সংবাদদাতা, করিমপুর: বিদ্যুৎ-বিল, ছোটখাট মেরামতি, শৌচাগার সাফাই, চক-ডাস্টার, খাতা-পেন কেনার মতো দৈনন্দিন খরচ চালাতে প্রায় সমস্ত স্কুলই কম্পোজিট গ্রান্টের উপর নির্ভর করে। সাধারণত কেন্দ্র এই টাকার ৬০ শতাংশ ও রাজ্য ৪০ শতাংশ দেয়। কিন্তু ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে কেন্দ্র এই খাতে কোনও টাকা দেয়নি। অবশেষে শিক্ষাদপ্তর কম্পোজিট গ্রান্টের ২৫শতাংশ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। কিন্তু এত কম টাকায় খরচ চালানো নিয়ে চিন্তায় পড়েছে বহু স্কুল কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
প্রধান শিক্ষকরা জানান, কাজকর্ম চালাতে সব স্কুলই কম্পোজ়িট গ্রান্টের উপর নির্ভরশীল। ২০২৪ শিক্ষাবর্ষ শেষ হলেও রাজ্যের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের প্রায় কোনও স্কুলেই কম্পোজ়িট গ্রান্টের টাকা আসেনি। সম্প্রতি শিক্ষাদপ্তর জানিয়েছে, স্কুলগুলি যে টাকা পেত, তার এক-চতুর্থাংশ এবার দেওয়া হবে। কিন্তু ওই টাকায় কীভাবে খরচ চলবে, সেটাই প্রশ্ন।
করিমপুর চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সোমদেব মজুমদার বলেন, ২৫শতাংশ কম্পোজ়িট গ্রান্টের টাকা দেওয়া হচ্ছে। কম টাকা পাওয়া স্কুলের সমস্যা শিক্ষাদপ্তরকে জানানো হবে।
একহাজারের বেশি পড়ুয়া থাকা উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে বছরে এই খাতে এক লক্ষ টাকা পাওয়ার কথা। যে স্কুলে পড়ুয়াসংখ্যা একহাজারের কম কিন্তু ২৫০এর বেশি, সেই স্কুলের প্রাপ্য ৭৫হাজার টাকা। তার নীচে ৫০ ও ২৫ হাজার টাকার আরও দুই ধাপ রয়েছে।
পিপুলবেড়িয়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পার্থপ্রতিম তেওয়ারি বলেন, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নির্দেশিকা অনুযায়ী, পঞ্চম শ্রেণি থেকে মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার সমস্ত প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্ব স্কুল কর্তৃপক্ষের। সেক্ষেত্রে প্রায় সমস্ত স্কুল কম্পোজ়িট গ্রান্টের টাকা খরচ করে। স্কুলের বেঞ্চ, দরজা-জানালা মেরামত বা অন্য খরচের জন্য বহু স্কুল আলাদা করে টাকা পায় না। এছাড়া, বহু স্কুলেই শিক্ষক ঘাটতি রয়েছে। পড়ুয়াদের পড়াশোনা চালাতে বাইরে থেকে মাসিক দু’তিন হাজার টাকায় অস্থায়ী শিক্ষক রাখতে হচ্ছে। ওই শিক্ষকদের বেতনও কম্পোজ়িট গ্রান্ট থেকেই দেওয়া হয়। কিন্তু এবার আমাদের স্কুলে ৭৫হাজারের কম্পোজিট গ্রান্টের বদলে মাত্র ১৮হাজার টাকা মিলবে। ওই টাকায় বছরভর স্কুলের খরচ কীভাবে মিটবে বুঝতে পারছি না।
প্রধান শিক্ষকদের অনেকেই জানান, পড়ুয়ারা ভর্তির সময় বছরে ২৪০ টাকা বেতন দেয়। এছাড়া স্কুলের কোনও আয় নেই। এই পরিস্থিতিতে কম্পোজ়িট গ্রান্টের টাকা কমে গেলে স্কুল চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
করিমপুর জগন্নাথ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রজত সরকার বলেন, স্কুলের বিদ্যুৎবিল, চক-ডাস্টার, প্রিন্টারের কালি, কাগজ, মেরামত, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি, কাগজ কেনা, শৌচাগার সাফাইয়ের খরচ অবধি কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা থেকে সামাল দেওয়া যাচ্ছিল। ফলে ভর্তি ফি’র টাকায় স্কুলের কিছুটা উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল। এবছর সেই গ্রান্টের এক-চতুর্থাংশ টাকা এলে সমস্ত স্কুল সমস্যায় পড়বে।
করিমপুর চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সোমদেব মজুমদার বলেন, ২৫শতাংশ কম্পোজ়িট গ্রান্টের টাকা দেওয়া হচ্ছে। কম টাকা পাওয়া স্কুলের সমস্যা শিক্ষাদপ্তরকে জানানো হবে।
একহাজারের বেশি পড়ুয়া থাকা উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে বছরে এই খাতে এক লক্ষ টাকা পাওয়ার কথা। যে স্কুলে পড়ুয়াসংখ্যা একহাজারের কম কিন্তু ২৫০এর বেশি, সেই স্কুলের প্রাপ্য ৭৫হাজার টাকা। তার নীচে ৫০ ও ২৫ হাজার টাকার আরও দুই ধাপ রয়েছে।
পিপুলবেড়িয়া উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পার্থপ্রতিম তেওয়ারি বলেন, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নির্দেশিকা অনুযায়ী, পঞ্চম শ্রেণি থেকে মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার সমস্ত প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্ব স্কুল কর্তৃপক্ষের। সেক্ষেত্রে প্রায় সমস্ত স্কুল কম্পোজ়িট গ্রান্টের টাকা খরচ করে। স্কুলের বেঞ্চ, দরজা-জানালা মেরামত বা অন্য খরচের জন্য বহু স্কুল আলাদা করে টাকা পায় না। এছাড়া, বহু স্কুলেই শিক্ষক ঘাটতি রয়েছে। পড়ুয়াদের পড়াশোনা চালাতে বাইরে থেকে মাসিক দু’তিন হাজার টাকায় অস্থায়ী শিক্ষক রাখতে হচ্ছে। ওই শিক্ষকদের বেতনও কম্পোজ়িট গ্রান্ট থেকেই দেওয়া হয়। কিন্তু এবার আমাদের স্কুলে ৭৫হাজারের কম্পোজিট গ্রান্টের বদলে মাত্র ১৮হাজার টাকা মিলবে। ওই টাকায় বছরভর স্কুলের খরচ কীভাবে মিটবে বুঝতে পারছি না।
প্রধান শিক্ষকদের অনেকেই জানান, পড়ুয়ারা ভর্তির সময় বছরে ২৪০ টাকা বেতন দেয়। এছাড়া স্কুলের কোনও আয় নেই। এই পরিস্থিতিতে কম্পোজ়িট গ্রান্টের টাকা কমে গেলে স্কুল চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
করিমপুর জগন্নাথ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রজত সরকার বলেন, স্কুলের বিদ্যুৎবিল, চক-ডাস্টার, প্রিন্টারের কালি, কাগজ, মেরামত, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি, কাগজ কেনা, শৌচাগার সাফাইয়ের খরচ অবধি কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা থেকে সামাল দেওয়া যাচ্ছিল। ফলে ভর্তি ফি’র টাকায় স্কুলের কিছুটা উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল। এবছর সেই গ্রান্টের এক-চতুর্থাংশ টাকা এলে সমস্ত স্কুল সমস্যায় পড়বে।



