আগুন কে লাগাল, তা নিয়ে রসহ্য বাড়ছে। স্থানীয়দের অনুমান, বাংলাদেশি বা পাচারকারীরা ওই আগুন লাগিয়েছে। এদিকে কিছুদিন আগেই কুমারগঞ্জের আরও একটি গ্রামে পাচারকারীরা কাঁটাতার কাটে। এবার অগ্নিকাণ্ড ঘিরে এলাকায় রহস্য বাড়ছে। দমকলকে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়। জেলার পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, সীমান্তের কাঁটাতারের ওপারে আগুন লেগেছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিএসএফ সূত্রে খবর, কাঁটাতার পেরিয়ে কিছুটা ভারতীয় ভূখণ্ড। এরপরেই শুরু বাংলাদেশ। জিরো পয়েন্টে বাঁশ, ঘাস, ঝোঁপ সহ জঙ্গল রয়েছে। সেখান থেকেই এদিন দুপুরে ধোঁয়া দেখতে পায় বিএসএফ। এরপরেই উত্তর রসুলপুর বিওপিতে খবর যায়। সেখান থেকে বালুরঘাটে দমকলে খবর দেওয়া হয়। প্রথমে একটি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে যায়। কাঁটাতারের এপার থেকেই আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে আরেকটি ইঞ্জিন যায়। তবে আগুন বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায়, নিয়ন্ত্রণ করতে দেরি হয়। এদিকে, একেবারেই দুর্ভেদ্য জঙ্গলে এদিন কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে রহস্য বাড়ছে। গত সপ্তাহেই কুমারগঞ্জের জাখিরপুরে পাচারকারীরা কাঁটাতার কেটেছিল। যদিও বিএসএফের তৎপরতায় তা বন্ধ হয়ে যায়। কুমারগঞ্জ থানায় এনিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিএসএফ। স্থানীয়দের অনুমান, ওই দুর্ভেদ্য জঙ্গলে ভারতীয়দের প্রবেশ করা কঠিন। চাষবাসের জমিও নেই। তাই ওই অঞ্চল বাংলাদেশীদের কাছে উন্মুক্ত। তাই ওপার থেকেই কেউ এই আগুন লাগিয়েছে। তবে আরও অনুমান, চোরাচালানের সুবিধার জন্যেই ওই অঞ্চলে আগুন লাগানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বিএসএফ।
বিএসএফ সূত্রে খবর, কাঁটাতার পেরিয়ে কিছুটা ভারতীয় ভূখণ্ড। এরপরেই শুরু বাংলাদেশ। জিরো পয়েন্টে বাঁশ, ঘাস, ঝোঁপ সহ জঙ্গল রয়েছে। সেখান থেকেই এদিন দুপুরে ধোঁয়া দেখতে পায় বিএসএফ। এরপরেই উত্তর রসুলপুর বিওপিতে খবর যায়। সেখান থেকে বালুরঘাটে দমকলে খবর দেওয়া হয়। প্রথমে একটি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে যায়। কাঁটাতারের এপার থেকেই আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে আরেকটি ইঞ্জিন যায়। তবে আগুন বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায়, নিয়ন্ত্রণ করতে দেরি হয়। এদিকে, একেবারেই দুর্ভেদ্য জঙ্গলে এদিন কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে রহস্য বাড়ছে। গত সপ্তাহেই কুমারগঞ্জের জাখিরপুরে পাচারকারীরা কাঁটাতার কেটেছিল। যদিও বিএসএফের তৎপরতায় তা বন্ধ হয়ে যায়। কুমারগঞ্জ থানায় এনিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিএসএফ। স্থানীয়দের অনুমান, ওই দুর্ভেদ্য জঙ্গলে ভারতীয়দের প্রবেশ করা কঠিন। চাষবাসের জমিও নেই। তাই ওই অঞ্চল বাংলাদেশীদের কাছে উন্মুক্ত। তাই ওপার থেকেই কেউ এই আগুন লাগিয়েছে। তবে আরও অনুমান, চোরাচালানের সুবিধার জন্যেই ওই অঞ্চলে আগুন লাগানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বিএসএফ।



