নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আজ, রবিবার খানাকুলের রাজহাটিতে জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষ্যে কুমারী কার্নিভাল হবে। সেই জন্য রাজহাটি এলাকার মূল রাস্তায় পণ্যবাহী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকছে। বেলা ১১টা থেকেই নো এন্ট্রি চালু করবে পুলিস। এছাড়া রাজহাটির সংযুক্ত এমন শাখা রাস্তাগুলি দিয়ে যানবাহনকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, শনিবারই রাজহাটি সহ আরামবাগ মহকুমার অধিকাংশ পুজো মণ্ডপের উদ্বোধনও হয়ে গিয়েছে।
Advertisement
হুগলি গ্রামীণের অতিরিক্ত পুলিস সুপার কৃশানু রায় বলেন, জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষ্যে কুমারী কার্নিভালে রাজহাটিতে ভিড় হয়। সেইজন্য তা সুষ্ঠুভাবে করতে যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, খানাকুলের রাজহাটিতে দীর্ঘদিন ধরে কুমারী কার্নিভাল হয়ে আসছে। সেইজন্য সেখানে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ভিড় জমান কার্নিভাল দেখতে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে খানাকুলের ওই রাস্তা এলাকায় ভারী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রাখছে পুলিস। কুমারী কার্নিভাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। তাছাড়া অন্যান্য শাখা রাস্তাগুলি দিয়ে ঘুরপথে পাঠানো হবে যানগুলিকে। তবে অ্যাম্বুলেন্স বা রোগী পরিবহণ কারী অন্যান্য জরুরি গাড়িগুলিকে যাতায়াতের জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। কুমারী কার্নিভাল উপলক্ষ্যে সাতটি পুলিসি সহায়তা কেন্দ্র খুলছে খানাকুল থানা।
পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, পণ্যবাহী যানগুলির যাতায়াতের ব্যাপারে ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে বৈঠক করে এদিন ফের বিধি নিষেধের কথা জানানো হয়েছে। তাছাড়া জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটিগুলিকেও মণ্ডপের এক্সিট পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা লাগাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জগদ্ধাত্রী পুজোর সমন্বয় সমিতির পক্ষে সন্দীপ সামন্ত বলেন, পুলিসের সঙ্গে এদিন বৈঠক হয়েছে। দুপুর ২টো নাগাদ কুমারী কার্নিভাল শুরু করে দেওয়া হবে। আশা করছি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা শেষ হয়ে যাবে। সুষ্ঠুভাবে কার্নিভাল করতে আমাদের তরফেও স্বেচ্ছাসেবক রাখছি।
পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, একাধিক পুলিস অফিসার কুমারী কার্নিভালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। তাছাড়া বাইরে থেকেও শতাধিক কনস্টেবল, হোমগার্ড, টেম্পোরারি হোমগার্ড রাখা হচ্ছে। থাকবে মহিলা পুলিস পরিচালিত উইনার্স টিমও।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, খানাকুলের রাজহাটিতে দীর্ঘদিন ধরে কুমারী কার্নিভাল হয়ে আসছে। সেইজন্য সেখানে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ভিড় জমান কার্নিভাল দেখতে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে খানাকুলের ওই রাস্তা এলাকায় ভারী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রাখছে পুলিস। কুমারী কার্নিভাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। তাছাড়া অন্যান্য শাখা রাস্তাগুলি দিয়ে ঘুরপথে পাঠানো হবে যানগুলিকে। তবে অ্যাম্বুলেন্স বা রোগী পরিবহণ কারী অন্যান্য জরুরি গাড়িগুলিকে যাতায়াতের জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। কুমারী কার্নিভাল উপলক্ষ্যে সাতটি পুলিসি সহায়তা কেন্দ্র খুলছে খানাকুল থানা।
পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, পণ্যবাহী যানগুলির যাতায়াতের ব্যাপারে ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে বৈঠক করে এদিন ফের বিধি নিষেধের কথা জানানো হয়েছে। তাছাড়া জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটিগুলিকেও মণ্ডপের এক্সিট পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা লাগাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জগদ্ধাত্রী পুজোর সমন্বয় সমিতির পক্ষে সন্দীপ সামন্ত বলেন, পুলিসের সঙ্গে এদিন বৈঠক হয়েছে। দুপুর ২টো নাগাদ কুমারী কার্নিভাল শুরু করে দেওয়া হবে। আশা করছি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা শেষ হয়ে যাবে। সুষ্ঠুভাবে কার্নিভাল করতে আমাদের তরফেও স্বেচ্ছাসেবক রাখছি।
পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, একাধিক পুলিস অফিসার কুমারী কার্নিভালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। তাছাড়া বাইরে থেকেও শতাধিক কনস্টেবল, হোমগার্ড, টেম্পোরারি হোমগার্ড রাখা হচ্ছে। থাকবে মহিলা পুলিস পরিচালিত উইনার্স টিমও।



