প্রয়াগরাজ: মৌনী অমাবস্যায় পদপিষ্টের স্মৃতি নিয়ে সোমবার ভোরে বসন্ত পঞ্চমীর অমৃত স্নানে গিয়েছিলেন পুণ্যার্থীরা। প্রশাসনের সক্রিয়তা এবং পুণ্যার্থীদের সতর্কতায় এদিন নির্বিঘ্নে সেই স্নান সম্পন্ন হয়েছে। হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন প্রশাসনের কর্তারা। এদিন ছিল পূর্ণকুম্ভের তৃতীয় অমৃত স্নান। এদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত প্রায় ৮১ লক্ষ ২৪ হাজার পুণ্যার্থী স্নান সারেন বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে আগেরবারের মতো আর সকলে সঙ্গম নোজ ঘাটে ভিড় করেননি। সতর্কতা মেনে একাধিক ঘাটে পুণ্যস্নান সারেন। তাই ভিড় নজরে আসেনি কোথাও। এদিন ভোর ৪টেয় ছিল স্নানের পুণ্যলগ্ন। ভোর সাড়ে তিনটে থেকেই লখনউতে বসে পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্বয়ং। শাহিস্নান শুরুর আগেই গোটা এলাকা টহল দেন ডিআইজি (মহাকুম্ভ) বৈভব কৃষ্ণ। তিনি জানান, ‘সবকিছু আজ ঠিকঠাক চলছে।’
Advertisement
প্রথা মেনে প্রথমে স্নান সারেন নাগা সন্ন্যাসীরা। এরপর প্রশাসন নির্দিষ্ট সময়ে একে একে স্নান সারেন সন্ন্যাসী, বৈরাগী এবং উদাসীন গোত্রের আখড়ার সাধুরা। প্রত্যেক আখড়ার জন্য ৪০ মিনিট করে সময় বেধে দেওয়া হয়। সেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শাহিস্নান সম্পন্ন হয়। আখড়াগুলির অমৃত স্নান উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য রথের শোভাযাত্রা দেখতে পথ ছেড়ে দাঁড়িয়ে থাকেন পুণ্যার্থীরা।
এদিকে, সোমবারই পূর্ণকুম্ভে নিরাপত্তার নির্দেশিকা চেয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। মামলাটি করেন আইনজীবী বিশাল তিওয়ারি। সোমবার প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ এই মামলা শুনতে অস্বীকার করে। আদালত জানায়, এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। তবে এই সংক্রান্ত মামলা যেহেতু এলাহাবাদ হাইকোর্টে চলছে। তাই আবেদনকারী বিশালকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে যেতে বলেছে আদালত।
এদিকে, সোমবারই পূর্ণকুম্ভে নিরাপত্তার নির্দেশিকা চেয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। মামলাটি করেন আইনজীবী বিশাল তিওয়ারি। সোমবার প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ এই মামলা শুনতে অস্বীকার করে। আদালত জানায়, এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। তবে এই সংক্রান্ত মামলা যেহেতু এলাহাবাদ হাইকোর্টে চলছে। তাই আবেদনকারী বিশালকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে যেতে বলেছে আদালত।



