সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: কুমারগ্রাম ব্লকের কামাখ্যাগুড়ি বাজার জতুগৃহে পরিণত হয়েছে। আর এতে আতঙ্কিত এলাকার সাধারণ মানুষ। যেকোনও সময় বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
Advertisement
কামাখ্যাগুড়ি বাজারটি আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের অধীনে। অভিযোগ, বাজারের এক শ্রেণির ব্যবসায়ী দোকানের সামনের অংশে মালপত্র রেখে বহাল তবিয়তে ব্যবসা করছেন। দীর্ঘদিন ধরেই এটা চলছে। আগুন বা অন্য কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে বাজারে দমকলের ইঞ্জিন প্রবেশের মতো পরিস্থিতি নেই। শুধু তাই নয়, বাজারে অগ্নিনির্বাপণের জন্য জলের জোগান দেওয়ারও কোনও ব্যবস্থা নেই। দিন দিন বাজারের গলিগুলি আরও ঘিঞ্জি হচ্ছে।
এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করুক জেলা পরিষদ, এমনটাই চাইছে এলাকার সাধারণ মানুষ। কামাখ্যাগুড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক প্রাণকৃষ্ণ সাহা বলেন, বাজারে দোকানের সামনের অংশ দখল করে জিনিসপত্র রাখার জন্য দোকানদারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। সাধারণ মানুষের সুবিধা অসুবিধা দেখা হচ্ছে না। এতে ক্রেতারা চলাচল করতে সমস্যায় পড়ছেন। বিষয়টি ব্যবসায়ীদের দেখা উচিত। ব্যবসায়ী সমিতির তরফে এই নিয়ে অতীতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। বর্তমানে কামাখ্যাগুড়ি বাজারের যা অবস্থা, তাতে যেকোনও সময় বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। বাজারে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য জলের কোনও ব্যবস্থা নেই। এটাও প্রশাসনের দেখা উচিত।
কামাখ্যাগুড়ির বাসিন্দা সমাজকর্মী কমল ঘোষ বলেন, বাজারের অবস্থা খুবই খারাপ। এক শ্রেণির দোকানদার দোকানের সামনের অংশ দখল করে মালপত্র রেখে ব্যবসা করছেন। যার ফলে বাজারের রাস্তাগুলি সংকীর্ণ হয়ে আসছে। বিষয়টি প্রশাসনের দেখা উচিত।
আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, তথ্য ও ক্রীড়া কর্মাধ্যক্ষ গোলাপ রায় বলেন, কামাখ্যাগুড়ি বাজারের এই সমস্যা নিয়ে সভাধিপতির সঙ্গে কথা বলব। সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
কামাখ্যাগুড়ি বাজার। - নিজস্ব চিত্র।
এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করুক জেলা পরিষদ, এমনটাই চাইছে এলাকার সাধারণ মানুষ। কামাখ্যাগুড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক প্রাণকৃষ্ণ সাহা বলেন, বাজারে দোকানের সামনের অংশ দখল করে জিনিসপত্র রাখার জন্য দোকানদারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। সাধারণ মানুষের সুবিধা অসুবিধা দেখা হচ্ছে না। এতে ক্রেতারা চলাচল করতে সমস্যায় পড়ছেন। বিষয়টি ব্যবসায়ীদের দেখা উচিত। ব্যবসায়ী সমিতির তরফে এই নিয়ে অতীতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। বর্তমানে কামাখ্যাগুড়ি বাজারের যা অবস্থা, তাতে যেকোনও সময় বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। বাজারে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য জলের কোনও ব্যবস্থা নেই। এটাও প্রশাসনের দেখা উচিত।
কামাখ্যাগুড়ির বাসিন্দা সমাজকর্মী কমল ঘোষ বলেন, বাজারের অবস্থা খুবই খারাপ। এক শ্রেণির দোকানদার দোকানের সামনের অংশ দখল করে মালপত্র রেখে ব্যবসা করছেন। যার ফলে বাজারের রাস্তাগুলি সংকীর্ণ হয়ে আসছে। বিষয়টি প্রশাসনের দেখা উচিত।
আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, তথ্য ও ক্রীড়া কর্মাধ্যক্ষ গোলাপ রায় বলেন, কামাখ্যাগুড়ি বাজারের এই সমস্যা নিয়ে সভাধিপতির সঙ্গে কথা বলব। সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
কামাখ্যাগুড়ি বাজার। - নিজস্ব চিত্র।



