Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৬ ফুটের রাস্তাও সহজেই হবে সাফ, ২০টি ছোট মেকানিক্যাল সুইপার কিনছে পুরসভা

এবার শহরের গলিপথ বা ছোটখাটো রাস্তাও সাফসুতরো রাখা যাবে অনায়াসে।

৬ ফুটের রাস্তাও সহজেই হবে সাফ, ২০টি  ছোট মেকানিক্যাল সুইপার কিনছে পুরসভা
  • ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:১১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার শহরের গলিপথ বা ছোটখাটো রাস্তাও সাফসুতরো রাখা যাবে অনায়াসে। এর জন্য ছোট সাইজের ব্যাটারিচালিত অত্যাধুনিক মেকানিক্যাল সুইপার বা ‘স্বয়ংক্রিয় ঝাড়ু’ কিনছে কলকাতা পুরসভা। আপাতত ২০টি এমন ইলেকট্রনিক মেকানিক্যাল সুইপার কেনা হচ্ছে। পাশাপাশি, বড় রাস্তা সাফাই করার জন্য পুরোনো মডেলের মেকানিক্যাল সুইপারের বদলে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় সুইপার কেনা হচ্ছে। এই মেশিন একদিকে যেমন রাস্তায় ঝাড়ু দিতে পারবে, তেমনি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার হিসেবেও কাজ করতে পারবে। শুধু তাই নয়, একই সঙ্গে স্প্রিংকলারের মতো রাস্তায় জলও ছিটিয়ে দিতে পারবে। এই ধরনের বড় আকারের সিএনজিচালিত ২০টি মেশিন কিনবে পুরসভা। বুধবার মেয়র পরিষদের বৈঠকে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ৮৪ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ ধরা হয়েছে এগুলি কেনার জন্য।  

Advertisement

কলকাতা পুরসভার জঞ্জাল সাফাই এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানাচ্ছে, ছোটখাটো রাস্তায় বড় মেকানিক্যাল সুইপার ঢোকাতে সমস্যা হয়। তাই ছোট আকারের ব্যাটারিচালিত মেকানিক্যাল সুইপার কেনা হচ্ছে। এগুলি মাত্র ৬ থেকে সাড়ে ৬ ফুট চওড়া। ফলে অলিগলিতেও সহজেই ঢুকে কাজ করতে পারবে। একবার চার্জ দিলে এই গাড়ি প্রায় আট ঘণ্টা চলবে। এক পুরকর্তা বলেন, ‘ইতিমধ্যেই মুম্বই, ইন্দোর এবং নাসিকে এই ধরনের মেশিনে সাফাইয়ের কাজ হচ্ছে। পুরসভার প্রতিনিধি দল গিয়ে সেই কাজ দেখে এসেছে। মেশিনের পারফরম্যান্স আশানুরূপ।’ 
সূত্রের খবর, এর আগে করোনা-কালে ২০টি মেকানিক্যাল সুইপার কেনা হয়েছিল। কিন্তু সেই মেশিনগুলির পারফরম্যান্স ভালো নয়। যে মেকানিক্যাল সুইপারগুলি রাস্তায় কাজ করছে, সেগুলির কাজের ধরন এবং গুণমান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাই নতুন ধরনের সিএনজিচালিত বড় মেকানিক্যাল সুইপার কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা কার্যত ‘অল ইন ওয়ান’।  এক পুরকর্তা বলেন, ‘পুরোনো মেশিনগুলি শুধুমাত্র রাস্তায় ঝাড়ু দেয় এবং ময়লা-আবর্জনা, ধুলো ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের মতো ভিতরে টেনে নেয়। এক্ষেত্রে প্রচুর ধুলো উড়ে। কিন্তু নতুন মেশিনগুলিতে ঝাড়ু দেওয়া এবং ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের পাশাপাশি রাস্তায় জল ছড়ানোর স্প্রিংকলার লাগানো থাকছে। ফলে রাস্তায় ঝাড়ু পড়ার সঙ্গে সঙ্গে জল ছিটানো হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। ফলে যখন ভ্যাকুয়াম ক্লিনার চলবে, তখন ধুলো উড়বে না।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ