নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: কুম্ভ যাওয়ার পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দু’জনের। পাশাপাশি দুর্ঘটনার জেরে জখম আরও ৬ জন। তাঁদের মধ্যে ৪ মহিলাও রয়েছেন। আহত অবস্থায় তাঁরা বর্তমানে আসানসোল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁদের মধ্যে এক মহিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের অযোধ্যা গ্রাম থেকে একই পরিবারের ৮ জন একটি চার চাকা গাড়ি করে পূর্ণকুম্ভে স্নানের উদ্দেশে প্রয়াগরাজ যাচ্ছিলেন। পথে কুলটি থানার চৌরঙ্গী মোড়ে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
গাড়ির চালক সোমনাথ চক্রবর্তী বলেন, “একটি লরি আমাদের গাড়িকে ধাক্কা মারে। এরপর আমাদের গাড়িটি একটি দাঁড়িয়ে থাকা কন্টেনারে গিয়ে আঘাত করে।” এই ঘটনায় শান্তনু মুখোপাধ্যায়(৬৫) ও শৈলেন বন্দ্যোপাধ্যায়(৬০) নামে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন শান্তনু বাবুর ছেলে সৌরভ মুখোপাধ্যায়, স্ত্রী মনসা মুখোপাধ্যায়, পুত্রবধূ অনন্যা মুখার্জি (২৭), শৈলেন বাবুর স্ত্রী রূম্পা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শৈলেন বাবুর নিকট আত্মীয় শিউলি কর্মকার ও চালক সোমনাথ চক্রবর্তী। এদের মধ্যে শিউলি কর্মকারের অবস্থা সংকটজনক। পুলিস দু’টি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। (প্রতীকী ছবি)
গাড়ির চালক সোমনাথ চক্রবর্তী বলেন, “একটি লরি আমাদের গাড়িকে ধাক্কা মারে। এরপর আমাদের গাড়িটি একটি দাঁড়িয়ে থাকা কন্টেনারে গিয়ে আঘাত করে।” এই ঘটনায় শান্তনু মুখোপাধ্যায়(৬৫) ও শৈলেন বন্দ্যোপাধ্যায়(৬০) নামে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন শান্তনু বাবুর ছেলে সৌরভ মুখোপাধ্যায়, স্ত্রী মনসা মুখোপাধ্যায়, পুত্রবধূ অনন্যা মুখার্জি (২৭), শৈলেন বাবুর স্ত্রী রূম্পা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শৈলেন বাবুর নিকট আত্মীয় শিউলি কর্মকার ও চালক সোমনাথ চক্রবর্তী। এদের মধ্যে শিউলি কর্মকারের অবস্থা সংকটজনক। পুলিস দু’টি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। (প্রতীকী ছবি)



