সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: একই গ্রামের তিনটি বাড়ির খড়ের গাদায় আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকার সাধারণ মানুষ। বুধবার রাতে কুমারগ্রাম ব্লকের কামাখ্যাগুড়ি-২ পঞ্চায়েতের দক্ষিণ কামাখ্যাগুড়ি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
Advertisement
স্থানীয় বাসিন্দা মনোরঞ্জন দাস, চিত্র অধিকারী ও উত্তম রায়ের বাড়ির খড়ের গাদায় আগুন লাগে। চিত্র অধিকারী ও মনোরঞ্জন দাস দু’জনই বাড়ির একটি ঘরের পাশে খড় রেখেছিলেন। ফলে ঘর দু’টিও পুড়ে গিয়েছে। রাতেই ঘটনাস্থলে আসে কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির পুলিস এবং বারোবিশা দমকল কেন্দ্রের কর্মীরা। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বৃহস্পতিবার ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করতে আসেন কামাখ্যাগুড়ি-২ পঞ্চায়েতের প্রধান মুনমুন রাভা, উপপ্রধান প্রসূন দত্ত, তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি শিবু রায়। তাঁরা ক্ষয়ক্ষতি ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে ওই এলাকারই বাসিন্দা ক্ষীরোদ রায়ের খড়ের গাদাতেও আগুন লেগেছিল। বুধবার রাতে ফের একই ধরনের ঘটনা ঘটায় রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। তাহলে কী কেউ বা কারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে খড়ের পুঞ্জিতে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে? আপাতত এই প্রশ্নই ঘোরাঘুরি করছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বুধবার রাতের আগুনে আনুমানিক লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।
কামাখ্যাগুড়ি-২ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বলেন, মনে হচ্ছে কিছু দুষ্কৃতী এই কাজের সঙ্গে জড়িত। দক্ষিণ কামাখ্যাগুড়ির মানুষ খুবই আতঙ্কে রয়েছে। বিষয়টি আমরা পুলিসকে জানিয়েছি। পুলিস তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করুক।
তৃণমূলের কামাখ্যাগুড়ি-২ অঞ্চল সভাপতি বলেন, কিছুদিন থেকেই দক্ষিণ কামাখ্যাগুড়িতে এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে। এমনটা ঘটতে থাকলে ঘরবাড়ি পুড়ে যেতে পারে। প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। এলাকার সবাই আতঙ্কিত। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে পুলিস তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিক। পুলিস জানিয়েছে, আগুন লাগার ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ এই কাজে জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে ওই এলাকারই বাসিন্দা ক্ষীরোদ রায়ের খড়ের গাদাতেও আগুন লেগেছিল। বুধবার রাতে ফের একই ধরনের ঘটনা ঘটায় রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। তাহলে কী কেউ বা কারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে খড়ের পুঞ্জিতে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে? আপাতত এই প্রশ্নই ঘোরাঘুরি করছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বুধবার রাতের আগুনে আনুমানিক লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।
কামাখ্যাগুড়ি-২ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বলেন, মনে হচ্ছে কিছু দুষ্কৃতী এই কাজের সঙ্গে জড়িত। দক্ষিণ কামাখ্যাগুড়ির মানুষ খুবই আতঙ্কে রয়েছে। বিষয়টি আমরা পুলিসকে জানিয়েছি। পুলিস তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করুক।
তৃণমূলের কামাখ্যাগুড়ি-২ অঞ্চল সভাপতি বলেন, কিছুদিন থেকেই দক্ষিণ কামাখ্যাগুড়িতে এই ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে। এমনটা ঘটতে থাকলে ঘরবাড়ি পুড়ে যেতে পারে। প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। এলাকার সবাই আতঙ্কিত। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে পুলিস তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিক। পুলিস জানিয়েছে, আগুন লাগার ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ এই কাজে জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



