লখনউ: পূর্ণকুম্ভে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড়। যোগী সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে একের পর এক অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দলগুলি। এবার অভিযোগ এল গেরুয়া শিবির থেকেই। পূর্ণকুম্ভে চরম অব্যবস্থার অভিযোগ তুলে সরব হলেন দলীয় বিধায়কই। রবিবার লোনি বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক নন্দকিশোর গুর্জর বলেন, ‘এটি পরিকল্পিত হত্যা। অবিলম্বে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে গ্রেপ্তার করা হোক।’
Advertisement
পূর্ণকুম্ভে মৌনি অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে অমৃতস্নানের আয়োজন করা হয়েছিল। গত মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৮ তারিখ রাতে সেখানেই পদপিষ্ট হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। সরকারি হিসেবে যদিও সংখ্যাটা ৩০। অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে থানা সর্বত্রই মৃতের সংখ্যা ধামাচাপা দিতে তৎপর যোগীর প্রশাসনিক আধিকারিকরা। এদিন এনিয়েই এক ইউটউিব চ্যানেলে ক্ষোভপ্রকাশ করেন বিধায়ক নন্দকিশোর। বলেন, ‘পুর্ণকুম্ভে ভরপুর দুর্নীতি হয়েছে। কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। মানুষজনকে কার্যত হত্যা করা হয়েছে। আসলে প্রশাসনিক আধিকারিকরা বিশেষ করে মুখ্যসচিব শুধু লুট করতে, গোরু কাটতে আর গরিবদের হত্যা করতে ব্যস্ত। এই হত্যার দায় স্বীকার করে তাঁর ইস্তফা দেওয়া উচিত।’ বিজেপি বিধায়কের দাবি, মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে মামলা শুরু করে যেন অবিলম্বে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবারের ওই ঘটনার পর ফের শুরু হয় স্নান। ‘পুষ্পবৃষ্টি’ করে ঢেকে ফেলার চেষ্টা করা হয় রক্তাক্ত প্রয়াগরাজকে। প্রশাসন ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করলেও বহু ছবি সামনে এসে যায়। মৃতের সংখ্যা লুকোনো নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এনিয়ে বিধায়কের জবাব, কয়েকদিনে প্রয়াগরাজের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা থেকে স্পষ্ট, সংখ্যাটা অনেক বেশি। পুলিসেরও যথেষ্ট গাফিলতি রয়েছে। বিশেষ কয়েকজনকে আগে স্নানের সুবিধা দিতে গিয়ে প্রবল ভিড়কে আটকে দেওয়া হয়েছিল। এর জেরেই এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।
মঙ্গলবারের ওই ঘটনার পর ফের শুরু হয় স্নান। ‘পুষ্পবৃষ্টি’ করে ঢেকে ফেলার চেষ্টা করা হয় রক্তাক্ত প্রয়াগরাজকে। প্রশাসন ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করলেও বহু ছবি সামনে এসে যায়। মৃতের সংখ্যা লুকোনো নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এনিয়ে বিধায়কের জবাব, কয়েকদিনে প্রয়াগরাজের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা থেকে স্পষ্ট, সংখ্যাটা অনেক বেশি। পুলিসেরও যথেষ্ট গাফিলতি রয়েছে। বিশেষ কয়েকজনকে আগে স্নানের সুবিধা দিতে গিয়ে প্রবল ভিড়কে আটকে দেওয়া হয়েছিল। এর জেরেই এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।



