নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মহাকুম্ভে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ মধ্যমগ্রামের প্রদীপ ঘোষ। একই ধরণের পরিস্থিতি ক্যানিংয়ের দেবনাথ পরিবারের। ২৭ তারিখ পাড়ার মহিলাদের সঙ্গে মেলায় গিয়েছিলেন সবিতা দেবনাথ। দুর্ঘটনার সময় দলছুট হয়ে পড়েন সত্তর বছরের ওই বৃদ্ধা। তারপর থেকে নিখোঁজ।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে নিখোঁজ বৃদ্ধ প্রদীপবাবু। কোনওরকমভাবে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না কেউ। উত্তরপ্রদেশের পুলিসের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে পরিবার। মধ্যমগ্রাম থানাতেও নিখোঁজের অভিযোগ জানানো হয়েছে। অন্যদিকে ক্যানিংয়ের জয়দেবপল্লির বাসিন্দা সবিতাদেবীর খোঁজ না মেলায় ক্যানিং থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করেছে তাঁর পরিবার।
মধ্যমগ্রামের নেতাজিনগরের বাসিন্দা প্রদীপ ঘোষ(৬৫)। তিনি ব্যবসা করেন। কয়েকদিন আগে একটি নামকরা ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নিয়ে মহাকুম্ভে গিয়েছিলেন। সোমবার মধ্যমগ্রাম থেকে রওনা দিয়েছিলেন। মেলার সেক্টর-ওয়ান এলাকা থেকেই প্রদীপবাবু নিখোঁজ হয়ে যান। লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর ভিড়ে খোঁজার কাজ হয়। তবে তাঁর খোঁজ মেলেনি। তাঁর কাছে একটি ফোন ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে নেমে যাওয়ার সময় ফোন গাড়িতেই রেখে গিয়েছিলেন। ফলে যোগাযোগের উপায় হয়নি। মধ্যমগ্রামে তাঁর পরিবারের বাকি সদস্যরা প্রবল উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। মন্দিরা কর নামে তাঁর এক আত্মীয় বলেন, ‘মেসোমশাই মহাকুম্ভে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিখোঁজ হন। একদিন কেটে গেলেও হদিশ পাইনি। দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে সবাই। উত্তরপ্রদেশের পুলিসের কাছে আমরা অভিযোগ করেছি। পরিবারের কয়েকজন গিয়েছিলেন। একজনকে হারিয়ে বাড়ি ফিরছেন ওঁরা।’
মধ্যমগ্রামের নেতাজিনগরের বাসিন্দা প্রদীপ ঘোষ(৬৫)। তিনি ব্যবসা করেন। কয়েকদিন আগে একটি নামকরা ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নিয়ে মহাকুম্ভে গিয়েছিলেন। সোমবার মধ্যমগ্রাম থেকে রওনা দিয়েছিলেন। মেলার সেক্টর-ওয়ান এলাকা থেকেই প্রদীপবাবু নিখোঁজ হয়ে যান। লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর ভিড়ে খোঁজার কাজ হয়। তবে তাঁর খোঁজ মেলেনি। তাঁর কাছে একটি ফোন ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে নেমে যাওয়ার সময় ফোন গাড়িতেই রেখে গিয়েছিলেন। ফলে যোগাযোগের উপায় হয়নি। মধ্যমগ্রামে তাঁর পরিবারের বাকি সদস্যরা প্রবল উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। মন্দিরা কর নামে তাঁর এক আত্মীয় বলেন, ‘মেসোমশাই মহাকুম্ভে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিখোঁজ হন। একদিন কেটে গেলেও হদিশ পাইনি। দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে সবাই। উত্তরপ্রদেশের পুলিসের কাছে আমরা অভিযোগ করেছি। পরিবারের কয়েকজন গিয়েছিলেন। একজনকে হারিয়ে বাড়ি ফিরছেন ওঁরা।’



